আজকের পত্রিকা ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশন এবং ২৪ ও ২৫ ডিসেম্বর পার্টির চেয়ারম্যান নির্বাচনের তারিখসহ কাউন্সিল ও ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ পর্ষদের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।
রাজধানীর বিজয়নগরের দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ রোববার এই ঘোষণা দেন এবি পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব ও অভ্যন্তরীণ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমদ ভূঁইয়া।
সংবাদ সম্মেলনে দলের সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু জানান, ২০২০ সালে দলটির যাত্রা শুরু হলেও ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্যাতন, নিপীড়ন, স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণসহ নানা কারণে দলটির কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, ‘এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী ২৮ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমাদের প্রথম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে ইনশা আল্লাহ।’
পার্টির অন্যতম উপদেষ্টা এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী বলেন, ‘পতিত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে আমরা দেশের প্রয়োজনে কাউন্সিল করার সুযোগ পাইনি। স্বৈরাচার পতনের পর এখন একটু সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে উৎসব মুখর পরিবেশে আমরা একটি কাউন্সিলের মাধ্যমে পার্টির যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করবে ইনশা আল্লাহ।’
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে ব্যারিস্টার যোবায়ের জানান, ৭ থেকে ১২ ডিসেম্বর চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা, ১৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই, ১৮ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহার, ১৯ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, ২৪-২৫ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ এবং ২৮ ডিসেম্বর ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশ হবে।
ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ পর্ষদের (এনইসি) নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করে তিনি বলেন, ৫-১০ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা, ১১-১২ ডিসেম্বর যাচাই বাছাই, ১৩ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহার, ১৪ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, ১৯-২০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ ও ২১ ডিসেম্বর ফলাফল ঘোষণা করা হবে। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করে তিনি বলেন, ২২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা, ২৪ ডিসেম্বর প্রত্যাহার, ২৬ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ ও ২৮ ডিসেম্বর ফলাফল ঘোষণা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্টির আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার, যুগ্ম আহ্বায়ক লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম, লে. কর্নেল (অব.) হেলাল উদ্দিন, অভ্যন্তরীণ নির্বাচন পরিচলনা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা ও অন্যতম নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আকতারুল আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

২৮ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশন এবং ২৪ ও ২৫ ডিসেম্বর পার্টির চেয়ারম্যান নির্বাচনের তারিখসহ কাউন্সিল ও ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ পর্ষদের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।
রাজধানীর বিজয়নগরের দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ রোববার এই ঘোষণা দেন এবি পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব ও অভ্যন্তরীণ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমদ ভূঁইয়া।
সংবাদ সম্মেলনে দলের সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু জানান, ২০২০ সালে দলটির যাত্রা শুরু হলেও ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্যাতন, নিপীড়ন, স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণসহ নানা কারণে দলটির কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, ‘এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী ২৮ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমাদের প্রথম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে ইনশা আল্লাহ।’
পার্টির অন্যতম উপদেষ্টা এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী বলেন, ‘পতিত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে আমরা দেশের প্রয়োজনে কাউন্সিল করার সুযোগ পাইনি। স্বৈরাচার পতনের পর এখন একটু সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে উৎসব মুখর পরিবেশে আমরা একটি কাউন্সিলের মাধ্যমে পার্টির যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করবে ইনশা আল্লাহ।’
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে ব্যারিস্টার যোবায়ের জানান, ৭ থেকে ১২ ডিসেম্বর চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা, ১৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই, ১৮ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহার, ১৯ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, ২৪-২৫ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ এবং ২৮ ডিসেম্বর ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশ হবে।
ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ পর্ষদের (এনইসি) নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করে তিনি বলেন, ৫-১০ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা, ১১-১২ ডিসেম্বর যাচাই বাছাই, ১৩ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহার, ১৪ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, ১৯-২০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ ও ২১ ডিসেম্বর ফলাফল ঘোষণা করা হবে। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করে তিনি বলেন, ২২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা, ২৪ ডিসেম্বর প্রত্যাহার, ২৬ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ ও ২৮ ডিসেম্বর ফলাফল ঘোষণা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্টির আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার, যুগ্ম আহ্বায়ক লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম, লে. কর্নেল (অব.) হেলাল উদ্দিন, অভ্যন্তরীণ নির্বাচন পরিচলনা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা ও অন্যতম নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আকতারুল আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৫ ঘণ্টা আগে