নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শিক্ষা ছুটিতে গিয়ে ফিরে না আসায় চাকরি হারালেন যুগ্ম জেলা জজ কানিজ ফাতেমা। আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে অবসরকালীন কোনো সুবিধা পাবেন না এই বিচারক।
ফুলকোর্ট সভায় ১৯৬ জনকে সহকারী জজ থেকে সিনিয়র সহকারী জজ হিসেবে আইন মন্ত্রণালয়ের পদোন্নতির সুপারিশও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সভায় হাইকোর্ট বিভাগের সব বিচারপতি উপস্থিত ছিলেন। ফুলকোর্ট সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
জানা যায়, শিক্ষা ছুটি নিয়ে তিন বছর এক মাসের জন্য অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন যুগ্ম জেলা জজ কানিজ ফাতেমা। ২০১৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সরকার তাঁর ছুটি মঞ্জুর করে। পরবর্তীতে তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছুটির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়। ওই ছুটি শেষ হলে তিনি আবার ছুটির আবেদন করেন। তবে এবার তা নামঞ্জুর করে তাঁকে ১৫ দিনের মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
যুগ্ম জেলা জজ কানিজ ফাতেমা নির্দেশনা অমান্য করে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করতে থাকেন। ছুটি ছাড়া সেখানে অবস্থানের দুই মাস পর তাঁর কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয় আইন মন্ত্রণালয় থেকে। এর জবাবও দেন ওই বিচারক। তবে ওই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হলে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে তাঁর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও সার্ভিস ত্যাগের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করে মন্ত্রণালয়। মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করতে মতামত চেয়ে চিঠি দেওয়া হলে তাতে একমত পোষণ করেন সুপ্রিম কোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অনুযায়ী তদন্তের জন্য উপসচিব একেএম এমদাদুল হককে দায়িত্ব দেয় মন্ত্রণালয়। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দিলে বিচারক কানিজ ফাতেমার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘সার্ভিস ত্যাগ’ এর দায়ে বিধি ১৬ (খ) (৪) অনুযায়ী চাকরি থেকে ‘বরখাস্তকরণ’ গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মতামতের জন্য পাঠানো হয়।
গত ৫ জুন অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্টের জিএ কমিটি সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করে। এরপর বিষয়টি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায়।

শিক্ষা ছুটিতে গিয়ে ফিরে না আসায় চাকরি হারালেন যুগ্ম জেলা জজ কানিজ ফাতেমা। আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে অবসরকালীন কোনো সুবিধা পাবেন না এই বিচারক।
ফুলকোর্ট সভায় ১৯৬ জনকে সহকারী জজ থেকে সিনিয়র সহকারী জজ হিসেবে আইন মন্ত্রণালয়ের পদোন্নতির সুপারিশও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সভায় হাইকোর্ট বিভাগের সব বিচারপতি উপস্থিত ছিলেন। ফুলকোর্ট সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
জানা যায়, শিক্ষা ছুটি নিয়ে তিন বছর এক মাসের জন্য অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন যুগ্ম জেলা জজ কানিজ ফাতেমা। ২০১৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সরকার তাঁর ছুটি মঞ্জুর করে। পরবর্তীতে তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছুটির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়। ওই ছুটি শেষ হলে তিনি আবার ছুটির আবেদন করেন। তবে এবার তা নামঞ্জুর করে তাঁকে ১৫ দিনের মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
যুগ্ম জেলা জজ কানিজ ফাতেমা নির্দেশনা অমান্য করে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করতে থাকেন। ছুটি ছাড়া সেখানে অবস্থানের দুই মাস পর তাঁর কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয় আইন মন্ত্রণালয় থেকে। এর জবাবও দেন ওই বিচারক। তবে ওই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হলে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে তাঁর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও সার্ভিস ত্যাগের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করে মন্ত্রণালয়। মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করতে মতামত চেয়ে চিঠি দেওয়া হলে তাতে একমত পোষণ করেন সুপ্রিম কোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অনুযায়ী তদন্তের জন্য উপসচিব একেএম এমদাদুল হককে দায়িত্ব দেয় মন্ত্রণালয়। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দিলে বিচারক কানিজ ফাতেমার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘সার্ভিস ত্যাগ’ এর দায়ে বিধি ১৬ (খ) (৪) অনুযায়ী চাকরি থেকে ‘বরখাস্তকরণ’ গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মতামতের জন্য পাঠানো হয়।
গত ৫ জুন অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্টের জিএ কমিটি সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করে। এরপর বিষয়টি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
২ ঘণ্টা আগে
দুদক জানিয়েছে, সাতজন নিম্ন আয়ের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে একটি চক্র। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তা করেন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামানের ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান
৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা আগের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় দেওয়া হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। অভিযোগসংশ্লিষ্ট মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন।
৪ ঘণ্টা আগে