ফারুক মেহেদী

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন পরিকল্পনা কমিশনের সদ্য সাবেক সিনিয়র সদস্য ও সিনিয়র সচিব অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। আগামী রোববার বিকেলে তিনি বঙ্গবভনে শপথ নেবেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাঁকে শপথ পড়াবেন। আজকের পত্রিকাকে তিনি নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রিসভার রুটিন পরিবর্তন হিসেবে সাবেক এই সিনিয়র কর্মকর্তাকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে কাজ করার কারণে তিনি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে ড. শামসুল আলম জানান, ‘আমাকে শপথ নেওয়ার জন্য জানানো হয়েছে। রোববার বিকেলে শপথ হবে। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর পদ দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।’ শপথ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই দায়িত্ব বণ্টন করবেন বলে জানান তিনি।
ড. শামসুল আলম সরকারের পরিকল্পনা কমিশনে টানা এক যুগ সদস্য এবং সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৯ সালে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগে সদস্য হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০১৪ সালে সিনিয়র সদস্য বা সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি এত দীর্ঘসময় পরিকল্পনা কমিশনের এ দায়িত্বে পালন করেন।
এই দীর্ঘ সময়ে সরকারের তিনটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও দুটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তাঁর হাত ধরেই প্রণীত হয়। এ ছাড়া ১০০ বছর মেয়াদি ডেলটা প্ল্যানও তাঁর হাতেই তৈরি। তিনি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাগ্রি বিজনেস ও মার্কেটিং বিভাগে প্রভাষক হিসেবে চাকরিজীবন শুরু করেন। পরে ২০০৯ সালে রাষ্ট্রপতির ১০ শতাংশ কোটায় সচিব হিসেবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। গেল ৩০ জুন তিনি টানা ১২ বছর দায়িত্ব শেষে অবসরে যান।
শামসুল আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ এক যুগ আমার ওপর আস্থা রেখেছেন বলে আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি আমাকে আবারও নতুন দায়িত্ব দিতে চেয়েছেন বলে আমি ধন্য হয়েছি।’
তিনি জানান, নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি পরিকল্পনা করবেন সামনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কী করবেন। তবে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দিকনির্দেশনা দেবেন, সেভাবেই তিনি কাজ করবেন।
অধ্যাপক ড. শামসুল আলম যুক্তরাজ্য থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্বের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবেও কাজ করেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন পরিকল্পনা কমিশনের সদ্য সাবেক সিনিয়র সদস্য ও সিনিয়র সচিব অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। আগামী রোববার বিকেলে তিনি বঙ্গবভনে শপথ নেবেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাঁকে শপথ পড়াবেন। আজকের পত্রিকাকে তিনি নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রিসভার রুটিন পরিবর্তন হিসেবে সাবেক এই সিনিয়র কর্মকর্তাকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে কাজ করার কারণে তিনি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে ড. শামসুল আলম জানান, ‘আমাকে শপথ নেওয়ার জন্য জানানো হয়েছে। রোববার বিকেলে শপথ হবে। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর পদ দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।’ শপথ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই দায়িত্ব বণ্টন করবেন বলে জানান তিনি।
ড. শামসুল আলম সরকারের পরিকল্পনা কমিশনে টানা এক যুগ সদস্য এবং সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৯ সালে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগে সদস্য হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০১৪ সালে সিনিয়র সদস্য বা সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি এত দীর্ঘসময় পরিকল্পনা কমিশনের এ দায়িত্বে পালন করেন।
এই দীর্ঘ সময়ে সরকারের তিনটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও দুটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তাঁর হাত ধরেই প্রণীত হয়। এ ছাড়া ১০০ বছর মেয়াদি ডেলটা প্ল্যানও তাঁর হাতেই তৈরি। তিনি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাগ্রি বিজনেস ও মার্কেটিং বিভাগে প্রভাষক হিসেবে চাকরিজীবন শুরু করেন। পরে ২০০৯ সালে রাষ্ট্রপতির ১০ শতাংশ কোটায় সচিব হিসেবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। গেল ৩০ জুন তিনি টানা ১২ বছর দায়িত্ব শেষে অবসরে যান।
শামসুল আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ এক যুগ আমার ওপর আস্থা রেখেছেন বলে আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি আমাকে আবারও নতুন দায়িত্ব দিতে চেয়েছেন বলে আমি ধন্য হয়েছি।’
তিনি জানান, নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি পরিকল্পনা করবেন সামনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কী করবেন। তবে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দিকনির্দেশনা দেবেন, সেভাবেই তিনি কাজ করবেন।
অধ্যাপক ড. শামসুল আলম যুক্তরাজ্য থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্বের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবেও কাজ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন রোববার (৪ জানুয়ারি) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মূলত রাজনৈতিক কারণেই দেশে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।
৯ ঘণ্টা আগে