
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের ম্যুরাল সরিয়ে ফোয়ারা নির্মাণের খবরটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
আজ বুধবার ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
আহমেদ আযম খান বলেন, কয়েক দিন আগে একটা অনলাইন পত্রিকায় এ বিষয়ে ‘অত্যন্ত ভুলভাবে’ খবরটি এসেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যে স্বাধীনতা স্তম্ভটা, সেই স্বাধীনতা স্তম্ভটা কীভাবে সম্পন্ন করা যায়, এটা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের স্থলে ফোয়ারা হচ্ছে —এ নিয়ে আমাদের কোনো রকমের আলোচনা বা এ নিয়ে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘পত্রিকায় যেটা এসেছে যে, সারেন্ডারের পরিবর্তে ফোয়ারা —এগুলো একদমই সঠিক না। আমরা কিন্তু আমাদের মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে এটা নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছি। আপনারা সেই ফেসবুক স্ট্যাটাস অনেকেই নিশ্চয়ই পড়েছেন, না পড়লেও আপনারা পড়বেন, আমাদের বক্তব্য এখানে স্পষ্ট।’
ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তাঁরা বাংলাদেশ এবং ভারতের বিষয়ে সৌজন্য মতবিনিময় করেছেন। এর বাইরে কোনো আলোচনা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়েও আমাদের মাঝে কোনো আলোচনা হয়নি। ওটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বা ওনার মুখপাত্র, তারাই আলোচনা করবেন। আমাদের শুধুমাত্র একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল আজকে।’

অর্ন্তবর্তী সরকারের সময় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হলেও এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সঙ্গে আলোচনায় কয়েকজন সাংবাদিক উচ্চকক্ষের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছেন।
০১ জানুয়ারি ১৯৭০
উত্তরাঞ্চলের কোটি মানুষের বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। সরকারের তৎপরতার অংশ হিসেবে এ মহাপরিকল্পনার মূল প্রশাসনিক ও কারিগরি দিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
৪১ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মানুষেরই আগ্রহ রয়েছে উল্লেখ করে ত্রিবেদী বলেন, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসলে এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
৪৪ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন— প্রকল্পের মেয়াদ যৌক্তিক কারণ ছাড়া বাড়ানো যাবে না। যথাযথ কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলে বিলম্বের জন্য দায়ী কর্মকর্তা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
৫ ঘণ্টা আগে