নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো ধরনের বিরোধ বা মুখোমুখি অবস্থান নেই বলে জানিয়েছেন সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাঁরা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার ও সেনাবাহিনী একসঙ্গে কাজ করছে।
আজ সোমবার ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে একথা বলেন সেনাসদরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ দৌলা। তিনি বলেন, ‘সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তথ্য প্রচারিত হচ্ছে, তা সত্য নয়।’
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজিম উদ দৌলা আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনী সব সময় দেশের সার্বভৌমত্ব, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। সরকারের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে এবং আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করছি।’
চট্টগ্রাম বন্দর ও করিডর নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে নাজিম উদ দৌলা বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়—এমন কোনো বিষয়ে সেনাবাহিনী কখনোই সম্পৃক্ত হবে না। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে সেনাবাহিনী কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না।’
এদিকে নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেনাসদরের কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা গ্রহণ করবে—এমন গুজবের কোনো ভিত্তি নেই। সেনাবাহিনীর ক্ষমতা নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই, এমনকি এ বিষয়ে আমাদের অভ্যন্তরেও কোনো আলোচনা হয়নি।’
সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তারা মাসজুড়ে মাঠে সেনাবাহিনীর নানা কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন।
আরও খবর পড়ুন:

সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো ধরনের বিরোধ বা মুখোমুখি অবস্থান নেই বলে জানিয়েছেন সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাঁরা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার ও সেনাবাহিনী একসঙ্গে কাজ করছে।
আজ সোমবার ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে একথা বলেন সেনাসদরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ দৌলা। তিনি বলেন, ‘সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তথ্য প্রচারিত হচ্ছে, তা সত্য নয়।’
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজিম উদ দৌলা আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনী সব সময় দেশের সার্বভৌমত্ব, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। সরকারের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে এবং আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করছি।’
চট্টগ্রাম বন্দর ও করিডর নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে নাজিম উদ দৌলা বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়—এমন কোনো বিষয়ে সেনাবাহিনী কখনোই সম্পৃক্ত হবে না। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে সেনাবাহিনী কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না।’
এদিকে নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেনাসদরের কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা গ্রহণ করবে—এমন গুজবের কোনো ভিত্তি নেই। সেনাবাহিনীর ক্ষমতা নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই, এমনকি এ বিষয়ে আমাদের অভ্যন্তরেও কোনো আলোচনা হয়নি।’
সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তারা মাসজুড়ে মাঠে সেনাবাহিনীর নানা কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন।
আরও খবর পড়ুন:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৫ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে