
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আকাশপথে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয়েছে, তৈরি হয়েছে সীমাবদ্ধতা। এর ফলে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিএস৩৪৪ (বোয়িং ৭৩৭) দুবাইয়ে প্রায় ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় অবস্থান করতে বাধ্য হয়। এ সময় ৩৯ জন পাইলট ও কেবিন ক্রু সেখানে আটকা পড়েন। কর্তৃপক্ষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অবশেষে যাত্রীবিহীন একটি ফ্লাইটে ওই ৩৯ জন পাইলট ও ক্রুকে উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে দুবাই বিমানবন্দরে কার্যক্রম সীমিত। পরিস্থিতিও অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই অবস্থার মধ্যেই ইউএস-বাংলা দুবাই স্টেশন ও ঢাকা হেড অফিস কর্তৃপক্ষ দুবাই বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে একটি নিরাপদ করিডর নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায়। অবশেষে স্বল্প সময়ের একটি বিশেষ অনুমতি পাওয়া গেলে যাত্রীবিহীন ফ্লাইট বিএস৩৪৪ডি ওই ৩৯ জন ক্রুকে নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে উড়াল দেয়। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দুবাই থেকে ছেড়ে আসা এটি ছিল একমাত্র বাংলাদেশি ফ্লাইট।

ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্লাইটটির নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন সামসুজ্জাহান এবং ফার্স্ট অফিসার শাহাদাত। চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যেও তাঁরা সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, দক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ২টা ৩৬ মিনিটে নিরাপদে ঢাকায় অবতরণ করেন। কর্তৃপক্ষ আরও বলেছে, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস তার যাত্রী, পাইলট ও ক্রুদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব সময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সব রকম চেষ্টা করেও বিদ্যুতের জোগান ১২ থেকে ১৩ হাজারের ওপরে ওঠাতে পারেনি বিদ্যুৎ বিভাগ। বিপরীতে চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দিনে-রাতে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি হচ্ছে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য খোলাবাজার থেকে এলএনজি কার্গোর জোগাড় হওয়ায় গ্যাসের সংকট কিছুটা হলেও কমে আসতে পারে বলে আশা
৩ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক আরও ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিককে মানবিক প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় তাদের দেশে পাঠানো হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগস্ট মাসে অপরাধের সংখ্যা বেশি না বাড়লেও অপরাধের ধরন ও নিষ্ঠুরতায় এসেছে উদ্বেগজনক পরিবর্তন। গত জুলাই মাসের তুলনায় নারী ও শিশু হত্যা, দলবদ্ধ ধর্ষণ এবং ধর্ষণ ও হত্যা অনেকাংশে বেড়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
‘আমরা কোনো সংখ্যার সিন্ডিকেটই চাই না। দেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য সমান ও উন্মুক্ত সুযোগ থাকতে হবে। নেপাল, পাকিস্তান বা মিয়ানমারের ক্ষেত্রে এ ধরনের কাঠামো করা হয়নি। ফলে বাংলাদেশের জন্য করা চুক্তিটি পর্যালোচনা ও সংশোধন করা প্রয়োজন।’
৭ ঘণ্টা আগে