হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজত ইসলামকে পাঠ্যক্রমে সংশোধন আনার আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। বিশেষ করে ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া বিষয়ে হেফাজত নেতাদের আপত্তিটি বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে হেফাজত ইসলামের নেতাদের তিনি এ আশ্বাস দেন।
দীর্ঘক্ষণ আলোচনায় হেফাজত নেতারা পাঠ্যপুস্তক নিয়ে তাঁদের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। নতুন শিক্ষা কারিকুলাম এবং ট্রান্সজেন্ডার নিয়ে মন্ত্রীর কাছে কয়েকশ পৃষ্ঠার লিখিত প্রতিবেদন/পর্যালোচনা পেশ করেন হেফাজত নেতারা।
মন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিত্বকালীন কোনো বিতর্কিত শিক্ষা কারিকুলাম বাস্তবায়ন হবে না বলে উলামায়ে কেরামকে আশ্বস্ত করেন এবং ট্রান্সজেন্ডারের চরম বিরোধিতা করে বলেন, ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া এক নয়।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের যে পর্যবেক্ষণগুলো তুলে ধরেছেন তার যৌক্তিক নানা যে দিক আছে তা আমরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে, পাঠ্যক্রমে সংশোধন করে সমাধান করব। আগামীতেও সবার সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলমান থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তকে ঈমান আকিদা–বিরোধী বিতর্কিত কোনো বিষয় যাতে না থাকে এ ব্যাপারে বর্তমান সরকার যত্নশীল, তবে দক্ষতা অর্জনের প্রশ্নে এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সংবিধানের মূল নীতিমালার সঙ্গে সন্নিবেশিত কোনো পাঠ্য, উপাত্ত বা তথ্যের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দল বা সামাজিক প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সঙ্গে আমরা আপস করব না।’
বৈঠক শেষে হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী আমাদের সব কথা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে শুনেছেন। তাঁর সঙ্গে আলোচনায় আমরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি এবং সমস্যাসমূহ সমাধানের বিষয়ে আশ্বস্ত হয়েছি, আমাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।’
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও লালখান বাজার মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক মুফতি হারুন ইযহার নেতৃত্বের বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নাসির উদ্দীন মুনীর প্রমুখ।

কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজত ইসলামকে পাঠ্যক্রমে সংশোধন আনার আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। বিশেষ করে ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া বিষয়ে হেফাজত নেতাদের আপত্তিটি বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে হেফাজত ইসলামের নেতাদের তিনি এ আশ্বাস দেন।
দীর্ঘক্ষণ আলোচনায় হেফাজত নেতারা পাঠ্যপুস্তক নিয়ে তাঁদের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। নতুন শিক্ষা কারিকুলাম এবং ট্রান্সজেন্ডার নিয়ে মন্ত্রীর কাছে কয়েকশ পৃষ্ঠার লিখিত প্রতিবেদন/পর্যালোচনা পেশ করেন হেফাজত নেতারা।
মন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিত্বকালীন কোনো বিতর্কিত শিক্ষা কারিকুলাম বাস্তবায়ন হবে না বলে উলামায়ে কেরামকে আশ্বস্ত করেন এবং ট্রান্সজেন্ডারের চরম বিরোধিতা করে বলেন, ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া এক নয়।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের যে পর্যবেক্ষণগুলো তুলে ধরেছেন তার যৌক্তিক নানা যে দিক আছে তা আমরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে, পাঠ্যক্রমে সংশোধন করে সমাধান করব। আগামীতেও সবার সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলমান থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তকে ঈমান আকিদা–বিরোধী বিতর্কিত কোনো বিষয় যাতে না থাকে এ ব্যাপারে বর্তমান সরকার যত্নশীল, তবে দক্ষতা অর্জনের প্রশ্নে এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সংবিধানের মূল নীতিমালার সঙ্গে সন্নিবেশিত কোনো পাঠ্য, উপাত্ত বা তথ্যের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দল বা সামাজিক প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সঙ্গে আমরা আপস করব না।’
বৈঠক শেষে হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী আমাদের সব কথা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে শুনেছেন। তাঁর সঙ্গে আলোচনায় আমরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি এবং সমস্যাসমূহ সমাধানের বিষয়ে আশ্বস্ত হয়েছি, আমাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।’
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও লালখান বাজার মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক মুফতি হারুন ইযহার নেতৃত্বের বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নাসির উদ্দীন মুনীর প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন রোববার (৪ জানুয়ারি) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মূলত রাজনৈতিক কারণেই দেশে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।
১০ ঘণ্টা আগে