সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ট্রাফিক জরিমানা সংক্রান্ত ভুয়া এসএমএস নিয়ে নগরবাসীকে সতর্ক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ বলছে, সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যক্তি ট্রাফিক জরিমানা আদায়ের নামে যে এসএমএস পাচ্ছেন, সেগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অসত্য।
আজ সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ লঙ্ঘনের ঘটনায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কোনো যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দিলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের বা ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ঠিকানায় পাঠানো হয়।
ডিএমপি জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে কেবল ০১৩২০-০৪২২০৭ এবং ০১৩২০-০৪২২২৭ নম্বর থেকে এসএমএস পাঠানো হয়ে থাকে। এ ছাড়া ট্রাফিক বিভাগের জরিমানার অর্থ অনলাইন ব্যাংকিং ‘উপায়’ ও সিবিবিএল-এর মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কখনোই কোনো ব্যক্তির কাছে পিন কোড, পাসওয়ার্ড বা ওটিপি জানতে চায় না। প্রয়োজনে ট্রাফিক এআই বা ভিডিও মামলাসংক্রান্ত তথ্যের জন্য নির্ধারিত নম্বর অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভুয়া তথ্য ও প্রতারণামূলক বার্তায় বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে উদ্যাপিত হলো ভারতের ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যকার সুসম্পর্ক এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যই দুটি বন্ধুপ্রতিম দেশের সম্পর্কের ‘প্রকৃত প্রাণভোমরা’।
৪৩ মিনিট আগে
২০১২ সালে ১০তলা ভবনে প্রথম ৩০০ বেডের হাসপাতাল চালু করা হয়। ব্যাপক হারে রোগী আসতে থাকায় সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পরে আরও ২০০ বেড বাড়ানো হয়। এবার নবনির্মিত ১৫তলা ভবনে আরও ৫০০ বেড বাড়ানো হলো।
১ ঘণ্টা আগে
গতকাল বিকেলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ ১৭৩ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছিল। এখন এটি বেড়ে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুট হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখনো দিনে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি রয়েছে। এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলে সেই ঘাটতি পূরণ হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে
লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষোভ, বিদ্যুৎ অফিসে হামলার চেষ্টাও হয়েছে। সে কারণে অনেক বিদ্যুৎ অফিস নিরাপত্তা চেয়ে থানা-পুলিশকে জানিয়েছে। তবে বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও যশোরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। এই তিন জেলায় বিদ্যুৎ কম যাচ্ছে কিংবা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
৯ ঘণ্টা আগে