নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘সরকার পতনের দিন গত বছরের ৫ আগস্ট বেলা ২টার পর ছাত্র-জনতা মিছিল বের করে। আশুলিয়ার থানার সামনে দিয়ে মিছিল যাওয়ার সময় পুলিশ গুলি করে। বিকেল সাড়ে ৪টার সময় পুলিশ-সেনাবাহিনীর গাড়ি দিয়ে গুলি করতে করতে চলে যায়। লাশগুলো থানার সামনে পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং কেউ রাতের বেলা বাইপাইল মসজিদের সামনে রেখে আসে। আমরা সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই জায়গাতেই থাকি। রাতে বাসায় চলে যাই।’
জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আশুলিয়ায় গুলি করে হত্যার পর লাশ পোড়ানোর ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জবানবন্দিতে এসব কথা বলেন ভাঙারি ব্যবসায়ী মতিবর রহমান ওরফে বুইদ্দা। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মতিবর রহমান বলেন, ‘গত বছরের ৬ আগস্ট দুপুর ১২টার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আসেন এবং বেলা ২টার সময় সেনাবাহিনী আসে। ৬টি লাশ গাড়ি থেকে বের করে পলিথিনে প্যাকেট করি এবং জানাজা পড়াই। ৪টি লাশের মোবাইল নম্বর পাওয়া যায় এবং তাঁদের অভিভাবকদেরকে ফোন করা হলে তাঁরা এসে লাশ নিয়ে যান। ২টি লাশের অভিভাবকদের পাওয়া যায়নি। ওই ২টি লাশ আমতলা কবরস্থানে দাফন করি। এক দিন পর আবুলের স্ত্রী হলুদ গেঞ্জি ও লুঙ্গি পরা কোনো লাশ দাফন করেছি কি না, জিজ্ঞাসা করলে আমি বলি, হলুদ গেঞ্জি ও লুঙ্গি পরা একটি লাশ পেয়েছি এবং দাফন করেছি।’
এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া সপ্তম সাক্ষী ফল ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম তাঁর জবানবন্দিতে বলেন, ‘গত বছরের ৪ আগস্ট সকাল ১০-১১টার দিকে বাইপাইল থেকে পল্লী বিদ্যুতের দিকে মিছিল নিয়ে যাই। সেখানে যাওয়ার পর দেখি স্থানীয় এমপি সাইফুলের ক্যাডার বাহিনী অবস্থান করছে। তারা সেখান থেকে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে এবং বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। আমরা তখন বাইপাইলের দিকে ফেরত আসতে থাকি। তখন তারা আমাদের দিকে গুলি ছুড়তে থাকে। দুপুর ১২-১টা পর্যন্ত গুলি ছুড়তে থাকে। সেখানে একজন আন্দোলনকারী মারা যান এবং অনেকে আহত হন।’
ফল ব্যবসায়ী শফিকুল আরও বলেন, ‘গত বছরের ৫ আগস্ট আমরা বাইপাইল থেকে নবীনগরের দিকে যেতে থাকি। যাওয়ার পথে পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় এমপি সাইফুল তার সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী নিয়ে অবস্থান করে। এমপি সাইফুলের ক্যাডার বাহিনী ও পুলিশ একত্র হয়ে বাইপাইল এলাকায় এসে ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করে। তাতে প্রায় ২০-২৫ জন ছাত্র-জনতা নিহত হন এবং অনেকে আহত হন। সেখানে আমরা সন্ধ্যা পর্যন্ত অবস্থান করি।’

‘সরকার পতনের দিন গত বছরের ৫ আগস্ট বেলা ২টার পর ছাত্র-জনতা মিছিল বের করে। আশুলিয়ার থানার সামনে দিয়ে মিছিল যাওয়ার সময় পুলিশ গুলি করে। বিকেল সাড়ে ৪টার সময় পুলিশ-সেনাবাহিনীর গাড়ি দিয়ে গুলি করতে করতে চলে যায়। লাশগুলো থানার সামনে পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং কেউ রাতের বেলা বাইপাইল মসজিদের সামনে রেখে আসে। আমরা সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই জায়গাতেই থাকি। রাতে বাসায় চলে যাই।’
জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আশুলিয়ায় গুলি করে হত্যার পর লাশ পোড়ানোর ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জবানবন্দিতে এসব কথা বলেন ভাঙারি ব্যবসায়ী মতিবর রহমান ওরফে বুইদ্দা। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মতিবর রহমান বলেন, ‘গত বছরের ৬ আগস্ট দুপুর ১২টার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আসেন এবং বেলা ২টার সময় সেনাবাহিনী আসে। ৬টি লাশ গাড়ি থেকে বের করে পলিথিনে প্যাকেট করি এবং জানাজা পড়াই। ৪টি লাশের মোবাইল নম্বর পাওয়া যায় এবং তাঁদের অভিভাবকদেরকে ফোন করা হলে তাঁরা এসে লাশ নিয়ে যান। ২টি লাশের অভিভাবকদের পাওয়া যায়নি। ওই ২টি লাশ আমতলা কবরস্থানে দাফন করি। এক দিন পর আবুলের স্ত্রী হলুদ গেঞ্জি ও লুঙ্গি পরা কোনো লাশ দাফন করেছি কি না, জিজ্ঞাসা করলে আমি বলি, হলুদ গেঞ্জি ও লুঙ্গি পরা একটি লাশ পেয়েছি এবং দাফন করেছি।’
এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া সপ্তম সাক্ষী ফল ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম তাঁর জবানবন্দিতে বলেন, ‘গত বছরের ৪ আগস্ট সকাল ১০-১১টার দিকে বাইপাইল থেকে পল্লী বিদ্যুতের দিকে মিছিল নিয়ে যাই। সেখানে যাওয়ার পর দেখি স্থানীয় এমপি সাইফুলের ক্যাডার বাহিনী অবস্থান করছে। তারা সেখান থেকে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে এবং বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। আমরা তখন বাইপাইলের দিকে ফেরত আসতে থাকি। তখন তারা আমাদের দিকে গুলি ছুড়তে থাকে। দুপুর ১২-১টা পর্যন্ত গুলি ছুড়তে থাকে। সেখানে একজন আন্দোলনকারী মারা যান এবং অনেকে আহত হন।’
ফল ব্যবসায়ী শফিকুল আরও বলেন, ‘গত বছরের ৫ আগস্ট আমরা বাইপাইল থেকে নবীনগরের দিকে যেতে থাকি। যাওয়ার পথে পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় এমপি সাইফুল তার সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী নিয়ে অবস্থান করে। এমপি সাইফুলের ক্যাডার বাহিনী ও পুলিশ একত্র হয়ে বাইপাইল এলাকায় এসে ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করে। তাতে প্রায় ২০-২৫ জন ছাত্র-জনতা নিহত হন এবং অনেকে আহত হন। সেখানে আমরা সন্ধ্যা পর্যন্ত অবস্থান করি।’

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে সারা দেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন (ইইউ ইওএম)। আজ শনিবার থেকেই তাঁরা দেশের ৬৪ জেলায় তাঁদের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম শুরু করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
সরকার স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করলে তারাই সবচেয়ে লাভবান হবে বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। আজ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে গণমাধ্যম সম্মিলনে তিনি এ কথা বলেন।
২ ঘণ্টা আগে
দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেছেন, নির্বাচিত সরকার এলেই সাংবাদিকেরা সব পেয়ে যাবেন, এমন ভাবার কারণ নেই। আজ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে গণমাধ্যম সম্মিলনে তিনি এসব কথা বলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে আক্রমণ বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর।
৪ ঘণ্টা আগে