সম্পাদকীয়

এখন অনেকেই এক লাখ টাকা আয় করার ফন্দি শিখে ফেলেছেন। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় যাঁরা হলফনামা দিয়েছেন, তাঁদের আয়ের উৎস নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। কী করে একজন মানুষ হঠাৎ করে অনেক টাকার মালিক বনে যাচ্ছেন, তা সাধারণ জনগণ সহজে বুঝতে পারছে না। ক্রাউড ফান্ডিংয়ের ব্যাপারেও শোনা যাচ্ছে নানা কথা। কেউ কেউ ৫ আগস্টের পর নিজের পরিবারের দৈন্যের কথা ফলাও করে প্রচার করে পরে আবার বলার চেষ্টা করেছেন এলাকার সবচেয়ে বড় বাড়িটিই তাঁদের। ইত্যাকার ঘটনায় সাধারণ মানুষ যখন নাটকীয়তার স্বাদ পাচ্ছে, তখন মাত্র এক লাখ টাকা ছিনতাইয়ের সংবাদ কারও দৃষ্টি আকর্ষণ করবে কেন, এ প্রশ্ন উঠতেই পারে। কিন্তু যখন একটু মন দিয়ে ঘটনাটা শোনা হবে, তখন যে কেউ বুঝতে পারবেন মানুষের অসহায়ত্বের কথা। বাতাসে উড়ে বেড়ানো কোটি কোটি টাকার ভিড়ে এই ছিনতাইয়ের গল্প যেন হারিয়ে না যায়, সে জন্যই চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পৌর সদরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে ঘটা ছিনতাইয়ের গল্পটা বলা দরকার।
১১ জানুয়ারি মনসুর আহাম্মদ নামের ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি এই ব্যাংক থেকে দেড় লাখ টাকা তোলেন। তারপর কোটের দুই পকেটে ১ লাখ ও ৫০ হাজার টাকা ভাগ করে রাখেন। ব্যাংকের মূল ফটকে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে মুখে মাস্ক পরা দুই ছিনতাইকারী তাঁর এক পকেট থেকে ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ব্যাংকের সামনে কোনো সিসি ক্যামেরা ছিল না। ফলে ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করার কাজটি কঠিন হবে। পুলিশে ঘটনাটি জানানো হয়েছে, তারা তদন্তও করে দেখছে, কিন্তু এই ১ লাখ টাকা মনসুর আহাম্মদ ফেরত পাবেন কি না, তার নিশ্চয়তা নেই।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে মিরসরাই উপজেলায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ফলে এলাকাবাসী উদ্বেগ ও আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করছেন। এই শেষ কথাটার প্রতিই জোর দিতে হবে। কেন হঠাৎ করে এই উপজেলায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে, তা নিয়ে ভাবতে হবে। ভাবতে হবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কি শুধু চট্টগ্রামের এই উপজেলায়ই হয়েছে, নাকি সারা দেশের একই চিত্র? দিনবদলের যে ডাক দেওয়া হয়েছিল, তার কী হাল এখন?
রাজনীতির মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এ সময়ের একটি পরিচিত চিত্র। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল এখনো ফিরে আসেনি। এখনো থানা ঘেরাও, ওসির সঙ্গে চোখরাঙানি অব্যাহত আছে। যারা এ ধরনের কাজ করছে, তাদের আইনের আওতায় না এনে বরং পুলিশ বাহিনীকেই দায়ী করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে পুলিশ বাহিনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য উদ্যোগী হবে—এ রকম ভাবা কঠিন। অপরাধীকে বিচারের সম্মুখীন করা না হলে অপরাধ কমবে কী করে?
এ রকম অবস্থা চলতে থাকলে মনসুর আহাম্মদেরা কখনোই সুবিচার পাবেন না। আইনের শাসন প্রবর্তন করা এখন সবচেয়ে জরুরি কাজের একটি হয়ে উঠেছে, সে কথা বুঝতে হবে।

