নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাবেক নির্বাচন কমিশনার শাহ নেওয়াজ বলেছেন, ‘ডাকাত সরাতে পারলে দেশের নির্বাচন সুষ্ঠু করা সম্ভব হবে।’ অন্যদিকে, জেলা প্রশাসকদের নয় নিজস্ব জনবলকে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে বললেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।
আজ রোববার সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিবদের সঙ্গে সংলাপে বসেন সিইসি। সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় সংলাপ শুরু হয়।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে একটাই চ্যালেঞ্জ। সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ। সবার আগে একটা নিরপেক্ষ সরকার দরকার। আগামী জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা না করে নিজস্ব জনবল দিয়ে করতে হবে। ইভিএম বা ভোটকেন্দ্রের পাহারা দেওয়া, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বসতে হবে। সংবিধান সংশোধন না হলে নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিবর্তন করা যাবে না।
সাবেক কমিশনার আবু হাফিজ বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকারের আচরণ দেখতে হবে। খুবই কঠোর হতে হবে। সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ইনভলভ হওয়া যাবে না। এটা সরকারি দলের কাছে ছেড়ে দিতে হবে। আইন প্রয়োগ সঠিকভাবে করতে হবে। তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু করা সম্ভব। আমরা সঠিকভাবে নির্বাচন করলেও মানুষ মনে করেছে সুষ্ঠু হয়নি। এটা আমাদের ব্যর্থতা।’
সাবেক কমিশনার শাহ নেওয়াজ বলেন, ‘ব্যালট পেপারেও তো সিল মারা যায়। এ জন্য ইভিএমের দোষারোপ করে লাভ নেই। আরেকটা বিষয় নির্বাচন কমিশন যে ডাকাত দাঁড়িয়ে থাকার কথাটি বলেছেন এটা আসলে সত্যি। এই বিষয়টি শক্তভাবে দেখতে হবে। ডাকাত সরাতে পারলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।’
বর্তমান ইসি গত মার্চ মাস থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে সংলাপ করছে। গত ১৩ ও ২২ মার্চ এবং ৬ ও ১৮ এপ্রিল যথাক্রমে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ-বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক সমাজ এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সম্পাদক/সিনিয়র সাংবাদিক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী/প্রধান বার্তা সম্পাদক/সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে সংলাপ করে ইসি।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার শাহ নেওয়াজ বলেছেন, ‘ডাকাত সরাতে পারলে দেশের নির্বাচন সুষ্ঠু করা সম্ভব হবে।’ অন্যদিকে, জেলা প্রশাসকদের নয় নিজস্ব জনবলকে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে বললেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।
আজ রোববার সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিবদের সঙ্গে সংলাপে বসেন সিইসি। সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় সংলাপ শুরু হয়।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে একটাই চ্যালেঞ্জ। সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ। সবার আগে একটা নিরপেক্ষ সরকার দরকার। আগামী জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা না করে নিজস্ব জনবল দিয়ে করতে হবে। ইভিএম বা ভোটকেন্দ্রের পাহারা দেওয়া, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বসতে হবে। সংবিধান সংশোধন না হলে নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিবর্তন করা যাবে না।
সাবেক কমিশনার আবু হাফিজ বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকারের আচরণ দেখতে হবে। খুবই কঠোর হতে হবে। সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ইনভলভ হওয়া যাবে না। এটা সরকারি দলের কাছে ছেড়ে দিতে হবে। আইন প্রয়োগ সঠিকভাবে করতে হবে। তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু করা সম্ভব। আমরা সঠিকভাবে নির্বাচন করলেও মানুষ মনে করেছে সুষ্ঠু হয়নি। এটা আমাদের ব্যর্থতা।’
সাবেক কমিশনার শাহ নেওয়াজ বলেন, ‘ব্যালট পেপারেও তো সিল মারা যায়। এ জন্য ইভিএমের দোষারোপ করে লাভ নেই। আরেকটা বিষয় নির্বাচন কমিশন যে ডাকাত দাঁড়িয়ে থাকার কথাটি বলেছেন এটা আসলে সত্যি। এই বিষয়টি শক্তভাবে দেখতে হবে। ডাকাত সরাতে পারলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।’
বর্তমান ইসি গত মার্চ মাস থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে সংলাপ করছে। গত ১৩ ও ২২ মার্চ এবং ৬ ও ১৮ এপ্রিল যথাক্রমে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ-বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক সমাজ এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সম্পাদক/সিনিয়র সাংবাদিক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী/প্রধান বার্তা সম্পাদক/সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে সংলাপ করে ইসি।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে সারা দেশে প্রচার চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই প্রচার যেন নামকাওয়াস্তে। প্রচারকাজে অংশ নেওয়া ভোটের গাড়ি সুপার ক্যারাভান শুধু শহর এলাকাতেই ঘুরছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসব গাড়ি না যাওয়ায় বেশির ভাগ ভোটার এই প্রচারণার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১২২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। মঙ্গলবার ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মাইনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বক্তারা। তাঁদের মতে, এই ঝুঁকি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ, সক্ষমতা—এমনকি সদিচ্ছারও ঘাটতি স্পষ্ট।
১১ ঘণ্টা আগে
শুনানি শেষে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
১২ ঘণ্টা আগে