
কারাবন্দী সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ সোমবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
নূরুল মজিদের ছেলে মনজুরুল মজিদ মাহমুদ সাদি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তাঁর বাবার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে লিখেছেন, ‘আমার বাবা আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। দোয়া করবেন আল্লাহ পাক যেন তাকে জান্নাত নসিব করুন।’
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুর বিষয়ে এক বিবৃতিতে কারা অধিদপ্তর জানিয়েছে, শ্রেণিপ্রাপ্ত (ডিভিশন পাওয়া) হাজতি বন্দী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (সাবেক শিল্পমন্ত্রী) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
আনকন্ট্রোলড বাউয়েল অ্যান্ড ব্ল্যাডার রোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীকালে গতকাল বিকেল ৪টার দিকে আইসিইউ রেফার্ড করা হয়। আইসিইউতে চিকিৎসা চলাকালীন আজ সকাল আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।
২৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান থেকে নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। ওই দিন নরসিংদীতে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সাবেক এই শিল্পমন্ত্রীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গত বছরের ৪ আগস্ট নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালীন ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, আক্রমণ ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি), রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর), এমআইএস ও হাসপাতাল শাখার পরিচালকদের নিয়ে একটি সেল গঠন করা হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘তোমরা নিজেরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে এবং পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও প্রতিবেশীদেরও সচেতন করবে। তোমাদের ছোট ছোট উদ্যোগই একটি পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।’
২৩ মিনিট আগে
সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে গতকাল মঙ্গলবার হুতিদের চালানো হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন এবং তাঁর জীবন, সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে।
১৩ ঘণ্টা আগে