
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে তথ্য চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংক, সাব রেজিস্ট্রি, পাসপোর্ট, নির্বাচন কমিশনসহ অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে।
দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত রোববার এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। এর পরের দিন গতকাল সোমবার সংস্থাটির উপপরিচালক জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
দুদক সূত্রে জানা যায়, পুলিশের এই প্রভাবশালী কর্মকর্তা নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে হাজার কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার ও সিঙ্গাপুরেও অর্থ পাচারের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন।
সূত্রটি আরও জানায়, হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি। সাবেক এই ডিবিপ্রধান হারুন কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের হোসেনপুর নিজ গ্রামে ৪০ একর জায়গাজুড়ে গড়ে তুলেছেন ‘প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট’। শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রিসোর্টের মালিকানা হিসেবে দেখান তাঁর ছোট ভাই ডা. শাহরিয়ারকে।
আরও পড়ুন–

প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ৭ অক্টোবর দিবাগত রাত ১২টা থেকে শুরু হচ্ছে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। তবে নদীতে জেলেদের মাছ ধরা ঠেকাতে এবার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক দল ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রশাসনিক অভিযান যতই জোরদার হোক, স্থানীয় রাজনৈতিক সমর্থন না
২ ঘণ্টা আগে
দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বাড়াতে যাত্রীবাহী ক্যারেজের তুলনায় মালবাহী ক্যারেজের সংখ্যা বাড়ানো। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কার্গো রপ্তানির মাধ্যমে রেলের আয় বাড়ানো এবং রেল খাতকে লোকসান থেকে লাভজনক খাতে উন্নীত করার সুপারিশ করেছে কমিটি...
৪ ঘণ্টা আগে
প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতন হলেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানের আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র ধর্মঘটে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ৬৪ বছর পরও তাঁকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য দাবি জানাতে হচ্ছে
৫ ঘণ্টা আগে