নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৃহত্তর ঐক্য সৃষ্টির নামে বৃহত্তম তামাশা সৃষ্টি করে বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা আড়ালের অপচেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বিএনপি জনগণের কাছে যাওয়ার জন্য কোনো ইস্যু খুঁজে না পেয়ে তারা এখন সময়ক্ষেপণের জন্য নিজ বলয়ে সংলাপ করছে।’ আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেতু ভবনে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
বিএনপির নেতায় নেতায় সংলাপ জনগণ এর আগেও দেখেছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘কিন্তু জনগণ পর্বতের মুষিক প্রসব ছাড়া আর কিছুই দেখেনি।’ বিএনপি দিন-রাত সরকারের অন্ধ সমালোচনা আর বিরামহীন মিথ্যাচার ও বিষোদ্গার করে চলেছে এমন দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখন তারা বলছে, আমার ভাষা নাকি রাজনীতির ভাষা নয়।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেই বাক-সংযমী হওয়ার আহ্বান জানান কাদের।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা সব সময় রাজনৈতিক ভাষায় কথা বলি, আমাদের ভাষায় কোনো প্রকার আপত্তিকর বক্তব্য আসে না, এমন শিক্ষা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পায়নি, অন্যদিকে বিএনপি ও তাদের কর্মীরা রাস্তার ভাষায় কথা বলে।’
বিএনপির নেতারা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সম্মানের সহিত উচ্চারণ করে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘তারা স্লোগান দেয়, ’৭৫-এর হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার! এর চেয়ে অশ্রাব্য ভাষা আর কী হতে পারে?’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেয়, এটা কি কখনো মেনে নেওয়া যায়? প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, এর চেয়ে আর নোংরা ভাষা কী হতে পারে?
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আগে নিজেরা সংযত ভাষায় কথা বলুন, তারপর আমাদের বলুন।’
কাদের বলেন, ‘জনগণ মনে করে, আগুন-সন্ত্রাস, দুর্নীতি আর লুটপাট যাদের রাজনীতি, তাদের ভাষা মাধুর্যের চেয়ে ভাষা চাতুরতাই বেশি প্রিয় হবে, এটাই স্বাভাবিক।’

বৃহত্তর ঐক্য সৃষ্টির নামে বৃহত্তম তামাশা সৃষ্টি করে বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা আড়ালের অপচেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বিএনপি জনগণের কাছে যাওয়ার জন্য কোনো ইস্যু খুঁজে না পেয়ে তারা এখন সময়ক্ষেপণের জন্য নিজ বলয়ে সংলাপ করছে।’ আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেতু ভবনে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
বিএনপির নেতায় নেতায় সংলাপ জনগণ এর আগেও দেখেছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘কিন্তু জনগণ পর্বতের মুষিক প্রসব ছাড়া আর কিছুই দেখেনি।’ বিএনপি দিন-রাত সরকারের অন্ধ সমালোচনা আর বিরামহীন মিথ্যাচার ও বিষোদ্গার করে চলেছে এমন দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখন তারা বলছে, আমার ভাষা নাকি রাজনীতির ভাষা নয়।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেই বাক-সংযমী হওয়ার আহ্বান জানান কাদের।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা সব সময় রাজনৈতিক ভাষায় কথা বলি, আমাদের ভাষায় কোনো প্রকার আপত্তিকর বক্তব্য আসে না, এমন শিক্ষা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পায়নি, অন্যদিকে বিএনপি ও তাদের কর্মীরা রাস্তার ভাষায় কথা বলে।’
বিএনপির নেতারা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সম্মানের সহিত উচ্চারণ করে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘তারা স্লোগান দেয়, ’৭৫-এর হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার! এর চেয়ে অশ্রাব্য ভাষা আর কী হতে পারে?’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেয়, এটা কি কখনো মেনে নেওয়া যায়? প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, এর চেয়ে আর নোংরা ভাষা কী হতে পারে?
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আগে নিজেরা সংযত ভাষায় কথা বলুন, তারপর আমাদের বলুন।’
কাদের বলেন, ‘জনগণ মনে করে, আগুন-সন্ত্রাস, দুর্নীতি আর লুটপাট যাদের রাজনীতি, তাদের ভাষা মাধুর্যের চেয়ে ভাষা চাতুরতাই বেশি প্রিয় হবে, এটাই স্বাভাবিক।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৯ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৯ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
১০ ঘণ্টা আগে