নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

স্বল্প সময়ের ব্যবধানে চারটি যাত্রীবাহী নৌযান দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে ব্যাপক হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ১৩টি নাগরিক সংগঠন। আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে পরিবেশ, নাগরিক অধিকার, নৌ-খাত ও পরিবহন-বিষয়ক সংগঠনগুলোর নেতারা এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে অবিলম্বে নৌ দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান নাগরিক সংগঠনগুলোর নেতারা। একই সঙ্গে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং হতাহতদের পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ডিসেম্বর গভীর রাতে ঢাকা-বরগুনা নৌপথের ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী যাত্রীবোঝাই এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত অর্ধশত মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি বহু যাত্রী এখনো নিখোঁজ। এ ছাড়া ঢাকা ও বরিশালের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রায় ৮০ জনের মধ্যে অন্তত ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মর্মান্তিক এ ঘটনার ১২ দিনের মাথায় গত ৫ জানুয়ারি সকালে নারায়ণগঞ্জের ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গার মোহনায় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি ফারহান-৬ এর ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবে ১০ যাত্রী নিখোঁজ হন। দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে টানা কয়েক দিন অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর তিন দিন পর ৮ জানুয়ারি ঢাকা থেকে বরিশাল যাওয়ার পথে যাত্রীবাহী এমভি সুরভী-৯ লঞ্চের ইঞ্জিনকক্ষে আগুন ধরে। এতে কেউ হতাহত না হলেও এই ঘটনার তথ্যচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করায় লঞ্চের স্টাফরা বরিশাল নদীবন্দরে কয়েকজন যাত্রী ও গণমাধ্যমকর্মীকে মারধর করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, স্বল্প সময়ে চারটি নৌযান দুর্ঘটনাকবলিত হলেও নৌ মন্ত্রণালয় এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটি গত ৩ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিলেও দায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্য দুটি ঘটনায় নৌ মন্ত্রণালয় কিংবা নৌ পরিবহন অধিদপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কিনা, তা এখনো অজ্ঞাত। এসব ধারাবাহিক দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিক সংগঠনগুলোর নেতারা মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ও যথেষ্ট আন্তরিকতা সত্ত্বেও নৌ পরিবহন ব্যবস্থায় অনেক ত্রুটিবিচ্যুতি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্তৃপক্ষগুলোর কম-বেশি গাফিলতি কিংবা উদাসীনতা রয়েছে। এ কারণে অভ্যন্তরীণ নৌ-খাত এখনো জনবান্ধব হয়ে ওঠেনি।

স্বল্প সময়ের ব্যবধানে চারটি যাত্রীবাহী নৌযান দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে ব্যাপক হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ১৩টি নাগরিক সংগঠন। আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে পরিবেশ, নাগরিক অধিকার, নৌ-খাত ও পরিবহন-বিষয়ক সংগঠনগুলোর নেতারা এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে অবিলম্বে নৌ দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান নাগরিক সংগঠনগুলোর নেতারা। একই সঙ্গে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং হতাহতদের পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ডিসেম্বর গভীর রাতে ঢাকা-বরগুনা নৌপথের ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী যাত্রীবোঝাই এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত অর্ধশত মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি বহু যাত্রী এখনো নিখোঁজ। এ ছাড়া ঢাকা ও বরিশালের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রায় ৮০ জনের মধ্যে অন্তত ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মর্মান্তিক এ ঘটনার ১২ দিনের মাথায় গত ৫ জানুয়ারি সকালে নারায়ণগঞ্জের ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গার মোহনায় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি ফারহান-৬ এর ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবে ১০ যাত্রী নিখোঁজ হন। দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে টানা কয়েক দিন অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর তিন দিন পর ৮ জানুয়ারি ঢাকা থেকে বরিশাল যাওয়ার পথে যাত্রীবাহী এমভি সুরভী-৯ লঞ্চের ইঞ্জিনকক্ষে আগুন ধরে। এতে কেউ হতাহত না হলেও এই ঘটনার তথ্যচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করায় লঞ্চের স্টাফরা বরিশাল নদীবন্দরে কয়েকজন যাত্রী ও গণমাধ্যমকর্মীকে মারধর করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, স্বল্প সময়ে চারটি নৌযান দুর্ঘটনাকবলিত হলেও নৌ মন্ত্রণালয় এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটি গত ৩ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিলেও দায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্য দুটি ঘটনায় নৌ মন্ত্রণালয় কিংবা নৌ পরিবহন অধিদপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কিনা, তা এখনো অজ্ঞাত। এসব ধারাবাহিক দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিক সংগঠনগুলোর নেতারা মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ও যথেষ্ট আন্তরিকতা সত্ত্বেও নৌ পরিবহন ব্যবস্থায় অনেক ত্রুটিবিচ্যুতি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্তৃপক্ষগুলোর কম-বেশি গাফিলতি কিংবা উদাসীনতা রয়েছে। এ কারণে অভ্যন্তরীণ নৌ-খাত এখনো জনবান্ধব হয়ে ওঠেনি।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাওয়া বৈধ প্রার্থীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই বয়সে তরুণ ও যুবক। মোট প্রার্থীর ৩১ দশমিক ৩১ শতাংশের বয়স ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শতাংশের হিসাবে তরুণ প্রার্থী সবচেয়ে বেশি জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন। তাঁদের প্রায় অর্ধেক প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রবাসীরা এবারই প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন বলেছে, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিবন্ধনে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সাড়া পাওয়া গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
সারা দেশের জেলা আদালত ও উচ্চ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিয়োগে স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস করার সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি এক বছরেও। বিলুপ্ত বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় হলেও স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
৬ ঘণ্টা আগে