নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আসন্ন ঢাকা-১৭ উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা জানাতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শুক্রবার সকালে আগারগাঁওয়ের ইটিআই ভবনে ঢাকা-১৭ উপনির্বাচনের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের ব্রিফিং অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা।
প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ভোটের দিন পরিবেশটা যেন ভালো থাকে। ভোটাররা যাতে এসে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন। ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের পরিবেশ তৈরি করে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার। নিরাপত্তার কোনো অভাব থাকবে না। আপনারা সাহসিকতা নিয়ে দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করবেন। আমাদের দেশ, বহির্বিশ্ব, আন্তর্জাতিক বিশ্ব সবাই জানুক যে আমরা একটি সুন্দর নির্বাচন করতে পারি।’
কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ, নির্মোহ ও নির্লিপ্ত থেকে সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর ভোট। একটা কথা মনে রাখবেন—একটা খেলার মাঠ, মাঠে অনেক প্লেয়ার। যার যা দায়িত্ব তা পালন করতে হবে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করব। আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করবেন। সবকিছু যখন সমন্বয় হয়ে যাবে। তখন দেখবেন কাজ সহজ হয়ে গেছে।’
এই নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘ভোট সুন্দর হলে তার সমস্ত ক্রেডিট হবে যারা মাঠে কাজ করছেন। আর সামান্য কিছু ডিসক্রেডিট যদি থেকে থাকে, সেটি আমরা মাথায় নিয়ে নেব। আপনারা ঠিকমতো কাজ করবেন। দেখবেন আপনাদের সঙ্গে আমরাও সার্থক হয়ে গেছি।’
ভোট সুষ্ঠু করতে প্রার্থী, সমর্থক, ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আপনাদের কী বার্তা থাকবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি রাশেদা বলেন, ‘আমাদের বার্তা একটাই—সততা, নিরপেক্ষতা, আন্তরিকতা, পেশাদারি মনোভাব নিয়ে যার যেটুকু দায়িত্ব তা পালন করবেন। যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর, নির্বাচন করতে পারি। একটা আনন্দঘন পরিবেশে নির্বাচনটা করতে পারি। যেই নির্বাচনে ভোটার আসবেন, তাঁর পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে চলে যাবেন। তাঁকে কেউ বাধা দেবে না। এ টুকুই চাওয়া।’
অনুষ্ঠানে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ুন কবীর, ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম, ঢাকার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুনীর হোসাইন খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচন ১৭ জুলাই ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া নির্বাচন ভবন থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য কেন্দ্রে কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা।
এই উপনির্বাচনে আটজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আরাফাত (নৌকা), জাতীয় পার্টির সিকদার আনিসুর রহমান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. রেজাউল ইসলাম স্বপন (ডাব), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আকতার হোসেন (ছড়ি), জাকের পার্টির কাজী মো. রাশিদুল হাসান (গোলাপ ফুল), তৃণমূল বিএনপির শেখ হাবিবুর রহমান (সোনালী আঁশ), আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম (একতারা) ও মো. তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া (ট্রাক)।
গত ১৫ মে চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠানের (ফারুক) মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য হয়।

আসন্ন ঢাকা-১৭ উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা জানাতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শুক্রবার সকালে আগারগাঁওয়ের ইটিআই ভবনে ঢাকা-১৭ উপনির্বাচনের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের ব্রিফিং অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা।
প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ভোটের দিন পরিবেশটা যেন ভালো থাকে। ভোটাররা যাতে এসে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন। ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের পরিবেশ তৈরি করে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার। নিরাপত্তার কোনো অভাব থাকবে না। আপনারা সাহসিকতা নিয়ে দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করবেন। আমাদের দেশ, বহির্বিশ্ব, আন্তর্জাতিক বিশ্ব সবাই জানুক যে আমরা একটি সুন্দর নির্বাচন করতে পারি।’
কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ, নির্মোহ ও নির্লিপ্ত থেকে সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর ভোট। একটা কথা মনে রাখবেন—একটা খেলার মাঠ, মাঠে অনেক প্লেয়ার। যার যা দায়িত্ব তা পালন করতে হবে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করব। আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করবেন। সবকিছু যখন সমন্বয় হয়ে যাবে। তখন দেখবেন কাজ সহজ হয়ে গেছে।’
এই নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘ভোট সুন্দর হলে তার সমস্ত ক্রেডিট হবে যারা মাঠে কাজ করছেন। আর সামান্য কিছু ডিসক্রেডিট যদি থেকে থাকে, সেটি আমরা মাথায় নিয়ে নেব। আপনারা ঠিকমতো কাজ করবেন। দেখবেন আপনাদের সঙ্গে আমরাও সার্থক হয়ে গেছি।’
ভোট সুষ্ঠু করতে প্রার্থী, সমর্থক, ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আপনাদের কী বার্তা থাকবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি রাশেদা বলেন, ‘আমাদের বার্তা একটাই—সততা, নিরপেক্ষতা, আন্তরিকতা, পেশাদারি মনোভাব নিয়ে যার যেটুকু দায়িত্ব তা পালন করবেন। যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর, নির্বাচন করতে পারি। একটা আনন্দঘন পরিবেশে নির্বাচনটা করতে পারি। যেই নির্বাচনে ভোটার আসবেন, তাঁর পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে চলে যাবেন। তাঁকে কেউ বাধা দেবে না। এ টুকুই চাওয়া।’
অনুষ্ঠানে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ুন কবীর, ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম, ঢাকার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুনীর হোসাইন খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচন ১৭ জুলাই ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া নির্বাচন ভবন থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য কেন্দ্রে কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা।
এই উপনির্বাচনে আটজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আরাফাত (নৌকা), জাতীয় পার্টির সিকদার আনিসুর রহমান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. রেজাউল ইসলাম স্বপন (ডাব), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আকতার হোসেন (ছড়ি), জাকের পার্টির কাজী মো. রাশিদুল হাসান (গোলাপ ফুল), তৃণমূল বিএনপির শেখ হাবিবুর রহমান (সোনালী আঁশ), আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম (একতারা) ও মো. তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া (ট্রাক)।
গত ১৫ মে চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠানের (ফারুক) মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য হয়।

নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
১০ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন...
১১ ঘণ্টা আগে