
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল শাড়ির কদর বহু যুগ আগেই দেশের সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইলে তৈরি হয় এই শাড়ি, এই জেলার নামেই এর নামকরণ। তবে ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুর আড়াইটায় একটি ফটো কার্ড পোস্ট দিয়ে দাবি করা হয়, টাঙ্গাইল শাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের! ফটো কার্ডটির ক্যাপশনে ইংরেজিতে লেখা হয়, সেরা শিল্পকর্মের ঐতিহ্যবাহী হাতে বোনা টাঙ্গাইল শাড়ির জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এটি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক।
ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের টাঙ্গাইল শাড়ি নিয়ে করা এ পোস্ট ক্ষুব্ধ করেছে বাংলাদেশি নেটিজেনদের। পোস্টটির কমেন্টবক্সে এবং ফেসবুকের ওয়ালে শেয়ার করে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন তাঁরা।
পোস্টটির কমেন্টবক্সে সাইয়িদ আবদুল্লাহ নামে একজন বাংলাদেশি নাগরিক কমেন্ট করে লেখেন, ‘টাঙ্গাইলের শাড়ি পশ্চিমবঙ্গের না বাংলাদেশের? আপনাদের লজ্জা থাকা উচিত।’ মুয়ীদ হাসান তড়িৎ নামে একজন লিখেছেন, ‘টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের, টাঙ্গাইল বাংলাদেশের একটি জেলা। টাঙ্গাইলে আমার জন্ম। আমার দাদি নানি কিংবা তাদের আগের প্রজন্মের মেয়েরা এই শাড়ি পড়েই বড় হয়েছে। আমরা নিজেরাও এর নির্মাণ সাক্ষী। এক দেশের ঐতিহ্য নিজের দেশের নামে চালাবেন না। পারলে নিজেরা কলিকাতা শাড়ি তৈরি করুন।’
আরিফ ইশতিয়াক রাহুল নামে একজন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের জেলা টাঙ্গাইল। টাঙ্গাইলের তাঁতিদের তৈরি শাড়ি টাঙ্গাইলের শাড়ি নামে পরিচিত। এই শাড়ি কীভাবে পশ্চিমবঙ্গের হয়? মিথ্যার একটা সীমা থাকা উচিত।’ হাফটা মুসলিম নামে একজন লিখেছেন, ‘টাঙ্গাইল শাড়ি মানে কে? এটা আগে জানতে হবে, বুঝতে হবে। টাঙ্গাইল শাড়ির নামের, নামকরণ কে? কেন? কোথা থেকে টাঙ্গাইল শাড়ি এসেছে?’
ফ্রান্স প্রবাসী চিত্রশিল্পী জান্নাতুল নাঈম প্রীতি লিখেছেন, ‘তেইশ ঘণ্টা আগে ভারতের কালচারাল মিনিস্ট্রি তাদের অফিশিয়াল পেজে ঘোষণা করেছে-টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বত্ব বা আঞ্চলিক নির্দেশক স্বত্ব এখন ভারতের। এর আগে জামদানিরও অর্ধেক দাবিও তারাই নিয়েছে। এখন এককভাবে টাঙ্গাইল নামের অঞ্চল থাকবে বাংলাদেশে এবং পরিচিত হবে ভারতীয় শাড়ি হিসেবে! অস্ট্রেলিয়ার এক ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের নিবাস লেখা ছিল ভারত, এই জিনিস দেখে আমার ভাই হতভম্ব হয়ে গেছিলো। লেখা বেঙ্গল টাইগার, কিন্তু লোকেশন লেখা ভারত। প্রশ্ন হচ্ছে-কেন? কারণ-অধিকার ছেড়ে দিলে, অন্যেরা এভাবে নিয়েই যায়। যেমন আগের কালে ময়ূর সিংহাসন নিয়ে গেছিলো নাদির শাহ। শুধু সময় বদলেছে, দখলদারিত্ব বহাল আছে।’

এর আগে গত মাসের ৪ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টাঙ্গাইলের শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং নিবন্ধিত হয়েছে উল্লেখ করে একটি টুইটে জানান, পশ্চিমবঙ্গের হাতে বোনা তিনটি শাড়ি, নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানের টাঙ্গাইলের শাড়ি, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের কড়িয়াল ও গারাদ শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং নিবন্ধিত হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮–এর বাংলা সংস্করণে টাঙ্গাইলের শাড়ির জিআই পাওয়া নিয়ে গত ১০ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রতিবেদনে লেখে, টাঙ্গাইল কথাটার উৎপত্তি ওপার বাংলা থেকে। টাঙ্গাইল বর্তমানে বাংলাদেশের একটি জেলার নাম। দেশ স্বাধীন হওয়ার সময় ওপার বাংলার টাঙ্গাইল জেলার বহু মানুষ এপার বাংলায় উদ্বাস্তু হয়ে এসে ঘর বাঁধেন নদিয়ার ফুলিয়াতে। আর বাকিরা পূর্ব বর্ধমানের ধাত্রীগ্রাম ও সমুদ্রগড়ে ঠাঁই নেন। এই এলাকাগুলোতে হস্তচালিত তাঁতে যে শাড়ি তৈরি হয় তা টাঙ্গাইল শাড়ি নামে খ্যাতি লাভ করে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের এই টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই ট্যাগের স্বীকৃতি পেয়েছে। যদিও প্রশংসাপত্র এখনো আসেনি, তা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।
ভারতীয় আরেকটি সংবাদমাধ্যম জি নিউজও টাঙ্গাইলের শাড়িকে নদীয়া ও পূর্ব বর্ধমানের টাঙ্গাইল শাড়ি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল শাড়ির কদর বহু যুগ আগেই দেশের সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইলে তৈরি হয় এই শাড়ি, এই জেলার নামেই এর নামকরণ। তবে ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুর আড়াইটায় একটি ফটো কার্ড পোস্ট দিয়ে দাবি করা হয়, টাঙ্গাইল শাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের! ফটো কার্ডটির ক্যাপশনে ইংরেজিতে লেখা হয়, সেরা শিল্পকর্মের ঐতিহ্যবাহী হাতে বোনা টাঙ্গাইল শাড়ির জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এটি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক।
ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের টাঙ্গাইল শাড়ি নিয়ে করা এ পোস্ট ক্ষুব্ধ করেছে বাংলাদেশি নেটিজেনদের। পোস্টটির কমেন্টবক্সে এবং ফেসবুকের ওয়ালে শেয়ার করে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন তাঁরা।
পোস্টটির কমেন্টবক্সে সাইয়িদ আবদুল্লাহ নামে একজন বাংলাদেশি নাগরিক কমেন্ট করে লেখেন, ‘টাঙ্গাইলের শাড়ি পশ্চিমবঙ্গের না বাংলাদেশের? আপনাদের লজ্জা থাকা উচিত।’ মুয়ীদ হাসান তড়িৎ নামে একজন লিখেছেন, ‘টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের, টাঙ্গাইল বাংলাদেশের একটি জেলা। টাঙ্গাইলে আমার জন্ম। আমার দাদি নানি কিংবা তাদের আগের প্রজন্মের মেয়েরা এই শাড়ি পড়েই বড় হয়েছে। আমরা নিজেরাও এর নির্মাণ সাক্ষী। এক দেশের ঐতিহ্য নিজের দেশের নামে চালাবেন না। পারলে নিজেরা কলিকাতা শাড়ি তৈরি করুন।’
আরিফ ইশতিয়াক রাহুল নামে একজন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের জেলা টাঙ্গাইল। টাঙ্গাইলের তাঁতিদের তৈরি শাড়ি টাঙ্গাইলের শাড়ি নামে পরিচিত। এই শাড়ি কীভাবে পশ্চিমবঙ্গের হয়? মিথ্যার একটা সীমা থাকা উচিত।’ হাফটা মুসলিম নামে একজন লিখেছেন, ‘টাঙ্গাইল শাড়ি মানে কে? এটা আগে জানতে হবে, বুঝতে হবে। টাঙ্গাইল শাড়ির নামের, নামকরণ কে? কেন? কোথা থেকে টাঙ্গাইল শাড়ি এসেছে?’
