সমাজতন্ত্রের পতাকা হাতে বৈষম্য ও দুর্নীতির অবসানে লড়াইয়ের পাশাপাশি জাসদ পাকিস্তানপন্থার রাজনীতি প্রতিহত করবে বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু।
আজ শনিবার ঢাকাসহ সারা দেশে সকল জেলা-উপজেলায় একযোগে মশাল মিছিল করে দলের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সুবর্ণজয়ন্তীর বছরব্যাপী কর্মসূচি শুরু করেছে দলটি। এ উপলক্ষ্যে বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাসদ ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও মশাল মিছিলের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে এ কথা জানান ইনু।
হাসানুল হক ইনু বলেন, সমাজতন্ত্রের পতাকা হাতেই বৈষম্য ও দুর্নীতির অবসানে লড়াইয়ের পাশাপাশি অস্বাভাবিক সরকার আনা, তালেবানি সরকার আনা, পাকিস্তানপন্থার রাজনীতি ধর্মান্ধতা ও সাম্প্রদায়িকতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য বিএনপি-জামাত এবং তাদের অংশীজনদের অপরাজনীতিও রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে জাসদ।
এ সময় তিনি জাসদের নেতা-কর্মীদের শোষিত, বঞ্চিত, নিরুপায়, অসহায় মানুষ, নারী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, আদিবাসী জনগণের কণ্ঠস্বর হওয়ার এবং জাতীয় রাজনীতিতে তাদের পক্ষে ভারসাম্য তৈরি করার জন্য সাহসের সঙ্গে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর আহ্বান জানান। তিনি শহীদ কাজী আরেফ আহমেদ, শহীদ কর্নেল আবু তাহের বীরউত্তম, শহীদ ডা. মিলন, শহীদ শাহজাহান সিরাজসহ দলের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং যারা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
সমাবেশে ঢাকা মহানগর জাসদের সমন্বয়ক মীর হোসাইন আখতারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, স্থায়ী কমিটির সদস্য মোশারেফ হোসেন, সহসভাপতি মোহাম্মদ ফজলুর রহমান বাবুলসহ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। আগামী ৩১ অক্টোবর দলটির ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: সুবর্ণজয়ন্তী। দলের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: সুবর্ণজয়ন্তী মহাসমারোহে উদ্যাপনের জন্য ঢাকাসহ জেলা-উপজেলায় জনসভা, আলোচনাসভা, পথসভা, সমাবেশ, মশাল মিছিল, মিছিল, পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আজ আমাদের জন্য একটা আনন্দের দিন যে, এই দিনে সেই নেত্রী (খালেদা জিয়া) জন্ম নিয়েছিলেন। যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে বারবার তিনি নেতৃত্ব-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তিনি বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করবার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন...
১ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধের পর যে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। সেই রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির মধ্যেই একটি প্রতিক্রিয়াশীল পটপরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা
২ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাই প্রমাণ করে ১৫ আগস্ট ও ৫ আগস্ট সেই একই রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশের জন্মশত্রু-চিরশত্রুদের কাজ। তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিচ্ছে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে...
২ ঘণ্টা আগে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি পালনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশ অবস্থান নেওয়ায় দলটি নির্ধারিত কর্মসূচি পালন করতে পারেনি। এদিকে, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে
২ ঘণ্টা আগে