নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ছাত্রলীগের সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে সমাবেশস্থলে পৌঁছে মঞ্চে ওঠেন শেখ হাসিনা। এ সময় মঞ্চে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকেরা উপস্থিত হন। শেখ হাসিনা মঞ্চে আসন গ্রহণের পর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সমাবেশ শুরু হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব স্মরণে এই সমাবেশের আয়োজন করে ছাত্রলীগ। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।
এর আগে সমাবেশকে কেন্দ্র করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে সকাল থেকে উপস্থিত হন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, শাহবাগ, মল চত্বর, কার্জন হল, শহীদ মিনার ও এর আশপাশের এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌঁছান।
এদিকে ছাত্রলীগের এই সমাবেশে পাঁট লাখ শিক্ষার্থীর জমায়েতের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। সমাবেশে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করলে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেয় তারা।
সার্বিক বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘সারা দেশ থেকে নেতা-কর্মীরা আসবেন। স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ছাত্র সমাবেশ হবে। সারা দেশের ছাত্রসমাজ, তরুণ সমাজ, নতুন প্রজন্ম একটি সুরে, একটি নামে ঐক্যবদ্ধ। উন্নত, আধুনিক, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনা দিনবদলের কথা দিয়ে এ দেশে লাখো-কোটি মানুষের দিনবদল করেছেন। শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটা তিনি করেছেন।’
যারা যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারের পক্ষে সাফাই গাইছে এবং সামরিক স্বৈরশাসকের পক্ষে ভূমিকা পালন করেছে, তাদের ছাড়া সব ছাত্রসংগঠনকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে বলে জানান সাদ্দাম হোসেন।

ছাত্রলীগের সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে সমাবেশস্থলে পৌঁছে মঞ্চে ওঠেন শেখ হাসিনা। এ সময় মঞ্চে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকেরা উপস্থিত হন। শেখ হাসিনা মঞ্চে আসন গ্রহণের পর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সমাবেশ শুরু হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব স্মরণে এই সমাবেশের আয়োজন করে ছাত্রলীগ। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।
এর আগে সমাবেশকে কেন্দ্র করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে সকাল থেকে উপস্থিত হন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, শাহবাগ, মল চত্বর, কার্জন হল, শহীদ মিনার ও এর আশপাশের এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌঁছান।
এদিকে ছাত্রলীগের এই সমাবেশে পাঁট লাখ শিক্ষার্থীর জমায়েতের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। সমাবেশে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করলে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেয় তারা।
সার্বিক বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘সারা দেশ থেকে নেতা-কর্মীরা আসবেন। স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ছাত্র সমাবেশ হবে। সারা দেশের ছাত্রসমাজ, তরুণ সমাজ, নতুন প্রজন্ম একটি সুরে, একটি নামে ঐক্যবদ্ধ। উন্নত, আধুনিক, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনা দিনবদলের কথা দিয়ে এ দেশে লাখো-কোটি মানুষের দিনবদল করেছেন। শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটা তিনি করেছেন।’
যারা যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারের পক্ষে সাফাই গাইছে এবং সামরিক স্বৈরশাসকের পক্ষে ভূমিকা পালন করেছে, তাদের ছাড়া সব ছাত্রসংগঠনকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে বলে জানান সাদ্দাম হোসেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৭ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৮ ঘণ্টা আগে