নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। প্রতিষ্ঠানটির নির্লিপ্ততা নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ করেছে দলটি। একই সঙ্গে বাহরাইনে একটি বাসায় এবং ওমানে একটি গ্যারেজে ব্যালট পেপার পাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে আজ বুধবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্লিপ্ততা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে বাধা সৃষ্টি করছে। এটা অনুচিত বলে আমরা মনে করি। আমরা আশা করি, তারা তাদের আচরণে পরিবর্তন আনবে।’
একটি দলের বিরুদ্ধে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগ এনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘দলটি শুধু ঢাকা মহানগরী নয়, অন্যান্য মহানগর এবং বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় বিশেষ করে দরিদ্র এবং কম শিক্ষিত ভোটার যারা, তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ফোন নম্বর এবং বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে। আমরা আশঙ্কা করছি, তারা ভুয়া এনআইডি বানিয়ে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিকাশ নম্বর নেওয়ার মাধ্যমে তারা অর্থ দিয়ে ভোটারদের প্রলুব্ধ করতে পারে। এটা শুধু অনৈতিক না; বেআইনী এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধকতা।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় এ বিষয়গুলো প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই। গতকাল নির্বাচন কমিশনে গিয়েও আমরা এ বিষয়ে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। এরপর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এখনো আমরা জানি না।’
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বাহরাইনের পর একই ঘটনা আজকে ওমানেও আমরা দেখলাম। সেখানে একটা গ্যারেজে ব্যালট পেপার নিয়ে এক ব্যক্তি কাজ করছেন। যিনি করছেন, তাঁর নাম হুমায়ুন কবীর এবং সেখানে যারা বসবাস করেন, তাঁদের জানিয়েছেন, তিনি জামায়াতের একজন কর্মী। এসব ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দুই জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ধরা পড়েছে। অন্যান্য দেশে একই কৌশলে ব্যালট পেপার নিয়ে এ ধরনের ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে বা হতে পারে। আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি, এটা বেআইনী কাজ এবং এর বিরুদ্ধে যদি দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে অন্যরা সাবধান হবে। তারা (ইসি) বলেছেন, তারা উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু আমরা জানি না, কতটুকু উদ্যোগ নেবেন এবং কী করবেন তারা। যদি এরকম ঘটনার খবর আরো আসতেই থাকে, তাহলে পোস্টাল ব্যালটের ব্যাপারটিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে।’
নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, ‘এই যে এনআইডি কার্ড নিয়ে, বিকাশ নম্বর নিয়ে, পোস্টাল ব্যালট নিয়ে যে ঘটনাগুলো ঘটছে, এসবই অনৈতিকভাবে, বেআইনীভাবে নিজেদের পক্ষে অধিক ভোট সংগ্রহের অপচেষ্টা বলে আমরা মনে করি। আমরা শুধু এর নিন্দা জানাই না, প্রতিবাদ জানাই না; এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করি। আমরা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আমরা চাই, জনগণ এই নির্বাচনে আস্থা রাখুক। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হবে, সেই সরকারও কোনোরকম কারসাজি করে ক্ষমতায় এসেছে-এমন কোনো অভিযোগ যেন না ওঠে।’
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ এনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘নির্বাচনে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) থাকুক। নির্বাচন কমিশন বিএনপির বেশ কিছু প্রার্থীকে শোকজ করেছে। আমাদের এক প্রার্থীর মেয়ে তাঁর ফেসবুক পেজে একটা পোস্ট করেছে, যেটা নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন। এ কারণে আমাদের প্রার্থী এবং তাঁর মেয়ে দুজনকেই কারণ দর্শানো হয়েছে, যা ঠিক আছে। কিন্তু অন্য দলের নেতারা নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের চোখের সামনে। তাঁদের বিরুদ্ধে তো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এমনকি আমাদের দলের চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত সফরে উত্তরাঞ্চলে যেতে চেয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে তা স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আমরা যেখানে এত উদ্যমী, সেখানে তো আমরা এ আশা করতেই পারি, সবাই আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার জন্য কাজ করবেন। দুর্ভাগ্য আমাদের, সেটা হচ্ছে না।’
