কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা

সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোর বিস্ফোরণের প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা ঘাটতি মেটানোর আহ্বান জানিয়েছে ঢাকায় জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয় (ইউএনআরসি)। আর এ ঘটনায় সরকার, মালিক পক্ষ, শ্রমিক পক্ষ ও সুশীল সমাজের অংশীদারত্বের ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে ঢাকায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।
আজ সোমবার পৃথক দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইউএনআরসির কার্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রামে বিএম কনটেইনার ডিপোর আগুন ও বিস্ফোরণের কারণে নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতিসংঘ শোকাহত ও বিস্মিত। নিহত ৪১ জন সাধারণ মানুষ ও ৯ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যের পরিবার এবং আহত শতাধিক ব্যক্তির প্রতি গভীর সমবেদনা ও শোক জানিয়েছে জাতিসংঘ।
বিজ্ঞপ্তিতে জাতিসংঘ বলেছে, শিল্প ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং এর কার্যকর প্রয়োগে সবাইকে একত্রে কাজ করতে—এ দুর্ঘটনা সেটই মনে করিয়ে দিয়েছে। দেশজুড়ে কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা ঘাটতিতে সব শক্তি প্রয়োগে সব পক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ ক্ষেত্রে সবার জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে জাতিসংঘ সহযোগিতা করবে বলেও জানানো হয়।
নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শোক জানিয়ে আইএলওর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এখনই জরুরি ভিত্তিতে রাসায়নিক পদার্থের নিরাপদ গুদামজাত ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন রয়েছে— এ ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে সেটি দেখাল। এর সঙ্গে জড়িতদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ এবং এ ধরনের দুর্যোগে জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি বলেও জানায় আইএলও।’
আইএলও বলছে, শিল্পে সব ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে একটি কার্যকর শিল্প ও প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা ফ্রেমওয়ার্ক জরুরি। যাতে দুর্ঘটনার প্রশমন, প্রস্তুতি, প্রতিক্রিয়া এবং পুনরুদ্ধারে এই সুরক্ষা ফ্রেমওয়ার্ক প্রয়োগ এবং প্রশিক্ষণ নিশ্চিত হয়। আর এ জন্য প্রয়োজন সরকারের দপ্তর, মালিক পক্ষ, শ্রমিকপক্ষ এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে আরও সমন্বয় ও অংশীদারত্ব।
এ সমস্যা মেটাতে গিয়ে বেশ কিছু স্থানে সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে পরিবহন ও লজিস্টিক খাতের আইন ও এর প্রয়োগ পুনর্বিবেচনা, যাঁরা আহত ও অক্ষমদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ ও সহযোগিতা এবং এ খাতের সুরক্ষা প্রচারণা। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে কর্মক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের জন্য একটি স্কিম রয়েছে। এ ধরনের ব্যবস্থা অন্যান্য খাতেও করা যেতে পারে বলে আইএলও জানিয়েছে। ২০১৩ সালে ‘রানা প্লাজা’ দুর্ঘটনার পর থেকে কর্মপরিবেশের উন্নতির জন্য আইএলও সরকার, মালিক পক্ষ ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে কাজ করে আসছে।
এদিকে সীতাকুণ্ডের ঘটনা নিয়ে হিউম্যান রাইটস ফোরাম, বাংলাদেশ এক বিবৃতিতে বলেছে, বিদ্যমান দায়মুক্তির সংস্কৃতির কারণে পূর্ববর্তী ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়নি, যার ফলে এসব ভয়াবহ মানবসৃষ্ট দুর্যোগ একের পর এক ঘটে চলেছে। ফোরাম দ্রুততার সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করা, নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির পরিবারকে আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং এ পর্যন্ত সংঘটিত সব অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেছে।
ফোরামের পক্ষে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন—ড. হামিদা হোসেন, সুলতানা কামাল, রাজা দেবাশীষ রায়, গোলাম মনোয়ার কামাল, শাহীন আনাম, ইফতেখারুজ্জামান, সারা হোসেন, ডা. ফওজিয়া মোসলেম, খুশি কবির, শামসুল হুদা, রঞ্জন কর্মকার, সঞ্জীব দ্রং, নজরুল ইসলাম খান ও পল্লব চাকমা প্রমুখ।
ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী ও ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চেটারটন ডিকসন, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মান দূতাবাস আলাদ ফেসবুক পোস্টে এবং পাকিস্তান সরকারসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পৃথক পৃথক বিবৃতিতে সীতাকুণ্ডের ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং আহতদের দ্রুত নিরাময় কামনা করেছেন।

সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোর বিস্ফোরণের প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা ঘাটতি মেটানোর আহ্বান জানিয়েছে ঢাকায় জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয় (ইউএনআরসি)। আর এ ঘটনায় সরকার, মালিক পক্ষ, শ্রমিক পক্ষ ও সুশীল সমাজের অংশীদারত্বের ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে ঢাকায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।
আজ সোমবার পৃথক দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইউএনআরসির কার্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রামে বিএম কনটেইনার ডিপোর আগুন ও বিস্ফোরণের কারণে নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতিসংঘ শোকাহত ও বিস্মিত। নিহত ৪১ জন সাধারণ মানুষ ও ৯ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যের পরিবার এবং আহত শতাধিক ব্যক্তির প্রতি গভীর সমবেদনা ও শোক জানিয়েছে জাতিসংঘ।
বিজ্ঞপ্তিতে জাতিসংঘ বলেছে, শিল্প ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং এর কার্যকর প্রয়োগে সবাইকে একত্রে কাজ করতে—এ দুর্ঘটনা সেটই মনে করিয়ে দিয়েছে। দেশজুড়ে কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা ঘাটতিতে সব শক্তি প্রয়োগে সব পক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ ক্ষেত্রে সবার জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে জাতিসংঘ সহযোগিতা করবে বলেও জানানো হয়।
নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শোক জানিয়ে আইএলওর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এখনই জরুরি ভিত্তিতে রাসায়নিক পদার্থের নিরাপদ গুদামজাত ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন রয়েছে— এ ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে সেটি দেখাল। এর সঙ্গে জড়িতদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ এবং এ ধরনের দুর্যোগে জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি বলেও জানায় আইএলও।’
আইএলও বলছে, শিল্পে সব ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে একটি কার্যকর শিল্প ও প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা ফ্রেমওয়ার্ক জরুরি। যাতে দুর্ঘটনার প্রশমন, প্রস্তুতি, প্রতিক্রিয়া এবং পুনরুদ্ধারে এই সুরক্ষা ফ্রেমওয়ার্ক প্রয়োগ এবং প্রশিক্ষণ নিশ্চিত হয়। আর এ জন্য প্রয়োজন সরকারের দপ্তর, মালিক পক্ষ, শ্রমিকপক্ষ এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে আরও সমন্বয় ও অংশীদারত্ব।
এ সমস্যা মেটাতে গিয়ে বেশ কিছু স্থানে সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে পরিবহন ও লজিস্টিক খাতের আইন ও এর প্রয়োগ পুনর্বিবেচনা, যাঁরা আহত ও অক্ষমদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ ও সহযোগিতা এবং এ খাতের সুরক্ষা প্রচারণা। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে কর্মক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের জন্য একটি স্কিম রয়েছে। এ ধরনের ব্যবস্থা অন্যান্য খাতেও করা যেতে পারে বলে আইএলও জানিয়েছে। ২০১৩ সালে ‘রানা প্লাজা’ দুর্ঘটনার পর থেকে কর্মপরিবেশের উন্নতির জন্য আইএলও সরকার, মালিক পক্ষ ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে কাজ করে আসছে।
এদিকে সীতাকুণ্ডের ঘটনা নিয়ে হিউম্যান রাইটস ফোরাম, বাংলাদেশ এক বিবৃতিতে বলেছে, বিদ্যমান দায়মুক্তির সংস্কৃতির কারণে পূর্ববর্তী ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়নি, যার ফলে এসব ভয়াবহ মানবসৃষ্ট দুর্যোগ একের পর এক ঘটে চলেছে। ফোরাম দ্রুততার সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করা, নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির পরিবারকে আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং এ পর্যন্ত সংঘটিত সব অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেছে।
ফোরামের পক্ষে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন—ড. হামিদা হোসেন, সুলতানা কামাল, রাজা দেবাশীষ রায়, গোলাম মনোয়ার কামাল, শাহীন আনাম, ইফতেখারুজ্জামান, সারা হোসেন, ডা. ফওজিয়া মোসলেম, খুশি কবির, শামসুল হুদা, রঞ্জন কর্মকার, সঞ্জীব দ্রং, নজরুল ইসলাম খান ও পল্লব চাকমা প্রমুখ।
ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী ও ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চেটারটন ডিকসন, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মান দূতাবাস আলাদ ফেসবুক পোস্টে এবং পাকিস্তান সরকারসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পৃথক পৃথক বিবৃতিতে সীতাকুণ্ডের ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং আহতদের দ্রুত নিরাময় কামনা করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন রোববার (৪ জানুয়ারি) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মূলত রাজনৈতিক কারণেই দেশে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।
৯ ঘণ্টা আগে