নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশ হচ্ছে আগামীকাল রোববার। মাঠপর্যায়ের অফিসগুলো থেকে এই তালিকা প্রকাশ করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চূড়ান্ত হওয়া খসড়ার এই তালিকা ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পাঠাবেন মাঠ কর্মকর্তারা। এগুলো দেখে নির্বাচনের অন্তত ২৫ দিন আগে চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকার গেজেট প্রকাশ করবে কমিশন।
এ বিষয়ে ইসির যুগ্ম সচিব মো. আব্দুল বাতেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, কাল ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। কেউ চাইলে মাঠপর্যায়ের অফিসে গিয়ে এই তালিকা দেখতে পারবেন।
এবার চূড়ান্ত খসড়ায় মোট ভোটকেন্দ্র কতটি হলো তা কাল বিকেল নাগাদ জানা যাবে বলেও জানান তিনি।
ইসি সূত্র জানায়, ভোটকেন্দ্রের নীতিমালা থেকে আগের ভোটকেন্দ্র বহাল রাখার বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে দেওয়ায় এবার খসড়া তালিকায় কেন্দ্র পরিবর্তন বেশি হয়েছে। এবার ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুতির বিষয়ে ইসি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ডিসি-এসপি, ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তাদেরও সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
জানা যায়, গত সংসদ নির্বাচনের সময় মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ৪০ হাজার ১৯৯টি। এবার প্রাথমিক খসড়া তালিকায় ভোটকেন্দ্র ছিল ৪২ হাজার ৩৮০টি। এই তালিকার ওপর ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ৮৫৯টি দাবি-আপত্তি জমা পড়ে। যা ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুনানি করে নিষ্পত্তি করা হয়। প্রাথমিক খসড়া থেকে চূড়ান্ত খসড়া তালিকায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা কমবেশি হতে পারে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, এবার ১১ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ৪৪০ জন ভোটারের জন্য ৪২ হাজারের ওপরে ভোটকেন্দ্রের প্রয়োজন পড়বে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১০ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি ভোটারের জন্য ছিল ৪০ হাজার ১৯৯টি, দশম সংসদ নির্বাচনে ৯ কোটি ১৯ লাখ ভোটারের জন্য ৩৭ হাজার ৭০৭টি এবং নবম সংসদ নির্বাচনে ৮ কোটি ১০ লাখ ভোটারের জন্য ৩৫ হাজার ২৬৩টি ভোটকেন্দ্র ছিল।
আগামী বছর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান। এ লক্ষ্যে নভেম্বরের দিকে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশ হচ্ছে আগামীকাল রোববার। মাঠপর্যায়ের অফিসগুলো থেকে এই তালিকা প্রকাশ করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চূড়ান্ত হওয়া খসড়ার এই তালিকা ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পাঠাবেন মাঠ কর্মকর্তারা। এগুলো দেখে নির্বাচনের অন্তত ২৫ দিন আগে চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকার গেজেট প্রকাশ করবে কমিশন।
এ বিষয়ে ইসির যুগ্ম সচিব মো. আব্দুল বাতেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, কাল ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। কেউ চাইলে মাঠপর্যায়ের অফিসে গিয়ে এই তালিকা দেখতে পারবেন।
এবার চূড়ান্ত খসড়ায় মোট ভোটকেন্দ্র কতটি হলো তা কাল বিকেল নাগাদ জানা যাবে বলেও জানান তিনি।
ইসি সূত্র জানায়, ভোটকেন্দ্রের নীতিমালা থেকে আগের ভোটকেন্দ্র বহাল রাখার বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে দেওয়ায় এবার খসড়া তালিকায় কেন্দ্র পরিবর্তন বেশি হয়েছে। এবার ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুতির বিষয়ে ইসি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ডিসি-এসপি, ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তাদেরও সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
জানা যায়, গত সংসদ নির্বাচনের সময় মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ৪০ হাজার ১৯৯টি। এবার প্রাথমিক খসড়া তালিকায় ভোটকেন্দ্র ছিল ৪২ হাজার ৩৮০টি। এই তালিকার ওপর ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ৮৫৯টি দাবি-আপত্তি জমা পড়ে। যা ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুনানি করে নিষ্পত্তি করা হয়। প্রাথমিক খসড়া থেকে চূড়ান্ত খসড়া তালিকায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা কমবেশি হতে পারে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, এবার ১১ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ৪৪০ জন ভোটারের জন্য ৪২ হাজারের ওপরে ভোটকেন্দ্রের প্রয়োজন পড়বে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১০ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি ভোটারের জন্য ছিল ৪০ হাজার ১৯৯টি, দশম সংসদ নির্বাচনে ৯ কোটি ১৯ লাখ ভোটারের জন্য ৩৭ হাজার ৭০৭টি এবং নবম সংসদ নির্বাচনে ৮ কোটি ১০ লাখ ভোটারের জন্য ৩৫ হাজার ২৬৩টি ভোটকেন্দ্র ছিল।
আগামী বছর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান। এ লক্ষ্যে নভেম্বরের দিকে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উদাহরণ টেনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলফনামায় যে সম্পদের বিবরণ দিয়েছিলেন, বাস্তবে পাওয়া সম্পদের সঙ্গে তার বড় ধরনের ব্যবধান ছিল।
৯ মিনিট আগে
‘ক্যারিয়ার রাজনীতিকদের’ অনেকটা কোণঠাসা করে জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি বেশ কিছুদিন ধরেই বেড়ে চলেছে। একাধিক চরম বিতর্কিত ভোটের পর হতে যাওয়া বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরও এ চিত্র বহাল থাকতে পারে। কারণ এবারের প্রার্থী তালিকায়ও পেশাজীবীদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের জয়জয়কার।
১৩ ