নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নির্বাচনের মাঠে শামীম ওসমানের জয়ের পথ দৃশ্যত পরিষ্কার। পাড়া-মহল্লাতেও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের তেমন ব্যস্ততা নেই। প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের দেখা মেলে না নির্বাচনী এলাকাজুড়ে। নির্বাচনী মাঠে একাই দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ও প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন টানা দুবারের এমপি শামীম ওসমান।
সম্প্রতি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে গিয়ে একাধিক মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন শামীম ওসমান। অবশ্য মন্তব্য করে আলোচনায় এগিয়ে থাকা শামীম ওসমানের কাছে নতুন কিছু না। নানান সময় চটকদার মন্তব্য করে দৃষ্টি আকর্ষণ করে থাকেন সকলের। এবার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে গিয়ে এক পথসভায় নিজের এলাকাকে গোপালগঞ্জের চাইতে বেশি শক্তিশালী বলে দাবি করেছেন। বিষয়টি প্রচারিত হতেই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জের ২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারণার সময় বক্তব্যকালে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমি হলাম ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জের বাসিন্দা। আমি মনে করি এই দুটি এলাকা গোপালগঞ্জের চেয়েও শক্তিশালী।’
নিজের এলাকাকে বঙ্গবন্ধুর এলাকার সঙ্গে তুলনা করায় বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা। একে অতিকথন বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।
আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য আনিসুর রহমান দিপু বলেন, ‘গোপালগঞ্জ হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত জেলা। এই জেলায় আওয়ামী লীগ কোনো দিন ভোটে পরাজিত হয়নি। আর নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে তো শামীম ওসমান নিজেই ফেল করেছে। এটার সঙ্গে গোপালগঞ্জের তুলনা দেওয়া দুঃখজনক। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের কাছে গোপালগঞ্জ আবেগের স্থান। সেটা আওয়ামী লীগের দুর্গ। নিজের বাহাদুরি প্রকাশ করতে গিয়ে অসত্য উপস্থাপন অনুচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘শামীম ওসমান সাহেব নিজ এলাকায় কাজ করেছেন সত্য। ফতুল্লায় নাকি ১২-১৫ হাজার কোটি টাকার কাজ করেছেন। অথচ ফতুল্লাবাসী জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায়নি। মানুষ তাঁর কথার সঙ্গে বাস্তবতার মিল না পেলে আওয়ামী লীগকে দোষারোপ করবে। এই ধরনের অতিকথন দলের জন্য ক্ষতিকর।’
মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ইদানীং অনেকে বক্তব্য দিতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলে। কী বলবে বুঝতে পারে না। গোপালগঞ্জ হচ্ছে আওয়ামী লীগের দুর্গ। কেউ যদি নিজেকে গোপালগঞ্জের চাইতে শক্তিশালী বলেন—তাহলে তিনি নিজেকে জাহির করতে চান। এই ধরনের বক্তব্য নেতাদের মুখ থেকে আশা করা যায় না। কথা বলার সময় নিজের ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত।’
একই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম আরাফাত বলেন, ‘গোপালগঞ্জের সঙ্গে কারও তুলনা হয় না। এটা কেন বলেছেন তা আমার বোধগম্য নয়।’
নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাকালে শামীম ওসমানের আরও কিছু মন্তব্য আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘ফতুল্লা অঞ্চলে ১২-১৫ হাজার কোটি টাকার কাজ হয়েছে’ এবং ‘আমার বিয়েতেও এত আনন্দ করি নাই, যত আনন্দ এই নির্বাচনে করছি।’

নির্বাচনের মাঠে শামীম ওসমানের জয়ের পথ দৃশ্যত পরিষ্কার। পাড়া-মহল্লাতেও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের তেমন ব্যস্ততা নেই। প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের দেখা মেলে না নির্বাচনী এলাকাজুড়ে। নির্বাচনী মাঠে একাই দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ও প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন টানা দুবারের এমপি শামীম ওসমান।
সম্প্রতি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে গিয়ে একাধিক মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন শামীম ওসমান। অবশ্য মন্তব্য করে আলোচনায় এগিয়ে থাকা শামীম ওসমানের কাছে নতুন কিছু না। নানান সময় চটকদার মন্তব্য করে দৃষ্টি আকর্ষণ করে থাকেন সকলের। এবার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে গিয়ে এক পথসভায় নিজের এলাকাকে গোপালগঞ্জের চাইতে বেশি শক্তিশালী বলে দাবি করেছেন। বিষয়টি প্রচারিত হতেই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জের ২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারণার সময় বক্তব্যকালে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমি হলাম ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জের বাসিন্দা। আমি মনে করি এই দুটি এলাকা গোপালগঞ্জের চেয়েও শক্তিশালী।’
নিজের এলাকাকে বঙ্গবন্ধুর এলাকার সঙ্গে তুলনা করায় বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা। একে অতিকথন বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।
আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য আনিসুর রহমান দিপু বলেন, ‘গোপালগঞ্জ হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত জেলা। এই জেলায় আওয়ামী লীগ কোনো দিন ভোটে পরাজিত হয়নি। আর নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে তো শামীম ওসমান নিজেই ফেল করেছে। এটার সঙ্গে গোপালগঞ্জের তুলনা দেওয়া দুঃখজনক। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের কাছে গোপালগঞ্জ আবেগের স্থান। সেটা আওয়ামী লীগের দুর্গ। নিজের বাহাদুরি প্রকাশ করতে গিয়ে অসত্য উপস্থাপন অনুচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘শামীম ওসমান সাহেব নিজ এলাকায় কাজ করেছেন সত্য। ফতুল্লায় নাকি ১২-১৫ হাজার কোটি টাকার কাজ করেছেন। অথচ ফতুল্লাবাসী জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায়নি। মানুষ তাঁর কথার সঙ্গে বাস্তবতার মিল না পেলে আওয়ামী লীগকে দোষারোপ করবে। এই ধরনের অতিকথন দলের জন্য ক্ষতিকর।’
মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ইদানীং অনেকে বক্তব্য দিতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলে। কী বলবে বুঝতে পারে না। গোপালগঞ্জ হচ্ছে আওয়ামী লীগের দুর্গ। কেউ যদি নিজেকে গোপালগঞ্জের চাইতে শক্তিশালী বলেন—তাহলে তিনি নিজেকে জাহির করতে চান। এই ধরনের বক্তব্য নেতাদের মুখ থেকে আশা করা যায় না। কথা বলার সময় নিজের ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত।’
একই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম আরাফাত বলেন, ‘গোপালগঞ্জের সঙ্গে কারও তুলনা হয় না। এটা কেন বলেছেন তা আমার বোধগম্য নয়।’
নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাকালে শামীম ওসমানের আরও কিছু মন্তব্য আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘ফতুল্লা অঞ্চলে ১২-১৫ হাজার কোটি টাকার কাজ হয়েছে’ এবং ‘আমার বিয়েতেও এত আনন্দ করি নাই, যত আনন্দ এই নির্বাচনে করছি।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্লিপ্ততা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে বাধা সৃষ্টি করছে। এটা অনুচিত বলে আমরা মনে করি। আমরা আশা করি, তারা তাদের আচরণে পরিবর্তন আনবে।’
২১ মিনিট আগে
জামায়াতের সঙ্গে জোট যে অপরিবর্তনীয় নয়, সেই ইঙ্গিত দিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘২০ তারিখ (২০ জানুয়ারি) হলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন হলো ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। তাই না? ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের আগপর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
২ ঘণ্টা আগে
একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৪ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৪ ঘণ্টা আগে