নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হয়েছে। গতকাল শনিবার মরক্কোয় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফয়জুননেসার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্ট-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে তুলে ধরেন।
এ ছাড়া তিনি সার্বিক পাসপোর্ট সেবার মানোন্নয়নে এবং সবার মধ্যে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তর সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরির লক্ষ্যে বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সবাইকে জানান।
রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফয়জুননেসা তাঁর বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনায় প্রবাসীদের কাছে ই-পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর সেবা প্রদানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। মরক্কোর পাশাপাশি ঘানা, গিনি, সেনেগাল ও সিয়েরা লিওনের জন্যও রাবাতের বাংলাদেশ দূতাবাস সীমিত জনবল সত্ত্বেও আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। দূতাবাস শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নেই নয়, বরং প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং কনস্যুলার কার্যক্রম কার্যকরভাবে সম্পাদন করার ক্ষেত্রেও নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত আরও জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, মরক্কোর বিভিন্ন শহরের ভৌগোলিক দূরত্ব, নথিবিহীন প্রবাসীদের জটিলতা এবং বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও দূতাবাস কনস্যুলার সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
সাদিয়া ফয়জুননেসা আরও জানান, ৬৪তম মিশন হিসেবে ই-পাসপোর্ট সেবার উদ্বোধনের মাধ্যমে মরক্কো ও দূতাবাসের আওতাভুক্ত দেশগুলোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন থেকে আরও উন্নত, দ্রুত ও নিরাপদ কনস্যুলার সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তর পর্বে মরক্কোয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রবাসীদের কাছে ই-পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আবু নঈম এবং ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের উপপরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল।

মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হয়েছে। গতকাল শনিবার মরক্কোয় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফয়জুননেসার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্ট-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে তুলে ধরেন।
এ ছাড়া তিনি সার্বিক পাসপোর্ট সেবার মানোন্নয়নে এবং সবার মধ্যে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তর সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরির লক্ষ্যে বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সবাইকে জানান।
রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফয়জুননেসা তাঁর বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনায় প্রবাসীদের কাছে ই-পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর সেবা প্রদানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। মরক্কোর পাশাপাশি ঘানা, গিনি, সেনেগাল ও সিয়েরা লিওনের জন্যও রাবাতের বাংলাদেশ দূতাবাস সীমিত জনবল সত্ত্বেও আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। দূতাবাস শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নেই নয়, বরং প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং কনস্যুলার কার্যক্রম কার্যকরভাবে সম্পাদন করার ক্ষেত্রেও নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত আরও জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, মরক্কোর বিভিন্ন শহরের ভৌগোলিক দূরত্ব, নথিবিহীন প্রবাসীদের জটিলতা এবং বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও দূতাবাস কনস্যুলার সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
সাদিয়া ফয়জুননেসা আরও জানান, ৬৪তম মিশন হিসেবে ই-পাসপোর্ট সেবার উদ্বোধনের মাধ্যমে মরক্কো ও দূতাবাসের আওতাভুক্ত দেশগুলোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন থেকে আরও উন্নত, দ্রুত ও নিরাপদ কনস্যুলার সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তর পর্বে মরক্কোয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রবাসীদের কাছে ই-পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আবু নঈম এবং ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের উপপরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে