
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সারা দেশে শিক্ষা, কর্মসংস্থানসহ মূল সেবাগুলো নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে সরকার ঢাকামুখী স্রোত কমাতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য আবুল কালামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকামুখী স্রোত কমাতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার কাজ করছে। একই সঙ্গে চেষ্টা করছে দেশের বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা সেবাও গড়ে তুলতে। আমাদের আগামী ভবিষ্যৎ প্রজন্মদের লেখাপড়ার জন্য ধীরে ধীরে ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য কাজ চলছে। এই সুবিধাগুলো যদি আমরা গড়ে তুলতে পারি, তাহলে মানুষ ঢাকা শহরে আসার জন্য কম উৎসাহিত হবে। ধীরে ধীরে ঢাকার ওপরে চাপ কমাতে সক্ষম হব।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেশের সব সুযোগ-সুবিধা ঢাকাকেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে। সে কারণে স্বাভাবিকভাবে সারা দেশ থেকে মানুষ ঢাকামুখী হয়ে থাকে। সেটি কর্মসংস্থানের সুবিধার জন্য হোক, সন্তানদের লেখাপড়ার জন্যই হোক, পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্যই।’
তিস্তার নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে গাইবান্ধা–১ এর সংসদ সদস্য মাজেদুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ইতিমধ্যে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত করেছে। ওই সমীক্ষার প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং কাজ বাস্তবায়নের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক বিষয়সমূহ বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা–নিরীক্ষাধীন রয়েছে। পরীক্ষা–নিরীক্ষার কার্যক্রম শেষে কারিগরি দিক থেকে বিষয়টি ইতিবাচক হলে কাজটি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা টাকা ছাপিয়ে দেব না। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া ব্যক্তিদের কেউ বলছেন জামা-কাপড় কিনবেন, কেউ বলছেন বাচ্চাদের জন্য বই কিনবেন। যে মানুষগুলো পাচ্ছে তারা ব্র্যান্ডের জিনিস ব্যবহার করে না। তারা প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবহার করে।’
১৮ মিনিট আগে
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এই চুক্তিতে অনেকগুলো ধারা আছে যেটা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। সুতরাং নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে তখন যেন এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু আনফরচুনেটলি আমরা দেখলাম যে, না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শোনে নাই এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।’
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর অপেক্ষা বাড়ছে। সরকার ডিসেম্বরকে লক্ষ্য ধরে এগোলেও পরিচালনা চুক্তি সম্পাদন ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে টার্মিনালটি চালু হতে আরও অন্তত এক বছর লাগবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশ গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতায় নীতিনির্ধারণে অনেক উন্নত দেশের মতো পরিপক্ব হতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
১৭ ঘণ্টা আগে