সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় আইন ও নীতি প্রণয়ন এবং বিদেশের সঙ্গে আর্থিক ও বাণিজ্যিক লেনদেন বিষয়ে চুক্তি সম্পাদনের মতো বিষয়গুলো জাতীয় সংসদে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হওয়ার কথা থাকলেও সেসব বিষয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গৃহীত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী। এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে, বিষয়গুলোতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ না করে বরং এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বসে থাকছেন।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ইতিমধ্যে চার মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনও প্রায় সমাপ্তির পথে। কিন্তু এরপরও খানিকটা হতাশা নিয়েই লক্ষ করতে হচ্ছে যে মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত ৫০টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অধিকাংশই এখন পর্যন্ত গঠিত হয়নি। তন্মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশনে এতৎসংক্রান্ত একটি কমিটিও গঠিত হয়নি। আর দ্বিতীয় অধিবেশনে এসে এ পর্যন্ত মাত্র ৮টি কমিটি গঠিত হয়েছে, অর্থাৎ এ-সংক্রান্ত আরও ৪২টি কমিটির গঠন এখনো বাকি। অথচ সংসদীয় সরকারব্যবস্থার স্বীকৃত কাঠামো ও কার্যপদ্ধতির বিবেচনায় এ কমিটিগুলোই হচ্ছে সংসদের প্রাণ ও মূল চালিকাশক্তি। সে ক্ষেত্রে এতগুলো কমিটি এখনো গঠিত না হওয়া মানে সংসদকে অকার্যকর করে রাখা; এবং সত্যি কথা বলতে কি, মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিবিহীন সংসদের পক্ষে কখনোই জনগণের জন্য গুণগত মানসম্পন্ন ফলাফল নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। কারণ, এ কমিটিগুলো সংসদকে যে মানের মতামত, সুপারিশ ও পরামর্শ দেবে, সংসদও জনগণের জন্য বস্তুত সে মানের ফলাফলই দিতে সক্ষম হবে।
মোটকথা, সংসদীয় কার্যক্রম থেকে জনগণের জন্য ভালো কোনো ফলাফল নিশ্চিত করতে হলে সর্বাগ্রে মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোর কার্যক্রমকে গুণগত মানসম্পন্ন করে তুলতে হবে। আর সে কারণেই যত দ্রুত সম্ভব ওই কমিটিগুলোর গঠন সম্পন্ন হওয়া জরুরি। এবং ওয়াকিবহাল ব্যক্তিমাত্রই স্বীকার করবেন যে বিগত চার মাসেও তা না হওয়াটা সংসদীয় সরকারব্যবস্থার রীতি-পদ্ধতি ও প্রত্যাশার সঙ্গে চরমভাবে অসংগতিপূর্ণ। এবং সেটি না হওয়ায় সংসদীয় কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে কী কী ত্রুটি-বিচ্যুতি ও অসম্পূর্ণতা তৈরি হয়েছে এবং সেসব বিচ্যুতি ও অসম্পূর্ণতা সংসদের দায়িত্ব ও ভূমিকাকে কীভাবে অকার্যকর করে রেখেছে, তা বোঝার জন্য বিষয়টি নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা হওয়া উচিত বলে মনে করি। যেমন—
এক. মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটিগুলোর একটি বড় কাজ হচ্ছে সংসদ অধিবেশনে উপস্থাপিত বিল, প্রস্তাব বা অন্য বিষয়াদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই করে সেসবের ওপর মতামত প্রদান করা, যেসব মতামতের ভিত্তিতে সেগুলো পুনরায় সংসদের সম্মতির জন্য উপস্থাপন। সেদিক থেকে অর্থাৎ কার্যপরিধির বিবেচনায় সংসদের একেবারে প্রথম অধিবেশনেই এ কমিটিগুলো গঠিত হওয়া জরুরি ছিল। তদুপরি বর্তমান জাতীয় সংসদ যেহেতু সরকার পরিবর্তনের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা অনুযায়ী গঠিত না হয়ে বরং একটি অনির্বাচিত সরকারকে প্রতিস্থাপনের জন্য হয়েছে, সেহেতু অনির্বাচিত সরকারের আমলে জারিকৃত বহুসংখ্যক অধ্যাদেশের (১৩৩টি) মীমাংসাও এ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই করতে হয়েছে, যে কাজটি হয়েছে একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে খুবই দায়সারাভাবে। অথচ এ অধ্যাদেশগুলোর যাচাই-বাছাই হওয়া উচিত ছিল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে। কিন্তু সে কমিটিগুলো প্রথম অধিবেশন চলাকালে গঠিত না হওয়ায় কাজটি বিশেষ কমিটির মাধ্যমেই সারতে হয়েছে। ফলে ওই বিশেষ কমিটিকে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ১৩৩টি অধ্যাদেশ পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ সম্পন্ন করতে হওয়ায় বাস্তবে তাদের পক্ষে প্রায় কিছুই করা সম্ভব হয়নি। কার্যক্ষেত্রে তারা যেটি করেছে তা হলো, নিছক দলীয় রাজনৈতিক বিবেচনা থেকে কিছু অধ্যাদেশ আইন হিসেবে পাস করার জন্য রেখে ও বাদবাকিগুলো বাদ দিয়ে তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে।
উক্ত পরিস্থিতিতে সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাস হয়ে যাওয়া অধিকাংশ অধ্যাদেশেই আসলে বড় ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি, দুর্বলতা ও অন্যায্যতা রয়ে গেছে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধিত) ২০২৬-এর কথাই ধরা যাক। শ্রম আইন, ২০০৬-এ বিধান ছিল যে, কোনো কারখানায় ১০০ জন শ্রমিক থাকলেই কর্তৃপক্ষ সেখানে ভবিষ্য তহবিল চালু করতে বাধ্য থাকবে এবং শ্রমিকদের মধ্যে কেউ সরকারের ‘প্রগতি’ স্কিমে যোগদান করতে চাইলে সেটিরও ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার শ্রমিকদের সেসব অধিকার ক্ষুণ্ন করে এই মর্মে সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি করে যে, কোনো কারখানার দুই-তৃতীয়াংশ শ্রমিক জাতীয় পেনশন স্কিমে যোগদানের আবেদন করলেই ওই কারখানাকে আর ভবিষ্য তহবিল চালু করতে হবে না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এরূপ পরিস্থিতিতে অবশিষ্ট এক-তৃতীয়াংশ শ্রমিক কি ভবিষ্য তহবিল সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন? আসলে শ্রমিককে ঠকিয়ে মালিকের স্বার্থ রক্ষাই ছিল ওই অধ্যাদেশের মূল লক্ষ্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, নতুন জাতীয় সংসদও অন্তর্বর্তী সরকারের শ্রমিক স্বার্থবিরোধী ওই অধ্যাদেশটিকে হুবহু আইন হিসেবে পাস করে নিয়েছে। অথচ অধ্যাদেশটি যদি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই হয়ে সংসদে যেত, তাহলে এ ধরনের অন্যায্যতাগুলো হয়তো ওই আইনে থাকত না।
দুই. মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাজকে অনুসরণ ও পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেওয়া। বস্তুত এ কাজটি হচ্ছে ওয়াচডগের বা প্রহরীর, যেটি ওয়েস্টমিনস্টার ধাঁচীয় সংসদব্যবস্থার মূল শক্তি। কিন্তু গত চার মাসেও ওই সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো গঠিত না হওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডকে প্রহরায় রাখার কাজটি একেবারেই অনুপস্থিত থেকে যাচ্ছে। অথচ এ প্রহরাদানের কাজটি ঠিকমতো সম্পন্ন হলে মন্ত্রণালয়ের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে জবাবদিহির বিষয়টি কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পেত। আর এ প্রক্রিয়ায় সংসদ নেতার (প্রধানমন্ত্রী) দায়িত্বও অনেকখানি হালকা হয়ে আসত বলে ধারণা করা চলে। কিন্তু বিষয়টি কি ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি ও বিবেচনায় আছে? থাকলে এত দিনেও মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সবগুলো স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো না কেন?
তবে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা নির্বাহী সদস্যরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ কমিটিকে আগ্রহ ও স্বতঃস্ফূর্ততার সঙ্গে গ্রহণ করেন না বা করতে চান না। যৌথভাবে দায়িত্ব পালন ও ক্ষমতাকে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে চর্চার বোধের অনুপস্থিতির কারণেই বস্তুত মন্ত্রী বা কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিকে বরং তাঁদের একচ্ছত্র ক্ষমতাচর্চার পথে একটি বড় বাধা বলে মনে করেন এবং এ ধরনের ক্ষমতা ভাগাভাগিতে তাঁরা খুবই অস্বস্তি ও কখনো কখনো বিরক্তিও বোধ করেন। আর এখন পর্যন্ত সময়ে মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো গঠিত না হওয়ার পেছনে পরোক্ষে এটিও একটি বড় কারণ হতে পারে বলে মনে করি। আসলে গত ৫৫ বছরের মধ্যে প্রায় ৩০ বছরই বাংলাদেশ সংসদীয় সরকারব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত হলেও সংসদীয় সংস্কৃতি এ দেশে এখনো মূলধারার রাষ্ট্রসংস্কৃতি হয়ে উঠতে পারেনি। আর সে কারণেই এ দেশের সব প্রধানমন্ত্রীই নিজেদেরকে সংসদের নেতা ভাবার চেয়ে সরকারের প্রধান ভাবতেই অধিকতর স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছেন এবং নিজেদের ক্ষমতাকে সংসদীয় ব্যবস্থার আওতাধীন প্রধানমন্ত্রীর মতো করে ব্যবহার না করে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থার আওতাধীন রাষ্ট্রপতির মতো করে ব্যবহার করতে চেয়েছেন।
