বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

বিদ্যুতের অতিরিক্ত ব্যবহার হলে নির্দিষ্ট লাইনে লোডশেডিং কার্যকর করা হবে এবং আগেই গ্রাহকদের জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি আরও বলেন, লোডশেডিং শুরু হলে তা তাঁর নিজ বাসা থেকেই কার্যকর হবে।
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এ তথ্য জানান।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, ‘যেসব লাইনে বিদ্যুতের ব্যবহার অতিরিক্ত বেড়ে যাবে, সেখানে লোডশেডিং করব। বাধ্য হয়ে যদি লোডশেডিং করতে হয়, তাহলে আগেই জানিয়ে দেব। শহর ও গ্রামের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না। কেপিআই বাদ দিয়ে সমানভাবে লোডশেডিং করব। লোডশেডিং শুরু হলে আমার বাসা থেকে শুরু হবে।’
উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী গ্রীষ্ম মৌসুমে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রায় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) চালানো যাবে না। যদি কেউ সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে কম তাপমাত্রায় এসি চালায়; তাহলে সেই প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা ব্যক্তির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।’
ফাওজুল কবির বলেন, শীত মৌসুমে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে ৯ হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু গ্রীষ্মে চাহিদা বেড়ে ১৭ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াট হয়ে যায়।
ফাওজুল কবির বলেন, ‘দুটো কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। একটি হচ্ছে সেচ। সেচে ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে। এটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সেটা আমরা দিতে চাই। এর বাইরে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে শুধু শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালানোয়। এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রির ওপরে রাখলে ২-৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারব।’
বিদ্যুৎ উপদেষ্টা বলেন, ‘এসি এখন শুধু শহরে নয়, গ্রাম পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়। অনেকে সোয়েটার, কোট পরে এসি চালায়। আমাদের দেশে এত কম তাপমাত্রার দরকার নেই।’
তিনি বলেন, এ জন্য এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটা বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণ কোম্পানিগুলো মনিটরিং টিম গঠন করবে।

বিদ্যুতের অতিরিক্ত ব্যবহার হলে নির্দিষ্ট লাইনে লোডশেডিং কার্যকর করা হবে এবং আগেই গ্রাহকদের জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি আরও বলেন, লোডশেডিং শুরু হলে তা তাঁর নিজ বাসা থেকেই কার্যকর হবে।
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এ তথ্য জানান।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, ‘যেসব লাইনে বিদ্যুতের ব্যবহার অতিরিক্ত বেড়ে যাবে, সেখানে লোডশেডিং করব। বাধ্য হয়ে যদি লোডশেডিং করতে হয়, তাহলে আগেই জানিয়ে দেব। শহর ও গ্রামের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না। কেপিআই বাদ দিয়ে সমানভাবে লোডশেডিং করব। লোডশেডিং শুরু হলে আমার বাসা থেকে শুরু হবে।’
উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী গ্রীষ্ম মৌসুমে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রায় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) চালানো যাবে না। যদি কেউ সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে কম তাপমাত্রায় এসি চালায়; তাহলে সেই প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা ব্যক্তির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।’
ফাওজুল কবির বলেন, শীত মৌসুমে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে ৯ হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু গ্রীষ্মে চাহিদা বেড়ে ১৭ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াট হয়ে যায়।
ফাওজুল কবির বলেন, ‘দুটো কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। একটি হচ্ছে সেচ। সেচে ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে। এটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সেটা আমরা দিতে চাই। এর বাইরে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে শুধু শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালানোয়। এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রির ওপরে রাখলে ২-৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারব।’
বিদ্যুৎ উপদেষ্টা বলেন, ‘এসি এখন শুধু শহরে নয়, গ্রাম পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়। অনেকে সোয়েটার, কোট পরে এসি চালায়। আমাদের দেশে এত কম তাপমাত্রার দরকার নেই।’
তিনি বলেন, এ জন্য এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটা বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণ কোম্পানিগুলো মনিটরিং টিম গঠন করবে।

যমুনা নদীর ওপর বর্তমানে চার লেনের একটি বড় সেতু চালু রয়েছে, যা দেশের উত্তর-দক্ষিণ সংযোগের প্রধান করিডর। এ ছাড়া রেল যোগাযোগের জন্য নতুন করে নির্মিত হয়েছে আলাদা রেলসেতু। এর পরও ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপের পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যতের বিবেচনায় এবার নদীটিতে আরেকটি সড়কসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ...
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া প্রার্থীদের অধিকাংশই উচ্চ শিক্ষিত। এর মধ্যে শতাংশের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির ৯৪ শতাংশ প্রার্থী স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। বিএনপিতে এই হার ৮১ শতাংশের মতো।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫ অনুমোদন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের অনুষ্ঠিত সভায় অধ্যাদেশটি অনুমোদিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ‘নতুন উদ্ভাবন ও দৃষ্টান্ত স্থাপন’ করবে বলে মনে করছে ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ)। সিডিএফের মতে, এ ধরনের ব্যাংক হলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোর ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।
১১ ঘণ্টা আগে