জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় শহীদ হওয়া মিরাজ হোসেনের বাবা আব্দুর রব (৫২) মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন। আজ সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি করেন।
আব্দুর রব বলেন, ‘আমি শহীদ মিরাজের বাবা, যাত্রাবাড়ী থেকে এসেছি। যে তিনজনের রায় দেওয়া হবে, তাদের আমি ফাঁসি দেওয়া দাবি করে যাচ্ছি। আমি একটি ব্যানারও এনেছি শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে, জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে। আমরা সর্বোচ্চ ফাঁসির রায় চাচ্ছি।’
আব্দুর রব আরও বলেন, ‘ফাঁসি দিলেও আমরা শান্তি পাব না। কারণ, উনি (শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল) তো একেবারে চলে যাবেন, আমার সন্তান, যাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, যারা হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছে, চিকিৎসা পাচ্ছে না, সেই ফ্যামিলিগুলোর কী হবে? তাদের যে কষ্ট, সেই কষ্ট তো উনি পাবে না।’
এ সময় তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানান, যারা আগামী দিনে ক্ষমতায় আসবে, তারা যেন জনগণের বিষয়টি মাথায় রাখে, যারা বেকার তরুণ-যুবক আছে, তাদের বিষয়টি মাথায় রাখে এবং কেউই যেন হাসিনার মতো হয়ে না ওঠে।
উল্লেখ্য, পেশায় একটি দোকানের ম্যানেজার মিরাজ হোসেন গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন বেলা আনুমানিক পৌনে ১টার দিকে গুলিবিদ্ধ হয়ে যাত্রাবাড়ী থানাসংলগ্ন এলাকায় শহীদ হন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (পিসিসিআই) নেতারা। পিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. ফোরকান রেজা বিশ্বাস বাদশার নেতৃত্বে সংগঠনটির একটি প্রতিনিধিদল পাবনা সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
৭ মিনিট আগে
বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ও স্যাটেলাইট খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী ফ্রান্স। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে। আজ সোমবার
২৮ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামছুল ইসলামের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ সোমবার ঢাকা সেনানিবাসের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে তাঁর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
২৯ মিনিট আগে
এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার হতে ৬টি ধাপে আট লাখ ২৯ হাজার ৩৬ জন রোহিঙ্গার তথ্য মিয়ানমার সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ তিন লাখ ৫৪ হাজার ৭৫১ জনের (জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) তথ্য যাচাই করা হয়েছে।
৩১ মিনিট আগে