
বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি অন্যতম প্রধান বিমান চলাচল কেন্দ্র বা ‘এভিয়েশন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা (সিভিল এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান) প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
আজ রোববার রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সিভিল এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যানিং ওভারভিউ’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বিমানবন্দরগুলোর অবকাঠামো আধুনিকায়ন, যাত্রী ও কার্গো পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক বিমান চলাচল কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে দীর্ঘমেয়াদি ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনার কোনো বিকল্প নেই।
আফরোজা খানম বলেন, ‘দেশের বিমান চলাচল খাত আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরে ঠিক কোথায় পৌঁছাবে, সেই রূপরেখা এই মহাপরিকল্পনায় তুলে ধরা হবে।’
বিমান চলাচল খাতকে জাতীয় অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে পর্যটনমন্ত্রী আরও বলেন, বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বিমান খাতকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিমান খাতের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনালটি পুরোপুরি চালুর লক্ষ্যে কাজ চলছে।
একই সঙ্গে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচালনার প্রস্তুতিও এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোর আধুনিকায়ন, নতুন বিমান রুট সম্প্রসারণ এবং এভিয়েশন খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপরও জোর দেন তিনি।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার এবং বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারি ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এবার তিনি হলেন রাষ্ট্রের কান্ডারি। দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে গতকাল শুক্রবার শপথ নিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এবার তাঁর নতুন অধ্যায় শুরু হলো বঙ্গভবনের বাসিন্দা হিসেবে।
২ ঘণ্টা আগে
‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় আপনাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছি। রাজনৈতিক জীবন ও নেতৃত্বে আপনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পথ ধরে বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি সফল পর্বের সূচনা এর মাধ্যমে ঘটছে বলে আমার বিশ্বাস।’
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ নেওয়া নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও একটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দপ্তর বদল করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্তির আগেই প্রথমবারের মতো সম্প্রসারিত হলো মন্ত্রিসভা। নতুন করে তিনজন পূর্ণমন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। এ ছাড়া পদোন্নতি পেয়ে একজন প্রতিমন্ত্রী পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে