
জাতীয় পার্টির (জাপা) নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, ‘দল করার ব্যাপারে আমাদের আপত্তি নেই। তবে একসঙ্গে দুটি দল কেউ করতে পারবেন না, গঠনতন্ত্রে এটা স্পষ্ট লেখা আছে।’
আজ বুধবার দুপুরে কাকরাইলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাপার প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে সকালে জি এম কাদেরকে অবৈধ দাবি করে নতুন কমিটি প্রস্তাব করেন এরশাদপুত্র এরিক এরশাদ। এ কমিটিতে এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদকে চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে কো–চেয়ারম্যান করার প্রস্তাব করেন এরিক।
এ প্রসঙ্গে জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, ‘এটা আমরা জানি না। এটা আমরা গ্রহণ করি নাই।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাজনৈতিক দল করার অধিকার যেকোনো মানুষেরই আছে। তবে একসঙ্গে দুটি দল করতে পারবেন না। কেউ দল করতে চাইলে করতে পারেন। তবে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন দরকার হয়। সেটা না হলে নির্বাচন করতে পারবেন না।’
এ সময় সরকারের লকডাউন বাস্তবায়ন কৌশলেরও সমালোচনা করেন জি এম কাদের। তিনি বলেন, ‘এই লকডাউন কখনো কার্যকর হবে না। অসহায় দরিদ্র মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করে লকডাউন দিতে হবে। গ্রামের মানুষ খাবার না পেলে কাজে বের হবে। তাই লকডাউন দেওয়ার আগে গরিব–দুঃখী–অসহায় মানুষের জন্য রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন জি এম কাদের।
অনুষ্ঠানে জাপার সিনিয়র কো–চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘অনেকে বলেছেন, এরশাদ না থাকলে জাতীয় পার্টি থাকবে না। আজকে আমরা সেটা ভুল প্রমাণ করেছি। জাতীয় পার্টি একটি আদর্শ। জাপা সংসদে যেভাবে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেছে, আমার মনে হয় না এমনটা আর কেউ করতে পেরেছে।’
জাপার মহাসচিব জিয়া উদ্দীন আহমেদ বাবলু বলেন, জাতীয় পার্টি যেকোনো অবস্থায় মানুষের পাশে থাকবে। করোনার দুঃসময়ে মানুষকে বাঁচাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন প্রেসিডিয়াম সদস্য আবু হোসেন বাবলা ও মুজিবুল হক চুন্নু।

দেশের আর্থিক অবস্থা নাজুক বলে দাবি করেছে বিরোধী দল। তাদের আশঙ্কা, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হলে সবার ওপর প্রভাব পড়বে। শনিবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন অভিমত দিয়েছেন কমিটির সদস্য জামায়াতে ইসলামীর সাইফুল আলম খান মিলন। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে...
৪ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল প্রথমে বলেছিল জ্বালানিসংকটের কারণে লংমার্চ করবে, অথচ এই কর্মসূচিতেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পোড়ানো হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে তারা দাবি তুলল গণরায় বাস্তবায়নের। একদিকে তারা সংবিধান সংশোধনী কমিটির আহ্বানে সাড়া না দিয়ে সেখানে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকছে, অন্যদিকে লংমার্চে...
৭ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ বছর লড়াই করতে করতে জনগণের রায় নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ৬ মাস পার হচ্ছে। এখনই আন্দোলন শুরু করেছেন, এটা ঠিক না। ১১ দলীয় জোটের লংমার্চে জনগণের সাড়া নেই। এই লংমার্চে চিহ্নিত কিছু ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেছে। দেশের মানুষ আপনাদের লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণ করেনি
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার একটু সাবধান হওয়া উচিত। কারণ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কিন্তু স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। অবশ্যই দেশনেত্রীর মৃত্যু স্বাভাবিক, বেগম খালেদা জিয়াকে কেউ হত্যা না করলেও যেভাবে মারা গেছেন, সেটি আমাদের কারও কাম্য ছিল না।’
৮ ঘণ্টা আগে