ফ্রান্স প্রবাসী চিত্রশিল্পী জান্নাতুল নাঈম প্রীতি লিখেছেন, ‘তেইশ ঘণ্টা আগে ভারতের কালচারাল মিনিস্ট্রি তাদের অফিশিয়াল পেজে ঘোষণা করেছে-টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বত্ব বা আঞ্চলিক নির্দেশক স্বত্ব এখন ভারতের। এর আগে জামদানিরও অর্ধেক দাবিও তারাই নিয়েছে। এখন এককভাবে টাঙ্গাইল নামের অঞ্চল থাকবে বাংলাদেশে এবং পরিচিত হবে ভারতীয় শাড়ি হিসেবে! অস্ট্রেলিয়ার এক ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের নিবাস লেখা ছিল ভারত, এই জিনিস দেখে আমার ভাই হতভম্ব হয়ে গেছিলো। লেখা বেঙ্গল টাইগার, কিন্তু লোকেশন লেখা ভারত। প্রশ্ন হচ্ছে-কেন? কারণ-অধিকার ছেড়ে দিলে, অন্যেরা এভাবে নিয়েই যায়। যেমন আগের কালে ময়ূর সিংহাসন নিয়ে গেছিলো নাদির শাহ। শুধু সময় বদলেছে, দখলদারিত্ব বহাল আছে।’

এর আগে গত মাসের ৪ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টাঙ্গাইলের শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং নিবন্ধিত হয়েছে উল্লেখ করে একটি টুইটে জানান, পশ্চিমবঙ্গের হাতে বোনা তিনটি শাড়ি, নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানের টাঙ্গাইলের শাড়ি, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের কড়িয়াল ও গারাদ শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং নিবন্ধিত হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮–এর বাংলা সংস্করণে টাঙ্গাইলের শাড়ির জিআই পাওয়া নিয়ে গত ১০ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রতিবেদনে লেখে, টাঙ্গাইল কথাটার উৎপত্তি ওপার বাংলা থেকে। টাঙ্গাইল বর্তমানে বাংলাদেশের একটি জেলার নাম। দেশ স্বাধীন হওয়ার সময় ওপার বাংলার টাঙ্গাইল জেলার বহু মানুষ এপার বাংলায় উদ্বাস্তু হয়ে এসে ঘর বাঁধেন নদিয়ার ফুলিয়াতে। আর বাকিরা পূর্ব বর্ধমানের ধাত্রীগ্রাম ও সমুদ্রগড়ে ঠাঁই নেন। এই এলাকাগুলোতে হস্তচালিত তাঁতে যে শাড়ি তৈরি হয় তা টাঙ্গাইল শাড়ি নামে খ্যাতি লাভ করে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের এই টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই ট্যাগের স্বীকৃতি পেয়েছে। যদিও প্রশংসাপত্র এখনো আসেনি, তা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।
ভারতীয় আরেকটি সংবাদমাধ্যম জি নিউজও টাঙ্গাইলের শাড়িকে নদীয়া ও পূর্ব বর্ধমানের টাঙ্গাইল শাড়ি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সরকারি কর্মচারীদের বেতন সর্বোচ্চ ১৪৩ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব রেখে নতুন বেতনকাঠামো সুপারিশ করেছে নবম জাতীয় বেতন কমিশন। কমিশন আগের মতোই সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০টি বেতন গ্রেড রেখেছে। সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে...
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর গতকাল বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা পেয়ে গেলেন নির্বাচনী প্রতীক। আর এর মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে প্রার্থীদের প্রচারের লড়াই। ভোট চেয়ে প্রচার চালানো যাবে বুধবার মধ্যরাত থেকে শুরু করে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে...
৫ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে র্যাবের টিএফআই সেলে গুম করে নির্যাতনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জবানবন্দি দিয়েছেন ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। জবানবন্দিতে তিনি গুম থাকার সময়ের দুঃসহ স্মৃতি তুলে ধরেন। আজ বুধবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন...
৬ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না হয়েও ভুয়া কোটার সুবিধা নিয়ে ২৯তম বিসিএসে ছয়জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় তৎকালীন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক কর্মকর্তাসহ মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে ছয়টি পৃথক মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
৮ ঘণ্টা আগে