নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বিএনপির নির্বাচনে আসা প্রয়োজন, সেটি সরকারও চায় বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বরিশাল জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। বরিশাল বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও বরিশাল অঞ্চলের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘২০২৪ সালের জানুয়ারিতে যে জাতীয় নির্বাচন করব, সে বিষয়ে বরিশালের প্রশাসনকে অবহিত করেছি। আমরা তাদের ম্যাসেজ দিয়েছি যে আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করতে চেষ্টা করে যাব। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে এসে ভোট দিতে পারেন, নির্বাচন কমিশন তা নিশ্চিত করতে চায়। সবাই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।’
বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘কোনো দলকে আমরা জোর খাঁটিয়ে আনতে পারব না। আমরা ওনাদের সংলাপে অংশ নিতে চিঠি দিয়েছিলাম। ওনাদের এখনো আমাদের ওপর অনাস্থা রয়েছে। বিএনপির যে আসা প্রয়োজন তা সরকারও চায়।’
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব জাহাংগীর আলম, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ূন কবীর, আইডিইএ প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম।
বিভাগীয় কমিশনার আমিন উল আহসানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) সঞ্জয় কুমার কুন্ডু, জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বিএনপির নির্বাচনে আসা প্রয়োজন, সেটি সরকারও চায় বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বরিশাল জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। বরিশাল বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও বরিশাল অঞ্চলের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘২০২৪ সালের জানুয়ারিতে যে জাতীয় নির্বাচন করব, সে বিষয়ে বরিশালের প্রশাসনকে অবহিত করেছি। আমরা তাদের ম্যাসেজ দিয়েছি যে আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করতে চেষ্টা করে যাব। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে এসে ভোট দিতে পারেন, নির্বাচন কমিশন তা নিশ্চিত করতে চায়। সবাই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।’
বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘কোনো দলকে আমরা জোর খাঁটিয়ে আনতে পারব না। আমরা ওনাদের সংলাপে অংশ নিতে চিঠি দিয়েছিলাম। ওনাদের এখনো আমাদের ওপর অনাস্থা রয়েছে। বিএনপির যে আসা প্রয়োজন তা সরকারও চায়।’
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব জাহাংগীর আলম, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ূন কবীর, আইডিইএ প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম।
বিভাগীয় কমিশনার আমিন উল আহসানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) সঞ্জয় কুমার কুন্ডু, জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলা থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ১১৩ জনের অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ বিষয়ে সম্প্রতি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
৬ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৬ ঘণ্টা আগে