নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: আমলাতন্ত্রের বিকল্প শূন্যতা বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে আয়োজিত 'বিবিএস গ্লোসারি (কনসেপ্টস অ্যান্ড ডেফিনেশন)' শীর্ষক এক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আমলাতন্ত্রের প্রশংসা করে এম এ মান্নান বলেন, 'আমলাতন্ত্রের যে কত প্রয়োজন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমিও এক সময় ছোট খাট আমলা ছিলাম। তবে সকল পর্যায়ে কর্মকর্তাদের উচিত মাঠ পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানো। ইউএনও, ডিসিসহ সকল মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উচিত স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান এমনকি মেম্বারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো।'
পরিকল্পনামন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'কোন তথ্য লুকাবেন না। আপনাদের জরিপে যদি কোন ভয়ংকর কিছু আসে সে ক্ষেত্রে মহাপরিচালক ও সচিবকে জানাবেন। তারা মনে করলে আমাকে জানাবেন। আমি মনে করলে সরকার প্রধানকে জানাব। বর্তমানে হয়তো এক শতাংশ গোপনীয়তা রয়েছে। সেটির প্রতি গণমাধ্যম সম্মান দেখাবে অবশ্যই। ভবিষ্যতে হয়তো সেই এক শতাংশও আর গোপন রাখার প্রয়োজন নাও হতে পারে। সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছ।'
মন্ত্রী আরও বলেন, 'সরকার বিবিএস এর ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে মূল আকর আসে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) থেকে। এ জন্য পরিসংখ্যান ব্যুরোর বিশুদ্ধতা দরকার। আমরা জনগণের পক্ষে কাজ করি। আমলাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। বেশি বেশি প্রশিক্ষণ দিতে হবে।'
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর ডেভেলপমেন্ট অব স্ট্যাটিসটিকস (এনএসডিএস) প্রকল্পের পরিচালক দিলদার হোসেন।
মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী বলেন, 'অনেক জরিপ বা শুমারির ফলাফল নিয়ে বিতর্ক হয়। এতে একেকজন একেক রকম ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন। এসব বিতর্কের অবসান ঘটাবে আজকের প্রকাশনাটি।'
স্বাগত বক্তব্যে বিবিএস মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম বলেন, 'বাংলাদেশের সার্বিক পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়নে ২০১৩ সালে মন্ত্রিপরিষদ কর্তৃক জাতীয় পরিসংখ্যান উন্নয়ন কৌশলপত্র বা ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর দ্যা ডেভেলপমেন্ট অব স্ট্যাটিসটিকস অনুমোদিত হয়। এটা বাস্তবায়নে সহায়তা এবং বিবিএস এর সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৮ সালে "এনএসডিএস ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট" প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।'
প্রকল্প পরিচালক দিলদার হোসেন বলেন, 'প্রকাশনাটিতে কৃষি, শিল্প, পরিবেশ, ব্যবসা, উৎপাদন, সেবা, জিডিপি, মূল্য ও মজুরি, বৈদেশিক বাণিজ্যে, ব্যাংকিং, দারিদ্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, শ্রমশক্তি, জেন্ডার, রেমিট্যান্স, ডেমোগ্রাফি, ফার্টিলিটি, মর্টালিটি, মাইগ্রেশনসহ বিভিন্ন আর্থসামাজিক বিষয়ে ২ হাজার ৪১টি ধারণা ও সংজ্ঞা স্থান পেয়েছে।'
গ্রন্থটির বাংলা অনুবাদ করা এবং তিন বছর পর পর এর হালনাগাদকরণ প্রয়োজন হবে বলে তিনি জানান।

ঢাকা: আমলাতন্ত্রের বিকল্প শূন্যতা বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে আয়োজিত 'বিবিএস গ্লোসারি (কনসেপ্টস অ্যান্ড ডেফিনেশন)' শীর্ষক এক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আমলাতন্ত্রের প্রশংসা করে এম এ মান্নান বলেন, 'আমলাতন্ত্রের যে কত প্রয়োজন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমিও এক সময় ছোট খাট আমলা ছিলাম। তবে সকল পর্যায়ে কর্মকর্তাদের উচিত মাঠ পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানো। ইউএনও, ডিসিসহ সকল মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উচিত স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান এমনকি মেম্বারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো।'
পরিকল্পনামন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'কোন তথ্য লুকাবেন না। আপনাদের জরিপে যদি কোন ভয়ংকর কিছু আসে সে ক্ষেত্রে মহাপরিচালক ও সচিবকে জানাবেন। তারা মনে করলে আমাকে জানাবেন। আমি মনে করলে সরকার প্রধানকে জানাব। বর্তমানে হয়তো এক শতাংশ গোপনীয়তা রয়েছে। সেটির প্রতি গণমাধ্যম সম্মান দেখাবে অবশ্যই। ভবিষ্যতে হয়তো সেই এক শতাংশও আর গোপন রাখার প্রয়োজন নাও হতে পারে। সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছ।'
মন্ত্রী আরও বলেন, 'সরকার বিবিএস এর ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে মূল আকর আসে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) থেকে। এ জন্য পরিসংখ্যান ব্যুরোর বিশুদ্ধতা দরকার। আমরা জনগণের পক্ষে কাজ করি। আমলাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। বেশি বেশি প্রশিক্ষণ দিতে হবে।'
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর ডেভেলপমেন্ট অব স্ট্যাটিসটিকস (এনএসডিএস) প্রকল্পের পরিচালক দিলদার হোসেন।
মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী বলেন, 'অনেক জরিপ বা শুমারির ফলাফল নিয়ে বিতর্ক হয়। এতে একেকজন একেক রকম ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন। এসব বিতর্কের অবসান ঘটাবে আজকের প্রকাশনাটি।'
স্বাগত বক্তব্যে বিবিএস মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম বলেন, 'বাংলাদেশের সার্বিক পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়নে ২০১৩ সালে মন্ত্রিপরিষদ কর্তৃক জাতীয় পরিসংখ্যান উন্নয়ন কৌশলপত্র বা ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর দ্যা ডেভেলপমেন্ট অব স্ট্যাটিসটিকস অনুমোদিত হয়। এটা বাস্তবায়নে সহায়তা এবং বিবিএস এর সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৮ সালে "এনএসডিএস ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট" প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।'
প্রকল্প পরিচালক দিলদার হোসেন বলেন, 'প্রকাশনাটিতে কৃষি, শিল্প, পরিবেশ, ব্যবসা, উৎপাদন, সেবা, জিডিপি, মূল্য ও মজুরি, বৈদেশিক বাণিজ্যে, ব্যাংকিং, দারিদ্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, শ্রমশক্তি, জেন্ডার, রেমিট্যান্স, ডেমোগ্রাফি, ফার্টিলিটি, মর্টালিটি, মাইগ্রেশনসহ বিভিন্ন আর্থসামাজিক বিষয়ে ২ হাজার ৪১টি ধারণা ও সংজ্ঞা স্থান পেয়েছে।'
গ্রন্থটির বাংলা অনুবাদ করা এবং তিন বছর পর পর এর হালনাগাদকরণ প্রয়োজন হবে বলে তিনি জানান।

বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে লোক এনে বিএনএম গঠনের চিন্তা করা হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সংযোজন প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট। কিন্তু এই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু আগেই এ নিয়ে বিতর্ক উঠে গেছে। দেশের বাইরে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় জোর আপত্তি তুলেছে বিএনপি। একই সঙ্গে ব্যালটে প্রতীকের বিন্যাস নিয়েও বিএনপির আপত্তি আছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
৮ ঘণ্টা আগে