নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ভারতসহ আট দেশে বাংলাদেশিদের ভ্রমণ এবং এ দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এমনকি এ সময়ে এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় চলমান ফ্লাইটগুলোও বাতিল করা হয়েছে। আজ সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
বেবিচক জানায়, আজ সোমবার থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে। বতসোয়ানা, ভারত, মঙ্গোলিয়া, নামিবিয়া, নেপাল, পানামা, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তিউনিসিয়া ভ্রমণের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এ দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে কোনো নাগরিক প্রবেশ করতে পারবে না। শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিরা ও অনাবাসী নাগরিকেরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে। তবে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য এসব বাংলাদেশিদের বিশেষ অনুমতিপত্র থাকতে হবে। বাংলাদেশে আসার পর বাংলাদেশিদের অবশ্যই নিজ খরচে সরকার মনোনীত হোটেলে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। বাংলাদেশি নাগরিকদের উড়োজাহাজের বোর্ডিং পাস দেওয়ার আগে তাঁদের হোটেল বুকিংয়ের প্রমাণ যাচাই করতে উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কলাম্বিয়া, কোস্টারিকা, জর্জিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য এবং উরুগুয়ের কোনো নাগরিক যদি বতসোয়ানা, ভারত, মঙ্গোলিয়া, নামিবিয়া, নেপাল, পানামা, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তিউনিসিয়া হয়ে বাংলাদেশে ট্রানজিট নিয়ে অন্য গন্তব্যে যেতে চায়, তবে তা অনুমোদন করবে সরকার। তবে সেই সব যাত্রীদের অবশ্যই বিমানবন্দরের ভেতরেই থাকতে হবে।
এ ছাড়া আরও ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশ প্রবেশে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কলাম্বিয়া, কোস্টারিকা, জর্জিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য এবং উরুগুয়ের বাংলাদেশ থেকে ভ্রমণে কোনো বাঁধা নেই। নাগরিকদের টিকা নেওয়া না থাকলে বাংলাদেশে প্রবেশের সময়ে অবশ্যই নিজ খরচে সরকারের মনোনীত হোটেলে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে ভ্রমণের সময়ে উড়োজাহাজের বোর্ডিং পাস দেওয়ার আগে তাঁদের হোটেল বুকিংয়ের প্রমাণ যাচাই করতে উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। টিকা নেওয়া থাকলে নিজ বাসায় বা হোটেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। তবে তাঁদের যদি করোনার লক্ষণ পাওয়া যায় তবে অবশ্যই নিজ খরচে সরকার মনোনীত স্থানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে সম্পন্ন করতে হবে।
এর বাইরে বাকি দেশগুলোর যাত্রীদের নিজ বাসায় ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। তবে যদি যাত্রীদের মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে সরকার মনোনীত হাসপাতালে আরও পরীক্ষা ও সরকার মনোনীত স্থাপনায় নিজ খরচে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। বাংলাদেশে ভ্রমণের সময়ে ১০ বছরের শিশু ছাড়া সকল যাত্রীদের অবশ্যই পিসিআর পরীক্ষার মাধ্যমে করোনার নেগেটিভ সার্টিফিকেট আনতে হবে। আর এ পরীক্ষা ভ্রমণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হতে হবে। কূটনৈতিক বা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা নিজ বাসায় কোয়ারেন্টাইনে থাকবে। সকল ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ও নিজ বাসায় কোয়ারেন্টাইন স্থানীয় প্রশাসক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চিত করবে।

ভারতসহ আট দেশে বাংলাদেশিদের ভ্রমণ এবং এ দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এমনকি এ সময়ে এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় চলমান ফ্লাইটগুলোও বাতিল করা হয়েছে। আজ সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
বেবিচক জানায়, আজ সোমবার থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে। বতসোয়ানা, ভারত, মঙ্গোলিয়া, নামিবিয়া, নেপাল, পানামা, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তিউনিসিয়া ভ্রমণের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এ দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে কোনো নাগরিক প্রবেশ করতে পারবে না। শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিরা ও অনাবাসী নাগরিকেরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে। তবে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য এসব বাংলাদেশিদের বিশেষ অনুমতিপত্র থাকতে হবে। বাংলাদেশে আসার পর বাংলাদেশিদের অবশ্যই নিজ খরচে সরকার মনোনীত হোটেলে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। বাংলাদেশি নাগরিকদের উড়োজাহাজের বোর্ডিং পাস দেওয়ার আগে তাঁদের হোটেল বুকিংয়ের প্রমাণ যাচাই করতে উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কলাম্বিয়া, কোস্টারিকা, জর্জিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য এবং উরুগুয়ের কোনো নাগরিক যদি বতসোয়ানা, ভারত, মঙ্গোলিয়া, নামিবিয়া, নেপাল, পানামা, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তিউনিসিয়া হয়ে বাংলাদেশে ট্রানজিট নিয়ে অন্য গন্তব্যে যেতে চায়, তবে তা অনুমোদন করবে সরকার। তবে সেই সব যাত্রীদের অবশ্যই বিমানবন্দরের ভেতরেই থাকতে হবে।
এ ছাড়া আরও ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশ প্রবেশে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কলাম্বিয়া, কোস্টারিকা, জর্জিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য এবং উরুগুয়ের বাংলাদেশ থেকে ভ্রমণে কোনো বাঁধা নেই। নাগরিকদের টিকা নেওয়া না থাকলে বাংলাদেশে প্রবেশের সময়ে অবশ্যই নিজ খরচে সরকারের মনোনীত হোটেলে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে ভ্রমণের সময়ে উড়োজাহাজের বোর্ডিং পাস দেওয়ার আগে তাঁদের হোটেল বুকিংয়ের প্রমাণ যাচাই করতে উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। টিকা নেওয়া থাকলে নিজ বাসায় বা হোটেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। তবে তাঁদের যদি করোনার লক্ষণ পাওয়া যায় তবে অবশ্যই নিজ খরচে সরকার মনোনীত স্থানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে সম্পন্ন করতে হবে।
এর বাইরে বাকি দেশগুলোর যাত্রীদের নিজ বাসায় ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। তবে যদি যাত্রীদের মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে সরকার মনোনীত হাসপাতালে আরও পরীক্ষা ও সরকার মনোনীত স্থাপনায় নিজ খরচে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। বাংলাদেশে ভ্রমণের সময়ে ১০ বছরের শিশু ছাড়া সকল যাত্রীদের অবশ্যই পিসিআর পরীক্ষার মাধ্যমে করোনার নেগেটিভ সার্টিফিকেট আনতে হবে। আর এ পরীক্ষা ভ্রমণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হতে হবে। কূটনৈতিক বা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা নিজ বাসায় কোয়ারেন্টাইনে থাকবে। সকল ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ও নিজ বাসায় কোয়ারেন্টাইন স্থানীয় প্রশাসক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চিত করবে।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
৫ ঘণ্টা আগে