নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পর সম্মেলনস্থলে আসেন শেখ হাসিনা।
এরপর জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি।
যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল সম্মেলন পরিচালনা করছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সম্মেলনে আসতে থাকেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
জানা গেছে, ২০০২ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় যুব মহিলা লীগ। সেই সময় সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্ব পান নাজমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক করা হয় অপু উকিলকে। ২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম সম্মেলনেও তাঁদের দায়িত্বে রাখা হয়। তৎকালীন সরকারবিরোধী আন্দোলনে তাঁরা রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও। এরপর ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সম্মেলনেও তাঁরা নেতৃত্বে থাকেন। ২০ বছর তাঁরা আছেন একই পদে।
এবার সংগঠনটির শীর্ষ দুই পদে পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর একাধিক নেতা। তাঁরা জানান, বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় যাঁরা ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছেন। আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন, তাঁদের থেকেই নেতা নির্বাচিত হবে এবার।
সংগঠনটির নতুন নেতৃত্বের জন্য আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি আলেয়া সারোয়ার ডেইজী, সহসভাপতি জাকিয়া পারভীন খানম, কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি, আদিবা আঞ্জুম মিতা এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিন। এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জেদ্দা পারভীন রিমি, শারমীন আক্তার নিপা, শাহনাজ পারভীন ডলি ও আইনবিষয়ক সম্পাদক নাভানা আক্তার।

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পর সম্মেলনস্থলে আসেন শেখ হাসিনা।
এরপর জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি।
যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল সম্মেলন পরিচালনা করছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সম্মেলনে আসতে থাকেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
জানা গেছে, ২০০২ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় যুব মহিলা লীগ। সেই সময় সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্ব পান নাজমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক করা হয় অপু উকিলকে। ২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম সম্মেলনেও তাঁদের দায়িত্বে রাখা হয়। তৎকালীন সরকারবিরোধী আন্দোলনে তাঁরা রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও। এরপর ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সম্মেলনেও তাঁরা নেতৃত্বে থাকেন। ২০ বছর তাঁরা আছেন একই পদে।
এবার সংগঠনটির শীর্ষ দুই পদে পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর একাধিক নেতা। তাঁরা জানান, বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় যাঁরা ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছেন। আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন, তাঁদের থেকেই নেতা নির্বাচিত হবে এবার।
সংগঠনটির নতুন নেতৃত্বের জন্য আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি আলেয়া সারোয়ার ডেইজী, সহসভাপতি জাকিয়া পারভীন খানম, কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি, আদিবা আঞ্জুম মিতা এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিন। এ ছাড়া আলোচনায় রয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জেদ্দা পারভীন রিমি, শারমীন আক্তার নিপা, শাহনাজ পারভীন ডলি ও আইনবিষয়ক সম্পাদক নাভানা আক্তার।

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
৯ ঘণ্টা আগে
পোস্টে প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘শহীদ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর থেকে আমার মনে হচ্ছে তিনি (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভীষণ একা হয়ে পড়েছেন। একত্রে এই দুই নেতা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম এক সম্মানিত ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। সহমর্মিতা এবং নীরবে ধৈর্য ধরার ক্ষমতার...
১০ ঘণ্টা আগে
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু জানান, রাজধানীতে নিজ বাসায় বর্ষীয়ান এ রাজনীতিকের মৃত্যু হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাদ জোহর টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে সারা দেশে অন্তত ৪২৮টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। ২০২৪ সালে গণপিটুনির ১৬৯টি ঘটনায় নিহত হয়েছিল ১৪৬ জন এবং আহত ছিল ১২৬ জন। আর ২০২৫ সালে গণপিটুনিতে ১৬৬ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৪৬০ জন। ২২০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গণপিটুনির ঘটনায় আহত
১২ ঘণ্টা আগে