নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

১৯৭১ সালের গণহত্যায় জড়িত পাকিস্তানের ছাত্রসংগঠন জমিয়ত-ই-তলাবা নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
আজ সোমবার তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সদস্য ফরম বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যায় নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রসংঘের মূল অংশটি হলো আজকের জমিয়ত-ই-তলাবা পাকিস্তান। সেই সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে শিবিরের সভাপতি গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন। আসলে তারা এখনো তাদের প্রিয় অভিভাবককে ভুলতে পারেনি। জমিয়ত-ই-তলাবা পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে দেখা করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিবির চরমভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৯৭১ সালের গণহত্যাকারী সংগঠন, যারা আমাদের ভাইদের হত্যা করেছিল, বোনদের ধর্ষণ করেছিল—তাদের উত্তরসূরি ইসলামি জমিয়ত-ই-তলাবা পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন শিবিরের সভাপতি। তারা এত প্রপাগান্ডা ছড়ায়, কিন্তু এটা তারা ছড়াল না। আমরা বিষয়টি জানলাম পাকিস্তানের সেই সংগঠনের ফেসবুক পোস্ট থেকে।
নাছির বলেন, তলাবা পাকিস্তান তাদের ফেসবুক পেজে লিখেছে, তারা শিবিরের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে মিশন বাস্তবায়নে কাজ করবে। তলাবা পাকিস্তান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে কোন মিশনে নেমেছে, তা ছাত্রশিবিরকে স্পষ্ট করতে হবে। ১৯৭১ সালের গণহত্যাকারীদের সঙ্গে দেখা করে ছাত্রশিবির যে বিশ্বাসঘাতকতা করছে, তার জন্য তাদের ক্ষমা চাইতে হবে।
উল্লেখ্য, ইসলামি জমিয়ত-ই-তলাবা পাকিস্তানের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে শিবিরের সভাপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি জানানো হয়। সাক্ষাতের সময় পাকিস্তানের ওই সংগঠনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসিম বিল্লাহ হাসমি ও সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম হায়দার।

১৯৭১ সালের গণহত্যায় জড়িত পাকিস্তানের ছাত্রসংগঠন জমিয়ত-ই-তলাবা নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
আজ সোমবার তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সদস্য ফরম বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যায় নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রসংঘের মূল অংশটি হলো আজকের জমিয়ত-ই-তলাবা পাকিস্তান। সেই সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে শিবিরের সভাপতি গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন। আসলে তারা এখনো তাদের প্রিয় অভিভাবককে ভুলতে পারেনি। জমিয়ত-ই-তলাবা পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে দেখা করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিবির চরমভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৯৭১ সালের গণহত্যাকারী সংগঠন, যারা আমাদের ভাইদের হত্যা করেছিল, বোনদের ধর্ষণ করেছিল—তাদের উত্তরসূরি ইসলামি জমিয়ত-ই-তলাবা পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন শিবিরের সভাপতি। তারা এত প্রপাগান্ডা ছড়ায়, কিন্তু এটা তারা ছড়াল না। আমরা বিষয়টি জানলাম পাকিস্তানের সেই সংগঠনের ফেসবুক পোস্ট থেকে।
নাছির বলেন, তলাবা পাকিস্তান তাদের ফেসবুক পেজে লিখেছে, তারা শিবিরের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে মিশন বাস্তবায়নে কাজ করবে। তলাবা পাকিস্তান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে কোন মিশনে নেমেছে, তা ছাত্রশিবিরকে স্পষ্ট করতে হবে। ১৯৭১ সালের গণহত্যাকারীদের সঙ্গে দেখা করে ছাত্রশিবির যে বিশ্বাসঘাতকতা করছে, তার জন্য তাদের ক্ষমা চাইতে হবে।
উল্লেখ্য, ইসলামি জমিয়ত-ই-তলাবা পাকিস্তানের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে শিবিরের সভাপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি জানানো হয়। সাক্ষাতের সময় পাকিস্তানের ওই সংগঠনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসিম বিল্লাহ হাসমি ও সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম হায়দার।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে