আজকের পত্রিকা ডেস্ক
দুই মেয়েকে নিয়ে রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বর থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসেছেন ওমর সানি ও মুন্নি আক্তার দম্পতি। নানা ব্যস্ততায় সপরিবার নিয়ে কোথাও না যেতে পারলেও জাতীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দুই শিশু সন্তান নিয়ে বের হন তাঁরা। আজ শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে আজকের পত্রিকাকে এ কথা জানালেন এই দম্পতি।
ওমর-মুন্নি দম্পতির বড় মেয়ে হুমায়রা জাহান তাসমিমের বয়স সাড়ে পাঁচ বছর। আর ছোট মেয়ে সাবিহা জাহান মুনজেরিনের বয়স ১০ মাস। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ওমর সানি শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় মিরপুর ১ নম্বর থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্দেশে রওনা করেন। শহীদ মিনারের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর পর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তাঁরা।
এই দম্পতির বড় মেয়ে হুমায়রা জাহান তাসমিম বলে, ‘আজকে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।’
ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত করাতে দুই সন্তানকে বিজয় দিবস, অমর একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবসসহ বিভিন্ন দিবসে স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোতে নিয়ে যান বলে জানান ওমর সানি। তিনি বলেন, জাতীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দুই মেয়েকে নিয়ে বের হই। ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ এসব স্থানে নিয়ে আসার উদ্দেশ্য, ছোট থেকেই যেন আমার দুই সন্তান ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হয়। তারা যেন দেখতে পারে, শিখতে পারে, ইতিহাস জানতে পারে। এগুলো তাদের মনে প্রভাব পড়বে।
এই পরিবারের মতো বিভিন্ন বয়সের মানুষের ঢল নেমেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠন শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করছে।
শুক্রবার সকালে শহীদ মিনার এলাকায় ব্যানার, ফুল ও ফুলের তোড়াসহ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার কণ্ঠে, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে জানানো হচ্ছে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা।

শ্রদ্ধা জানাতে আসা ব্যক্তিরা জানান, ভাষা শহীদদের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন। বৈষম্যহীন দেশ গঠনে এবারের একুশের প্রেরণা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। প্রতিষ্ঠিত হোক মানুষের সব মৌলিক অধিকার। একই সঙ্গে শুদ্ধ বাংলা ভাষা প্রচলন ও চর্চার তাগিদ দেন তাঁরা।
আবুজাফর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার মিমি বলেন, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। ভাষার প্রতি, দেশের প্রতি প্রেরণা হয়ে উঠুক অমর একুশে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাবাব মাহমুদ বলেন, ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য, নিজের অধিকারের জন্য আমার ভাইয়েরা শহীদ হয়েছেন। একইভাবে ৫ আগস্টও নিজের ও জাতির মুক্তিতে আমার ভাইয়েরা শহীদ হয়েছে। আজকের দিনে সব শহীদের প্রতিই আমার বিনম্র শ্রদ্ধা।

জাকির হোসেন বলেন, বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমাদের পূর্বসূরিরা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে বলেই আজ আমরা বাংলায় কথা বলছি। একইভাবে ৫ আগস্ট জাতিকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে অসংখ্য মানুষ শহীদ হয়েছে। আজ ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাদেরও শ্রদ্ধা জানাতে চাই।

একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শ্রদ্ধা জানানোর পর রাত থেকেই সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করেন।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করছেন সাধারণ মানুষ। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁদের বের হতে হচ্ছে চানখাঁরপুল ও কার্জন হল এলাকা দিয়ে। এদিকে দিবসটি ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
দুই মেয়েকে নিয়ে রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বর থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসেছেন ওমর সানি ও মুন্নি আক্তার দম্পতি। নানা ব্যস্ততায় সপরিবার নিয়ে কোথাও না যেতে পারলেও জাতীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দুই শিশু সন্তান নিয়ে বের হন তাঁরা। আজ শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে আজকের পত্রিকাকে এ কথা জানালেন এই দম্পতি।
ওমর-মুন্নি দম্পতির বড় মেয়ে হুমায়রা জাহান তাসমিমের বয়স সাড়ে পাঁচ বছর। আর ছোট মেয়ে সাবিহা জাহান মুনজেরিনের বয়স ১০ মাস। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ওমর সানি শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় মিরপুর ১ নম্বর থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্দেশে রওনা করেন। শহীদ মিনারের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর পর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তাঁরা।
এই দম্পতির বড় মেয়ে হুমায়রা জাহান তাসমিম বলে, ‘আজকে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।’
ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত করাতে দুই সন্তানকে বিজয় দিবস, অমর একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবসসহ বিভিন্ন দিবসে স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোতে নিয়ে যান বলে জানান ওমর সানি। তিনি বলেন, জাতীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দুই মেয়েকে নিয়ে বের হই। ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ এসব স্থানে নিয়ে আসার উদ্দেশ্য, ছোট থেকেই যেন আমার দুই সন্তান ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হয়। তারা যেন দেখতে পারে, শিখতে পারে, ইতিহাস জানতে পারে। এগুলো তাদের মনে প্রভাব পড়বে।
এই পরিবারের মতো বিভিন্ন বয়সের মানুষের ঢল নেমেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠন শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করছে।
শুক্রবার সকালে শহীদ মিনার এলাকায় ব্যানার, ফুল ও ফুলের তোড়াসহ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার কণ্ঠে, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে জানানো হচ্ছে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা।

শ্রদ্ধা জানাতে আসা ব্যক্তিরা জানান, ভাষা শহীদদের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন। বৈষম্যহীন দেশ গঠনে এবারের একুশের প্রেরণা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। প্রতিষ্ঠিত হোক মানুষের সব মৌলিক অধিকার। একই সঙ্গে শুদ্ধ বাংলা ভাষা প্রচলন ও চর্চার তাগিদ দেন তাঁরা।
আবুজাফর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার মিমি বলেন, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। ভাষার প্রতি, দেশের প্রতি প্রেরণা হয়ে উঠুক অমর একুশে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাবাব মাহমুদ বলেন, ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য, নিজের অধিকারের জন্য আমার ভাইয়েরা শহীদ হয়েছেন। একইভাবে ৫ আগস্টও নিজের ও জাতির মুক্তিতে আমার ভাইয়েরা শহীদ হয়েছে। আজকের দিনে সব শহীদের প্রতিই আমার বিনম্র শ্রদ্ধা।

জাকির হোসেন বলেন, বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমাদের পূর্বসূরিরা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে বলেই আজ আমরা বাংলায় কথা বলছি। একইভাবে ৫ আগস্ট জাতিকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে অসংখ্য মানুষ শহীদ হয়েছে। আজ ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাদেরও শ্রদ্ধা জানাতে চাই।

একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শ্রদ্ধা জানানোর পর রাত থেকেই সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করেন।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করছেন সাধারণ মানুষ। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁদের বের হতে হচ্ছে চানখাঁরপুল ও কার্জন হল এলাকা দিয়ে। এদিকে দিবসটি ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন আরও ৫৩ জন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) শুনানির চতুর্থ দিন শেষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা
৪ মিনিট আগে
সাত দেশে থাকা সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবের ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্টদের মোট ৩২৮টি অ্যাপার্টমেন্ট, বাড়ি ও দোকান ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
২৫ মিনিট আগে
২০২৫ সালের মহান বিজয় দিবসে (১৬ ডিসেম্বর) এক অনন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। সেদিন ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ প্যারাস্যুট জাম্প অভিযানের মাধ্যমে একসঙ্গে সর্বাধিক ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ।
৩৫ মিনিট আগে
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্টদের বিদেশে থাকা অ্যাপার্টমেন্ট, বাড়ি, দোকানসহ মোট ১৮২৪ কোটি ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯০৫ টাকার সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে