নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির রাজনীতি বিদ্যুৎবিহীন খাম্বার মতো আশাহীন ও অন্তঃসারশূন্য। আজ সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন তিনি।
বিদ্যুৎতের জাতীয় গ্রিডে ট্রিপ করা একটি টেকনিক্যাল বিষয়, যেকোনো সময় এমন ঘটতে পারে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও গ্রিড ট্রিপ করে। কিন্তু দেখার বিষয় হচ্ছে, কত সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায়।
কাদের বলেন, গ্রিড বিপর্যয়ের পর গত মঙ্গলবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয় সরকার।
২০০৩ সালে বিএনপির শাসনামলে ন্যাশনাল গ্রিডে বিপর্যয় ঘটলে তা পুনরুদ্ধারে কত দিন সময় লেগেছিল? আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবের কাছে এর জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দিনের পর দিন বিএনপির শাসনামলে বিদ্যুৎ ছিল না, সে ইতিহাস কি বিএনপির মনে আছে?
বিদ্যুৎ খাতে বিএনপি জাতিকে দীর্ঘমেয়াদি অমানিশার আঁধার উপহার দিয়েছিল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি দুর্নীতির অভিযোগ করে, সরকারের অন্ধ সমালোচনা করে অথচ বিদ্যুৎ খাতে বিভিন্ন প্রকল্পে দাতা সংস্থার অর্থায়নে থাকায় সরকারের পাশাপাশি দাতা সংস্থাও এই বিনিয়োগ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখেন। এতে অনিয়ম-দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।’
যাঁরা অন্তরে যা ভাবেন, তা মুখে প্রকাশ পায় বলেই বিএনপির মুখে সব সময় অনিয়ম, দুর্নীতির কথা শোভা পায় বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
কাদের বলেন, বিএনপির কাজ হলো বাঁকা পথে চলা, অসত্য তথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানো।
সরকার নয়, বিএনপিই দেশের জন্য বড় ধরনের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘একটি দায়িত্বহীন এবং ব্যর্থ বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি জাতির ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে আছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নয়, প্রকৃতপক্ষে বিএনপির হাতে দেশ নিরাপদ নয়, তারাই দেশকে এবং দেশের সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।’
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ বছর শারদীয় দুর্গোৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের নিবিড় তদারকির কারণে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কোনো অঘটন ঘটাতে পারেনি। এ কারণেই বিএনপির মনের জ্বালা আরও বেড়ে গেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির রাজনীতি বিদ্যুৎবিহীন খাম্বার মতো আশাহীন ও অন্তঃসারশূন্য। আজ সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন তিনি।
বিদ্যুৎতের জাতীয় গ্রিডে ট্রিপ করা একটি টেকনিক্যাল বিষয়, যেকোনো সময় এমন ঘটতে পারে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও গ্রিড ট্রিপ করে। কিন্তু দেখার বিষয় হচ্ছে, কত সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায়।
কাদের বলেন, গ্রিড বিপর্যয়ের পর গত মঙ্গলবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয় সরকার।
২০০৩ সালে বিএনপির শাসনামলে ন্যাশনাল গ্রিডে বিপর্যয় ঘটলে তা পুনরুদ্ধারে কত দিন সময় লেগেছিল? আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবের কাছে এর জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দিনের পর দিন বিএনপির শাসনামলে বিদ্যুৎ ছিল না, সে ইতিহাস কি বিএনপির মনে আছে?
বিদ্যুৎ খাতে বিএনপি জাতিকে দীর্ঘমেয়াদি অমানিশার আঁধার উপহার দিয়েছিল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি দুর্নীতির অভিযোগ করে, সরকারের অন্ধ সমালোচনা করে অথচ বিদ্যুৎ খাতে বিভিন্ন প্রকল্পে দাতা সংস্থার অর্থায়নে থাকায় সরকারের পাশাপাশি দাতা সংস্থাও এই বিনিয়োগ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখেন। এতে অনিয়ম-দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।’
যাঁরা অন্তরে যা ভাবেন, তা মুখে প্রকাশ পায় বলেই বিএনপির মুখে সব সময় অনিয়ম, দুর্নীতির কথা শোভা পায় বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
কাদের বলেন, বিএনপির কাজ হলো বাঁকা পথে চলা, অসত্য তথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানো।
সরকার নয়, বিএনপিই দেশের জন্য বড় ধরনের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘একটি দায়িত্বহীন এবং ব্যর্থ বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি জাতির ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে আছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নয়, প্রকৃতপক্ষে বিএনপির হাতে দেশ নিরাপদ নয়, তারাই দেশকে এবং দেশের সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।’
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ বছর শারদীয় দুর্গোৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের নিবিড় তদারকির কারণে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কোনো অঘটন ঘটাতে পারেনি। এ কারণেই বিএনপির মনের জ্বালা আরও বেড়ে গেছে।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৪ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৪ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৬ ঘণ্টা আগে