নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুলিশ ও প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.) বলেছেন, ‘অতীত নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করা আমি পছন্দ করি না। তবে অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে চলুন আমরা সবাই মিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুষ্ঠু নির্বাচনের এমন উদাহরণ সৃষ্টি করি যা অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।’
আজ শনিবার সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চার বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক, সিনিয়র ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে আপনারাই হচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের বিশ্বস্ত সহায়তাকারী এবং আপনারাই আমাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন। আমাদের শপথ নেওয়ার পর সহস্রাধিক নির্বাচনে শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে আন্তরিকতার সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারকে সহযোগিতা করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে উৎসব মুখর পরিবেশে প্রতিটি নির্বাচনই কোনো প্রকার সহিংসতা ছাড়াই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আমার পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমন ধারাই বজায় রাখবেন বলে আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি।’
এই ইসি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময়ই বলি জ্ঞানই শক্তি। এই জ্ঞানকে বৃদ্ধি করতে হলে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। আপনাদের অনেকেরই নির্বাচন পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা আছে। আবার কারও কারও নেই। আমি আশা করি এই প্রশিক্ষণের পর সবাই সমানভাবে আত্মবিশ্বাসী হবেন এবং একটা সুন্দর গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেবেন।’
এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ ও প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.) বলেছেন, ‘অতীত নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করা আমি পছন্দ করি না। তবে অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে চলুন আমরা সবাই মিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুষ্ঠু নির্বাচনের এমন উদাহরণ সৃষ্টি করি যা অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।’
আজ শনিবার সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চার বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক, সিনিয়র ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে আপনারাই হচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের বিশ্বস্ত সহায়তাকারী এবং আপনারাই আমাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন। আমাদের শপথ নেওয়ার পর সহস্রাধিক নির্বাচনে শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে আন্তরিকতার সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারকে সহযোগিতা করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে উৎসব মুখর পরিবেশে প্রতিটি নির্বাচনই কোনো প্রকার সহিংসতা ছাড়াই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আমার পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমন ধারাই বজায় রাখবেন বলে আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি।’
এই ইসি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময়ই বলি জ্ঞানই শক্তি। এই জ্ঞানকে বৃদ্ধি করতে হলে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। আপনাদের অনেকেরই নির্বাচন পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা আছে। আবার কারও কারও নেই। আমি আশা করি এই প্রশিক্ষণের পর সবাই সমানভাবে আত্মবিশ্বাসী হবেন এবং একটা সুন্দর গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেবেন।’
এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৭ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে