নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আদালতের কার্যক্রম চলাকালে এক আইনজীবীর সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগের এক বিচারপতির কথা নিয়ে হট্টগোল হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় আইনজীবীদের পক্ষ থেকে। পরে ওই বেঞ্চ পুনর্গঠন করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
আদালতে উপস্থিত একাধিক আইনজীবী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের বেঞ্চে ওই ঘটনা ঘটে। আজ বেলা ১১টার পর আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে আইনজীবীরা তাঁদের নিজ নিজ মামলা উল্লেখ করছিলেন। তখন শতাধিক আসামি আগাম জামিনের আবেদন শুনানির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় ব্যারিস্টার আশরাফ রহমান মামলার কার্যতালিকা তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ করেন। এতে রাগান্বিত হয়ে অশালীন মন্তব্য করেন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি। পরে কোনো শুনানি না করে এজলাস ত্যাগ করেন দুই বিচারপতি।
ওই ঘটনায় প্রধান বিচারপতি বরাবর আইনজীবীদের দেওয়া লিখিত অভিযোগে বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের মূল ভবনের ৭ নং বেঞ্চে (ভ্যাকেশন এখতিয়ারাধীন) শুরু থেকেই মামলার কার্যতালিকা তৈরি ও শুনানিতে ব্যাপক অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়। বিষয়গুলো নিরসনের জন্য আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আদালতকে অবহিত করার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি।
অভিযোগে বলা হয়, আজ মঙ্গলবার মেনশনের সময় আইনজীবীরা ও আইনজীবীদের পক্ষে ব্যারিস্টার আশরাফ রহমান বিষয়টি আদালতের দৃষ্টি গোচর করেন। তিনি আদালতকে বলেন, ‘মাননীয় আদালত, আপনার আদালতের বেঞ্চ অফিসাররা অনিয়ম করে সকল জমাকৃত মামলা ঠিকমতো দৈনিক কার্যতালিকায় দেয়নি। এতে অসংখ্য আইনজীবী বঞ্চিত হয়েছেন।’ এর জবাবে বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান আইনজীবীকে ক্ষিপ্ত হয়ে হাত উঁচিয়ে বলেন, ‘আমি বারের নেতা ছিলাম। তোমাকে কে সাহস দিছে আমার আদালতের বিরুদ্ধে কথা বলতে? আমার এজলাস থেকে বের হও, বেয়াদব, তোকে থাপ্পড় দিয়ে পুলিশে দিব।’
ওই বেঞ্চে দায়িত্বরত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (মাসুদ) আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোর্ট বসার পর সিনিয়র আইনজীবীরা মামলা মেনশন করছিলেন। এ সময় একজন আইনজীবী (ব্যারিস্টার আশরাফ) বলেন, যে মামলাগুলো তালিকায় আছে তার অনেকগুলো টাকার বিনিময়ে এসেছে। এ সময় আদালত রাগান্বিত হন এবং যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন সেটি ঠিক হয়নি। ওই সময় অন্য আইনজীবীরা তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যেও হট্টগোল হয়। পরে আদালত এজলাস ত্যাগ করেন।’
আদালতে ওই সময় উপস্থিত থাকা আইনজীবী মো. উজ্জ্বল হোসেন বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যা ঘটেছে সেটি সত্য। বিচারপতি আইনজীবীকে থাপ্পড় দেওয়ার কথা বলেছেন। তখন আইনজীবীরা তাৎক্ষণিক বিষয়টির প্রতিবাদ করেন। পরে আদালত কোনো মামলা না শুনে নেমে যান।

আদালতের কার্যক্রম চলাকালে এক আইনজীবীর সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগের এক বিচারপতির কথা নিয়ে হট্টগোল হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় আইনজীবীদের পক্ষ থেকে। পরে ওই বেঞ্চ পুনর্গঠন করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
আদালতে উপস্থিত একাধিক আইনজীবী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের বেঞ্চে ওই ঘটনা ঘটে। আজ বেলা ১১টার পর আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে আইনজীবীরা তাঁদের নিজ নিজ মামলা উল্লেখ করছিলেন। তখন শতাধিক আসামি আগাম জামিনের আবেদন শুনানির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় ব্যারিস্টার আশরাফ রহমান মামলার কার্যতালিকা তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ করেন। এতে রাগান্বিত হয়ে অশালীন মন্তব্য করেন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি। পরে কোনো শুনানি না করে এজলাস ত্যাগ করেন দুই বিচারপতি।
ওই ঘটনায় প্রধান বিচারপতি বরাবর আইনজীবীদের দেওয়া লিখিত অভিযোগে বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের মূল ভবনের ৭ নং বেঞ্চে (ভ্যাকেশন এখতিয়ারাধীন) শুরু থেকেই মামলার কার্যতালিকা তৈরি ও শুনানিতে ব্যাপক অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়। বিষয়গুলো নিরসনের জন্য আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আদালতকে অবহিত করার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি।
অভিযোগে বলা হয়, আজ মঙ্গলবার মেনশনের সময় আইনজীবীরা ও আইনজীবীদের পক্ষে ব্যারিস্টার আশরাফ রহমান বিষয়টি আদালতের দৃষ্টি গোচর করেন। তিনি আদালতকে বলেন, ‘মাননীয় আদালত, আপনার আদালতের বেঞ্চ অফিসাররা অনিয়ম করে সকল জমাকৃত মামলা ঠিকমতো দৈনিক কার্যতালিকায় দেয়নি। এতে অসংখ্য আইনজীবী বঞ্চিত হয়েছেন।’ এর জবাবে বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান আইনজীবীকে ক্ষিপ্ত হয়ে হাত উঁচিয়ে বলেন, ‘আমি বারের নেতা ছিলাম। তোমাকে কে সাহস দিছে আমার আদালতের বিরুদ্ধে কথা বলতে? আমার এজলাস থেকে বের হও, বেয়াদব, তোকে থাপ্পড় দিয়ে পুলিশে দিব।’
ওই বেঞ্চে দায়িত্বরত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (মাসুদ) আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোর্ট বসার পর সিনিয়র আইনজীবীরা মামলা মেনশন করছিলেন। এ সময় একজন আইনজীবী (ব্যারিস্টার আশরাফ) বলেন, যে মামলাগুলো তালিকায় আছে তার অনেকগুলো টাকার বিনিময়ে এসেছে। এ সময় আদালত রাগান্বিত হন এবং যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন সেটি ঠিক হয়নি। ওই সময় অন্য আইনজীবীরা তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যেও হট্টগোল হয়। পরে আদালত এজলাস ত্যাগ করেন।’
আদালতে ওই সময় উপস্থিত থাকা আইনজীবী মো. উজ্জ্বল হোসেন বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যা ঘটেছে সেটি সত্য। বিচারপতি আইনজীবীকে থাপ্পড় দেওয়ার কথা বলেছেন। তখন আইনজীবীরা তাৎক্ষণিক বিষয়টির প্রতিবাদ করেন। পরে আদালত কোনো মামলা না শুনে নেমে যান।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে সারা দেশে প্রচার চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই প্রচার যেন নামকাওয়াস্তে। প্রচারকাজে অংশ নেওয়া ভোটের গাড়ি সুপার ক্যারাভান শুধু শহর এলাকাতেই ঘুরছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসব গাড়ি না যাওয়ায় বেশির ভাগ ভোটার এই প্রচারণার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১২২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। মঙ্গলবার ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মাইনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বক্তারা। তাঁদের মতে, এই ঝুঁকি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ, সক্ষমতা—এমনকি সদিচ্ছারও ঘাটতি স্পষ্ট।
৮ ঘণ্টা আগে
শুনানি শেষে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
৯ ঘণ্টা আগে