ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ দিকে এবং জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তিটি প্রথম দর্শনে প্রথাগত দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা বলেই মনে হয়, যেখানে শুল্ক সমন্বয়, বাজার সুবিধা প্রশস্ত এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক গভীর করার কথা উল্লেখ আছে। কিন্তু নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করলে সেই বাহ্যিক রূপটি আর চোখে পড়ে না।
চুক্তিটি গভীরভাবে পাঠ করলে দেখা যায়, এটি বাণিজ্যের কোনো সংকীর্ণ বা সাধারণ সংজ্ঞার চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃত। এতে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক বিবেচনামূলক ক্ষমতা, আমদানি ব্যবস্থাপনা, মানদণ্ড কাঠামো, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স (শাসন), ক্রয়সংক্রান্ত আচরণ এবং তৃতীয় দেশগুলোর সঙ্গে লেনদেন নিয়ে শর্ত রয়েছে। ঠিক এ কারণেই এটি বাংলাদেশের জন্য ভবিষ্যৎ শঙ্কার কারণ হয়ে উঠেছে।
এর মূল সমস্যাটি হচ্ছে, এই চুক্তি থেকে কোনো বিচ্ছিন্ন বাণিজ্যিক সুবিধা পাওয়া যাবে কি না! পারস্পরিক বাণিজ্যের ব্যানারে বাংলাদেশকে এমন কিছু প্রভাব বিস্তারের সুযোগ এবং নীতিগত স্বাধীনতা বিসর্জন দিতে বলা হয়েছে, যা কোনো দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের হালকাভাবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত হবে না। কারণ, এগুলোর পূর্ণ মূল্য কেবল সেগুলো হারানোর পরেই স্পষ্ট হয়ে উঠবে। এটি চুক্তির বিভিন্ন ধারায় বর্ণিত উদীয়মান কোনো গৌণ উদ্বেগ নয়, বরং এটি চুক্তির কাঠামোর মধ্যেই নিবিড়ভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্য চুক্তিগুলোকে প্রায়ই দক্ষতা, উন্মুক্ততা ও সংস্কারের মতো নিরপেক্ষ শব্দভান্ডার দিয়ে সমর্থন করা হয়। কিন্তু এ চুক্তিতে এ ধরনের ভাষা বিষয়টিকে স্পষ্ট করার চেয়ে বেশি আড়াল করেছে। এটি কেবল সীমান্তের বাধা কমানোর কোনো নথি নয়। এটি এমন একটি চুক্তি, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র অনেক বেশি বিস্তৃত সুবিধা নিশ্চিত করছে বলে মনে হয়, যার মধ্যে রয়েছে—নিয়ন্ত্রক স্বীকৃতি জুড়ে অগ্রাধিকারমূলক আচরণ, বাংলাদেশের লাইসেন্সিং ক্ষমতার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ, কৃষি খাতে অবাধ প্রবেশাধিকার, ডিজিটাল ও ডেটা-সম্পর্কিত নীতির ওপর প্রভাব বিস্তার, নিষেধাজ্ঞা ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত সহযোগিতা এবং অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার ওপর প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা।
বিপরীতে, বাংলাদেশকেই সমন্বয়ের অনেক ভারী বোঝা বহন করতে হবে বলে মনে হয়। এটাই এই চুক্তিটিকে এত গুরুতর করে তুলেছে। এখানে যা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা কেবল বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকার নয়। বরং এটি কারিগরি ধারার মারপ্যাঁচে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বকে সংকুচিত করবে। ফলে জনদৃষ্টি আকর্ষণ না করলেও আগামী বছরগুলোতে দেশটি স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগকে পুনর্গঠন করার জন্য যথেষ্ট প্রভাবশালী হবে।
বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হচ্ছে, এ চুক্তির মাধ্যমে আমরা ঠিক কী অর্জন করতে পারব, যা আমাদেরকে এত বিশাল বিসর্জন দিতে হবে। কারণ, চুক্তির কাঠামোটি উপেক্ষা করা কঠিন। বাংলাদেশকে একটি অস্বাভাবিক বিস্তৃত ডোমেইনজুড়ে উদারীকরণ, স্বীকৃতি, সমন্বয়, সংযম এবং খাপ খাইয়ে নিতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তুলনামূলকভাবে খুব কম ছাড় দিচ্ছে, অনেক বেশি সুযোগ নিজের অধীনে রেখেছে। বাংলাদেশ যদি চুক্তির শর্ত মেনে না চলে, তবে পুনরায় শুল্ক আরোপ করতে পারবে। এ চুক্তির ভাষা কোনো আকস্মিক ব্যাপার না, বরং এটি এর অন্যতম সংজ্ঞায়িত বৈশিষ্ট্য। সে কারণে, এই চুক্তিটিকে একটি মামুলি বাণিজ্যিক দলিল হিসেবে পড়া উচিত হবে না। বিষয়বস্তুর দিক থেকে এটিকে অনেকটা এমন একটি ব্যবস্থার মতো মনে হবে, যেখানে বাজারসুবিধা প্রদানের বিষয়টিকে একটি বাহন হিসেবে ব্যবহার করে মূলত অসম প্রভাব বিস্তারের চেষ্টাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে চুক্তিটি স্বাক্ষর হওয়া এমনিতেই সন্দেহের উদ্রেক করার জন্য যথেষ্ট কারণ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, যিনি তখন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, এই প্রক্রিয়াটি তড়িঘড়ি করে করার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর যুক্তি ছিল যে এটি ‘অন্ধকারে’ করা হয়নি এবং চুক্তি চূড়ান্ত করার আগে বিএনপি ও জামায়াত এতে সম্মতি দিয়েছে। কিন্তু যদি তাই হয়, তবে এর রাজনৈতিক প্রভাব মোটেও আশ্বস্ত করার মতো নয়। এটি নির্দেশ করে যে যখন একটি গভীর কৌশলগত চুক্তির ক্ষেত্রে জনগণকে অর্থবহ স্বচ্ছতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল, তখন জনচক্ষুর অন্তরালে অভিজাত কুশীলবদের মধ্যে সম্মতির পথগুলো হয়তো আগেই নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে একে এমনভাবে সমর্থন করা হয়েছে যেন গোপনীয়তাই বৈধতার বিকল্প।
চুক্তির অভ্যন্তরীণ যুক্তিগুলো ধারা অনুযায়ী অনুসরণ করলে সেই সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। এর প্রয়োগসংক্রান্ত বিধানগুলোতে এই ভারসাম্যহীনতা অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। অনুচ্ছেদ ৬.৪ স্পষ্ট করে যে যুক্তরাষ্ট্র যদি মনে করে বাংলাদেশ চুক্তি পরিপালন করছে না, তবে তারা আলোচনার আহ্বান জানাতে পারে এবং সন্তোষজনক ফলাফল না পেলে নির্দিষ্ট বা সমস্ত বাংলাদেশি পণ্য আমদানির ওপর পুনরায় শুল্ক আরোপ করতে পারবে। একই বিধানে জোর দেওয়া হয়েছে, চুক্তির কোনো কিছুই কোনো পক্ষকে অনুচিত বাণিজ্যচর্চা, আমদানি বৃদ্ধি, অথবা নিজস্ব আইন অনুযায়ী অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলায় অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা থেকে বিরত রাখবে না। তাত্ত্বিকভাবে এই ভাষাটি দ্বিপক্ষীয় মনে হলেও বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রই অধিকতর জবরদস্তিমূলক সক্ষমতা, বৃহত্তর বাজার ক্ষমতা এবং বাংলাদেশের জন্য প্রতিরোধ করা কঠিন
এমন শর্তে ‘অ-পালন’ সংজ্ঞায়িত করার ব্যাপক সক্ষমতা নিয়ে এই চুক্তিতে প্রবেশ করেছে। এই কারণেই প্রয়োগসংক্রান্ত ধারাটি এত গুরুত্বপূর্ণ। এটি কেবল আইনি অবলম্বন নয়, বরং এটি সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে চুক্তির ব্যাপক অসমতা রক্ষা করা হয়েছে। বাংলাদেশের কাছ থেকে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, তারা একাধিক ক্ষেত্রে নিজেকে উদারীকরণ, সমন্বয় ও সীমাবদ্ধ করবে, অন্যদিকে ওয়াশিংটন যখনই মনে করবে, সেই ছাড়গুলো অপর্যাপ্তভাবে পালিত হচ্ছে, তখনই তারা চাপ প্রয়োগ করতে পারবে।
যদি নথিটি কেবল এই ধরনের বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত, তবে তা এমনিতেই উদ্বেগের কারণ হতো না। কিন্তু এই চুক্তিটি সেখানেই থেমে থাকেনি। এর বড় সমস্যা হলো, এ চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে চায়, যা চরিত্রের দিক থেকে অনেক বেশি কৌশলগত; যেখানে বিষয়টি আর কেবল বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের পছন্দসমূহকে ক্রমেই নির্দিষ্ট শর্তাধীন করে তুলবে। এর অন্যতম উদাহরণ হলো অনুচ্ছেদ ৪.১। এতে বলা হয়েছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র তাদের অর্থনৈতিক বা জাতীয় সুরক্ষা রক্ষার জন্য প্রাসঙ্গিক মনে করে এমন কোনো সীমান্তব্যবস্থা বা অন্য কোনো বাণিজ্যিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে আলোচনার পর বাংলাদেশকেও সেই মার্কিন পদক্ষেপের সমর্থনে একটি পরিপূরক নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থা গ্রহণ বা বজায় রাখতে হবে। এই ধারার গুরুত্ব কোনোভাবেই ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। এটি কেবল ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা মেনে চলতে বলছে না, বরং এটি বাংলাদেশকে মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় গৃহীত নিষেধাজ্ঞামূলক পদক্ষেপগুলোর সঙ্গে, এমনকি তৃতীয় কোনো পক্ষের বিরুদ্ধেও, নিজেকে সারিবদ্ধ করতে বলছে।
মূল বিষয়বস্তুর দিক থেকে, বাংলাদেশকে মার্কিন কৌশলগত বাণিজ্যিক অবস্থানের উপাদানগুলোকে সমর্থন করার বাধ্যবাধকতায় টেনে আনা হচ্ছে; এটা এ জন্য নয় যে বাংলাদেশের নিজস্ব নিরাপত্তা এটি দাবি করে, বরং এ জন্য যে যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারণ করেছে তাদের নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য এটি প্রয়োজন।
অনুচ্ছেদ ৪.২ সেই যুক্তিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যায়। বাংলাদেশের জন্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা-সংবেদনশীল প্রযুক্তি এবং পণ্যগুলো বিদ্যমান রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অধীনে নিয়ন্ত্রণ করা, মার্কিন নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে নিজের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামোকে সমন্বয় করা এবং বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো যাতে সেই নিয়ন্ত্রণগুলোকে ‘পূরণ বা অবমূল্যায়ন’ না করে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আরও চমকপ্রদ বিষয় হলো, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমনভাবে সহযোগিতা করবে, যাতে সেই সব লেনদেনকে সীমাবদ্ধ করা যায়, যা যুক্তরাষ্ট্রে সংঘটিত হলে বা কোনো মার্কিন নাগরিক দ্বারা সম্পাদিত হলে তাদের নিষেধাজ্ঞা বা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ বিধি লঙ্ঘন করত। এখানে চুক্তিটি কেবল হস্তক্ষেপমূলক হওয়ার গণ্ডি পেরিয়ে প্রকাশ্য শাস্তিমূলক রূপ ধারণ করেছে। বাংলাদেশকে কেবল তার নিজস্ব আইন বা তার সম্মতি দেওয়া বহুপক্ষীয় নিয়ম মেনে চলতে বলা হচ্ছে না। বরং তাকে এমন একটি নিষেধাজ্ঞা ও রপ্তানি-নিয়ন্ত্রণ কাঠামোকে আত্মস্থ করতে এবং তার সমর্থনে কাজ করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যার মূল মানদণ্ড হলো ওয়াশিংটনের কৌশলগত বিচারবুদ্ধি। একটি ছোট রাষ্ট্রের জন্য এটি কোনো কারিগরি ছাড় নয়। এটি তার ভূ-রাজনৈতিক পরিসরকে সংকুচিত করা, বিশেষ করে এমন একটি সময়ে যখন দেশটি উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি আমদানির ওপর প্রবলভাবে নির্ভরশীল। এটি এই সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় যে ভবিষ্যতের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোকে কেবল বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থের নিরিখে নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সহনশীলতার মাপকাঠিতেও যাচাই করতে হবে।
এটি কোনো রুটিনমাফিক বাণিজ্যিক চুক্তি নয়, বরং এটি একটি কাঠামোগতভাবে অসম দলিল, যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে সীমিত এবং শর্ত সাপেক্ষে কিছু সুবিধার বিনিময়ে তার প্রভাব বিস্তারের সক্ষমতা বিসর্জন দিতে বলা হয়েছে। আসল প্রশ্নটি কেবল এটি নয়, বাংলাদেশ স্বল্প মেয়াদে কী লাভ করতে পারে, বরং প্রশ্নটি হলো দীর্ঘ মেয়াদে দেশটি কী কী বিষয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে। সেখানেই আমাদের প্রকৃত খেসারত নিহিত।
যেহেতু সেই খেসারত অত্যন্ত গুরুতর, তাই দায়বদ্ধতা কেবল এই নথির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। যারা এর মধ্যস্থতা করেছে, একে সক্ষম করেছে, বন্ধ দরজার আড়ালে এতে সম্মতি দিয়েছে, অথবা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত নাজুক মুহূর্তে একে পাস করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে, তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। বাংলাদেশিদের যদি এমন একটি চুক্তির পরিণতি ভোগ করতে বলা হয়, তাহলে তারা এটি জানারও অধিকার রাখে, ঠিক কারা তাদের নামে এত কিছু বিসর্জন দিতে সম্মতি দিয়েছে।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজে বিএনপির নেতাদের মারধরের শিকার হয়েছেন অধ্যক্ষ ও একজন নারী প্রদর্শক। এ-সংক্রান্ত ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত না হলে বোঝা যেত না, কি রকম নিন্দনীয় কাজ করেছেন এই বিএনপি নেতারা। অভিযোগ করা হয়েছে, বিএনপির এই নেতারা কলেজে এসেছিলেন চাঁদা চাইতে।
৯ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি সংকট তো নতুন কোনো ব্যাপার নয়। আগে থেকেই সেটা ছিল। বর্তমান সংকটটা হলো সরবরাহের সংকট। আর একটা কারণ হচ্ছে, আওয়ামী লীগের শেষ ১০ বছরে নতুন করে গ্যাস অনুসন্ধান করা হয়নি। সে সময় গ্যাস অনুসন্ধান এতটাই অবহেলিত থেকেছে যে গ্যাস আহরণের চেয়ে এলএনজি আমদানিতেই বেশি নজর দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের ঘোষণা দেখে যারপরনাই আনন্দিত হয়েছি। দেশের ও বিশ্বের জলবায়ু সংকটের কালে এ ধরনের একটি মহতী উদ্যোগ দেশবাসীর জন্য স্বস্তিদায়ক। বিএনপির সেই ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজ বেষ্টনী তৈরি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব..
১১ ঘণ্টা আগে
কোনো অন্যায় কাজের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে আমরা মাঝে মাঝেই ব্যর্থ হই। আমার একজন সহকর্মী যিনি আবার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, তিনি বললেন, আসলে যাদের কাছ থেকে আমরা প্রতিবাদ আশা করছি, তারা ন্যায়-অন্যায় বোঝার ক্ষমতা রাখে না। এমন একটা শিক্ষাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তারা বড় হচ্ছে যে, এই বিষয়টি চিহ্নিত কর
১ দিন আগে