এখন অনেকেই এক লাখ টাকা আয় করার ফন্দি শিখে ফেলেছেন। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় যাঁরা হলফনামা দিয়েছেন, তাঁদের আয়ের উৎস নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। কী করে একজন মানুষ হঠাৎ করে অনেক টাকার মালিক বনে যাচ্ছেন, তা সাধারণ জনগণ সহজে বুঝতে পারছে না। ক্রাউড ফান্ডিংয়ের ব্যাপারেও শোনা যাচ্ছে নানা কথা। কেউ কেউ ৫ আগস্টের পর নিজের পরিবারের দৈন্যের কথা ফলাও করে প্রচার করে পরে আবার বলার চেষ্টা করেছেন এলাকার সবচেয়ে বড় বাড়িটিই তাঁদের। ইত্যাকার ঘটনায় সাধারণ মানুষ যখন নাটকীয়তার স্বাদ পাচ্ছে, তখন মাত্র এক লাখ টাকা ছিনতাইয়ের সংবাদ কারও দৃষ্টি আকর্ষণ করবে কেন, এ প্রশ্ন উঠতেই পারে। কিন্তু যখন একটু মন দিয়ে ঘটনাটা শোনা হবে, তখন যে কেউ বুঝতে পারবেন মানুষের অসহায়ত্বের কথা। বাতাসে উড়ে বেড়ানো কোটি কোটি টাকার ভিড়ে এই ছিনতাইয়ের গল্প যেন হারিয়ে না যায়, সে জন্যই চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পৌর সদরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে ঘটা ছিনতাইয়ের গল্পটা বলা দরকার।
১১ জানুয়ারি মনসুর আহাম্মদ নামের ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি এই ব্যাংক থেকে দেড় লাখ টাকা তোলেন। তারপর কোটের দুই পকেটে ১ লাখ ও ৫০ হাজার টাকা ভাগ করে রাখেন। ব্যাংকের মূল ফটকে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে মুখে মাস্ক পরা দুই ছিনতাইকারী তাঁর এক পকেট থেকে ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ব্যাংকের সামনে কোনো সিসি ক্যামেরা ছিল না। ফলে ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করার কাজটি কঠিন হবে। পুলিশে ঘটনাটি জানানো হয়েছে, তারা তদন্তও করে দেখছে, কিন্তু এই ১ লাখ টাকা মনসুর আহাম্মদ ফেরত পাবেন কি না, তার নিশ্চয়তা নেই।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে মিরসরাই উপজেলায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ফলে এলাকাবাসী উদ্বেগ ও আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করছেন। এই শেষ কথাটার প্রতিই জোর দিতে হবে। কেন হঠাৎ করে এই উপজেলায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে, তা নিয়ে ভাবতে হবে। ভাবতে হবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কি শুধু চট্টগ্রামের এই উপজেলায়ই হয়েছে, নাকি সারা দেশের একই চিত্র? দিনবদলের যে ডাক দেওয়া হয়েছিল, তার কী হাল এখন?
রাজনীতির মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এ সময়ের একটি পরিচিত চিত্র। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল এখনো ফিরে আসেনি। এখনো থানা ঘেরাও, ওসির সঙ্গে চোখরাঙানি অব্যাহত আছে। যারা এ ধরনের কাজ করছে, তাদের আইনের আওতায় না এনে বরং পুলিশ বাহিনীকেই দায়ী করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে পুলিশ বাহিনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য উদ্যোগী হবে—এ রকম ভাবা কঠিন। অপরাধীকে বিচারের সম্মুখীন করা না হলে অপরাধ কমবে কী করে?
এ রকম অবস্থা চলতে থাকলে মনসুর আহাম্মদেরা কখনোই সুবিচার পাবেন না। আইনের শাসন প্রবর্তন করা এখন সবচেয়ে জরুরি কাজের একটি হয়ে উঠেছে, সে কথা বুঝতে হবে।

আমাদের ছোটবেলার জগৎটি ছিল বিশ্বাসের আর আস্থার। বিশ্বাস ছিল মা-বাবা, ভাই-বোন আর আত্মীয়স্বজনের ওপর—তা সেই আত্মীয়তা যত দূরেরই হোক না কেন। বিশ্বাস ছিল পাড়াপড়শির ওপরে, মহল্লার বয়োজ্যেষ্ঠ, বয়োকনিষ্ঠদের ওপরে। বিশ্বাস ছিল শিক্ষকদের ওপরে, সংবাদপত্রের ওপরে, চেনা মানুষদের ওপরে। আজ বললে হয়তো বিশ্বাস হবে না যে
১০ ঘণ্টা আগে
বর্তমান পৃথিবী এক গভীর অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষ, অন্যদিকে মানুষে-মানুষে ক্রমবর্ধমান দূরত্ব, যুদ্ধবিগ্রহ এবং প্রকৃতির ওপর আধিপত্য বিস্তারের এক আত্মঘাতী প্রতিযোগিতা। আমরা যখন শ্রেষ্ঠত্বের অহংকারে মত্ত হয়ে নিজেদের অস্তিত্বকে সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছি, তখন সমুদ্রের অতল
১০ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) নামের একটি সংগঠন ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুমোদনের সিদ্ধান্তকে সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, এই অধ্যাদেশের ইতিবাচক দিক রয়েছে কয়েকটি।
১০ ঘণ্টা আগে
এমনিতে আমরা তুলনামূলকভাবে গরিব ও নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর পক্ষে দাঁড়াতে অভ্যস্ত। মুসলিম সভ্যতার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ইরানের প্রতিও আমাদের অবস্থান বরাবরই সহানুভূতিশীল। ইরানের অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থা যতই স্বৈরাচারী ও নিপীড়নমূলক হোক না কেন, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে...
১ দিন আগে