তিন. সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় আইন ও নীতি প্রণয়ন এবং বিদেশের সঙ্গে আর্থিক ও বাণিজ্যিক লেনদেন বিষয়ে চুক্তি সম্পাদনের মতো বিষয়গুলো জাতীয় সংসদে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হওয়ার কথা থাকলেও সেসব বিষয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গৃহীত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী। এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে, বিষয়গুলোতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ না করে বরং এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বসে থাকছেন। সংশ্লিষ্টদের প্রতি পূর্ণাঙ্গ শ্রদ্ধা রেখে বলি, এটি আসলে মন্ত্রীদের দায়িত্বহীনতা, অযোগ্যতা ও অদক্ষতাকেই নির্দেশ করছে। দায়িত্বহীনতা এটি যে এ কাজটি তাঁদের নিজেদের করার কথা থাকলেও তাঁরা এর দায় চাপিয়ে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর ওপর। অযোগ্যতা এটি যে এ বিষয়ে প্রকৃতপক্ষে কী করতে হবে তা তাঁরা জানেন না, বোঝেন না বলেই নিজেরা কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে সেটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। আর অদক্ষতা এটি যে এ বিষয়ে তথ্য, উপাত্ত, অভিজ্ঞতা ও সম্ভাব্য ফলাফল বিশ্লেষণপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সামর্থ্য নেই বিধায় তাঁরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর শরণাপন্ন হচ্ছেন।
আসলে জাতীয় সংসদকে এর সদস্যরা যতক্ষণ পর্যন্ত না সম্মিলিত নেতৃত্বের ভিত্তিতে আইন, নীতি ও নীতিসংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত প্রণয়নের যৌথ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভাবতে পারবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত এ ধরনের যুক্তি ও আলোচনা যতই সামনে আসুক, তাতে সংসদীয় সরকারব্যবস্থার মূল চেতনাটি কিছুতেই বাস্তব কার্যকারিতা খুঁজে পাবে না। ফলে মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সবগুলো সংসদীয় স্থায়ী কমিটি যত দ্রুত সম্ভব গঠন ও সেগুলোর কার্যক্রমকে সামনে আনার জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন সংসদের সব সদস্য কর্তৃক সংসদীয় ব্যবস্থার চেতনাকে নিজেদের মনন ও চর্চায় ধারণ করা এবং সংসদকে স্থানীয় সরকারের একটি বর্ধিত অংশ হিসেবে গণ্য না করা। এটি হয়তো হঠাৎ করেই হবে না। তবে ক্রমান্বয়ে তা হওয়ার একটি ক্ষুদ্রতম বোধ নিয়েও যদি যাত্রাটি শুরু করা যায়, তাহলে একসময় সীমিত পরিসরে হলেও তা বাস্তব কার্যকারিতা খুঁজে পাবে বলে আশা করা যায়। আর সে ধরনের আশাবাদকে সামনে রেখেই অনুরোধ করব, জাতীয় সংসদের চলতি দ্বিতীয় অধিবেশনেই যেন মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সবগুলো স্থায়ী কমিটির গঠন সম্পন্ন হয় এবং গঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এগুলোর কার্যক্রমও পূর্ণাঙ্গ পরিসরে শুরু হয়ে যায়।
লেখক: সাবেক পরিচালক, বিসিক

বাংলাদেশের উর্বর পলিমাটি, নদ-নদীর পলল ও অনুকূল আবহাওয়া যুগ যুগ ধরে কৃষককে নানাবিধ ফসল ফলাতে সাহায্য করছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কৃষির আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং প্রতিটি অঞ্চলের রয়েছে নিজস্ব কিছু ঐতিহ্যবাহী ফল-ফসল।
৩ ঘণ্টা আগে
মহিষটি জানত না, সে একটি গর্তের ভেতরে পড়ে যাবে। সে জানত না ৪ ফুট ব্যাসার্ধের গর্তটির গভীরতা প্রায় ৮০ ফুট। মাটি যেন ধসে না পড়ে, সে জন্য গর্তটির চারপাশে বাঁশের চাটাই দেওয়া ছিল, সে কথাইবা কী করে জানবে মহিষটি? জানত না বলেই সে পড়ে গেল গর্তে।
৩ ঘণ্টা আগে
দ্বিচারিতাকে মোনাফেকি বললে বোধ করি বুঝতে সুবিধা হয়। শুরুতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানেই হেডকোয়ার্টার্স স্থাপন করে জামায়াতের জনবিরোধী তৎপরতা চালু থাকে। কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে পাঞ্জাবে তারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধিয়েছিল।
১ দিন আগে
কুড়িগ্রামে বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ধরলা ও তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে একের পর এক বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জেলার রাজারহাট উপজেলার রামহরি, ফুলবাড়ী উপজেলার চর গোরকমন্ডলসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ঘরবাড়ি এবং জমিও নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে।
১ দিন আগে