এসময় পোস্টাল ব্যালটে প্রতীক সজ্জা নিয়েও কথা বলেন বিএনপির এই নেতা।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এবার আসনভিত্তিক হিসাবে দেশ-বিদেশ মিলিয়ে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ১০ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এমন আসন আছে ১৮টি। এই ভোট নিয়ামক হতে পারে। যেকোনো প্রার্থী বিজয়ী হতে পারে। তাই এই ভোট যাতে কোনও কায়দা-কৌশলে বিশেষ কারো পক্ষে না যায়, এটা দেখার দায়িত্ব ছিল নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি, নির্বাচন কমিশন থেকে প্রবাসী ভোটারদের জন্য যে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে, সেখানে ৫টা কলাম ও ১৪টা লাইন করা হয়েছে। প্রথম লাইনে দাঁড়িপাল্লা, শাপলাকলি আর হাতপাখা আছে। কিন্তু বিএনপির প্রতীক শেষ লাইনের মাঝামাঝি জায়গায়। ব্যালট ভাঁজ করলে এটা পড়ে যাবে ঠিক মাঝখানে। কেউ যদি ভাঁজ করা অবস্থায় ব্যালটটা দেখে, তাহলে পুরো প্রতীক দেখাই যাবে না।’
পোস্টাল ব্যালটের এই সজ্জাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান বিএনপির এই নেতা।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা মনে করি, এটা এমনি এমনি হয় নাই। এটা দৈব ঘটনা নয়। এটা ইচ্ছাকৃত। বিষয়টা স্পষ্টতই উদ্দেশ্যমূলক। আমরা মনে করি, এটা দ্রুত সংশোধন হওয়া প্রয়োজন। পোস্টাল ব্যালটে ৫টা কলাম আর ১৪টা লাইন করে তিনটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে প্রথম লাইনে দেওয়ার উদ্দেশ্য কী? যারাই এর পেছনে থাকুক, যারাই এর জন্য দায়ী থাকুক, আমরা ইসিকে বলেছি, তাদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিতে। আমরা বলেছি, এটা আপনাদের সংশোধন করা উচিত। দরকার হলে পুনরায় ব্যালট ছেপে বিলি করেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। প্রতিষ্ঠানটির নির্লিপ্ততা নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ করেছে দলটি। একই সঙ্গে বাহরাইনে একটি বাসায় এবং ওমানে একটি গ্যারেজে ব্যালট পেপার পাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে আজ বুধবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্লিপ্ততা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে বাধা সৃষ্টি করছে। এটা অনুচিত বলে আমরা মনে করি। আমরা আশা করি, তারা তাদের আচরণে পরিবর্তন আনবে।’
একটি দলের বিরুদ্ধে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগ এনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘দলটি শুধু ঢাকা মহানগরী নয়, অন্যান্য মহানগর এবং বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় বিশেষ করে দরিদ্র এবং কম শিক্ষিত ভোটার যারা, তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ফোন নম্বর এবং বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে। আমরা আশঙ্কা করছি, তারা ভুয়া এনআইডি বানিয়ে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিকাশ নম্বর নেওয়ার মাধ্যমে তারা অর্থ দিয়ে ভোটারদের প্রলুব্ধ করতে পারে। এটা শুধু অনৈতিক না; বেআইনী এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধকতা।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় এ বিষয়গুলো প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই। গতকাল নির্বাচন কমিশনে গিয়েও আমরা এ বিষয়ে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। এরপর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এখনো আমরা জানি না।’
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বাহরাইনের পর একই ঘটনা আজকে ওমানেও আমরা দেখলাম। সেখানে একটা গ্যারেজে ব্যালট পেপার নিয়ে এক ব্যক্তি কাজ করছেন। যিনি করছেন, তাঁর নাম হুমায়ুন কবীর এবং সেখানে যারা বসবাস করেন, তাঁদের জানিয়েছেন, তিনি জামায়াতের একজন কর্মী। এসব ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দুই জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ধরা পড়েছে। অন্যান্য দেশে একই কৌশলে ব্যালট পেপার নিয়ে এ ধরনের ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে বা হতে পারে। আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি, এটা বেআইনী কাজ এবং এর বিরুদ্ধে যদি দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে অন্যরা সাবধান হবে। তারা (ইসি) বলেছেন, তারা উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু আমরা জানি না, কতটুকু উদ্যোগ নেবেন এবং কী করবেন তারা। যদি এরকম ঘটনার খবর আরো আসতেই থাকে, তাহলে পোস্টাল ব্যালটের ব্যাপারটিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে।’
নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, ‘এই যে এনআইডি কার্ড নিয়ে, বিকাশ নম্বর নিয়ে, পোস্টাল ব্যালট নিয়ে যে ঘটনাগুলো ঘটছে, এসবই অনৈতিকভাবে, বেআইনীভাবে নিজেদের পক্ষে অধিক ভোট সংগ্রহের অপচেষ্টা বলে আমরা মনে করি। আমরা শুধু এর নিন্দা জানাই না, প্রতিবাদ জানাই না; এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করি। আমরা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আমরা চাই, জনগণ এই নির্বাচনে আস্থা রাখুক। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হবে, সেই সরকারও কোনোরকম কারসাজি করে ক্ষমতায় এসেছে-এমন কোনো অভিযোগ যেন না ওঠে।’
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ এনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘নির্বাচনে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) থাকুক। নির্বাচন কমিশন বিএনপির বেশ কিছু প্রার্থীকে শোকজ করেছে। আমাদের এক প্রার্থীর মেয়ে তাঁর ফেসবুক পেজে একটা পোস্ট করেছে, যেটা নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন। এ কারণে আমাদের প্রার্থী এবং তাঁর মেয়ে দুজনকেই কারণ দর্শানো হয়েছে, যা ঠিক আছে। কিন্তু অন্য দলের নেতারা নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের চোখের সামনে। তাঁদের বিরুদ্ধে তো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এমনকি আমাদের দলের চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত সফরে উত্তরাঞ্চলে যেতে চেয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে তা স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আমরা যেখানে এত উদ্যমী, সেখানে তো আমরা এ আশা করতেই পারি, সবাই আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার জন্য কাজ করবেন। দুর্ভাগ্য আমাদের, সেটা হচ্ছে না।’
এসময় পোস্টাল ব্যালটে প্রতীক সজ্জা নিয়েও কথা বলেন বিএনপির এই নেতা।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এবার আসনভিত্তিক হিসাবে দেশ-বিদেশ মিলিয়ে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ১০ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এমন আসন আছে ১৮টি। এই ভোট নিয়ামক হতে পারে। যেকোনো প্রার্থী বিজয়ী হতে পারে। তাই এই ভোট যাতে কোনও কায়দা-কৌশলে বিশেষ কারো পক্ষে না যায়, এটা দেখার দায়িত্ব ছিল নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি, নির্বাচন কমিশন থেকে প্রবাসী ভোটারদের জন্য যে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে, সেখানে ৫টা কলাম ও ১৪টা লাইন করা হয়েছে। প্রথম লাইনে দাঁড়িপাল্লা, শাপলাকলি আর হাতপাখা আছে। কিন্তু বিএনপির প্রতীক শেষ লাইনের মাঝামাঝি জায়গায়। ব্যালট ভাঁজ করলে এটা পড়ে যাবে ঠিক মাঝখানে। কেউ যদি ভাঁজ করা অবস্থায় ব্যালটটা দেখে, তাহলে পুরো প্রতীক দেখাই যাবে না।’
পোস্টাল ব্যালটের এই সজ্জাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান বিএনপির এই নেতা।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা মনে করি, এটা এমনি এমনি হয় নাই। এটা দৈব ঘটনা নয়। এটা ইচ্ছাকৃত। বিষয়টা স্পষ্টতই উদ্দেশ্যমূলক। আমরা মনে করি, এটা দ্রুত সংশোধন হওয়া প্রয়োজন। পোস্টাল ব্যালটে ৫টা কলাম আর ১৪টা লাইন করে তিনটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে প্রথম লাইনে দেওয়ার উদ্দেশ্য কী? যারাই এর পেছনে থাকুক, যারাই এর জন্য দায়ী থাকুক, আমরা ইসিকে বলেছি, তাদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিতে। আমরা বলেছি, এটা আপনাদের সংশোধন করা উচিত। দরকার হলে পুনরায় ব্যালট ছেপে বিলি করেন।’

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
২ ঘণ্টা আগে