
বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক যুগ্মসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসকে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
সাময়িক বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা ধনঞ্জয়কে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে আজ মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত এক শিক্ষার্থীর পিতার দায়ের করা হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামি।
যুগ্মসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ শাখায় দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। তার বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্যসহ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট ধনঞ্জয়কে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালক নিয়োগের জন্য তার চাকরি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। ২ সেপ্টেম্বর তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। কিন্তু ধনঞ্জয়ের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ায় তার আদেশ প্রত্যাহার বা বাতিলের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় চিঠি দেয় বস্ত্র মন্ত্রণালয়। বস্ত্র মন্ত্রণালয়ে যোগদানের পর গত ৩-১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। পরে গত ৫ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ধনঞ্জয়কে যুগ্মসচিব হিসেবে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে। তবে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগ না দিয়ে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন, যা ‘পলায়ন’ এর পর্যায়ভুক্ত অপরাধ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ছাত্র রমিজ উদ্দিন আহমেদের পিতা এ কে এম রকিবুল আহমেদ তাঁর ছেলেকে হত্যার দায়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর ধনঞ্জয়সহ ২২৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা করেছেন জানিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ধনঞ্জয় কুমার জুলাই-আগস্ট বিপ্লবকালীন ও পরবর্তী সময়ে তার ফেসবুক একাউন্ট থেকে বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক বক্তব্য ও পোস্ট দিয়েছেন, যাতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগে কর্মরত অন্যান্য কর্মকর্তাদের মনে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে ও নাশকতা সংঘটিত হতে পারে মর্মে আশঙ্কা করা হচ্ছে এবং তার বক্তব্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা অনুযায়ী পরিহারযোগ্য বিষয়াদির আওতাভুক্ত।
এসব কারণে ধনঞ্জয়ের বিরুদ্ধে গত ২০ ফেব্রুয়ারি অসদাচরণ, পলায়ন ও নাশকতার অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং ই-মেইলে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী পাঠানো হয়। নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও তিনি লিখিত জবাব না দেওয়ায় তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তদন্ত বোর্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী ধনঞ্জয়ের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলেও নাশকতার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। ফলে তাকে চাকরি হতে বরখাস্তের গুরুদণ্ড কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। এই নোটিশের জবাবও না পাওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের দণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশন একমত পোষণ করে এবং রাষ্ট্রপতি সম্মতি জানায়। এ জন্য পলায়নের তারিখ অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ধনঞ্জয়কে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ এবং সংগঠিত পরীক্ষা অপরাধের শাস্তির বিধান রেখে একটি বিল সংসদে উঠেছে। রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে পাবলিক এক্সামিনেশনস অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল...
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিরোধী দলকে সময় কম দেওয়া, সরকারি দলকে বেশি সময় দেওয়া, বিলের কপি আগে না দেওয়া, পয়েন্ট অব অর্ডার না দেওয়ায় তাঁরা সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেছে...
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই যোদ্ধাদের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখার প্রশংসা করে বিগত ১৭ বছরে নির্যাতিত বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের জন্যও বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন...
১ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত কর্মকাণ্ডের জন্য বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এখনো সময় আছে, ভেবেচিন্তে দেখতে পারেন। বাংলাদেশ সম্পর্কে আপনাদের অবস্থান পরিষ্কার করে আমাদের ও বাংলাদেশকে জানানো উচিত।’
২ ঘণ্টা আগে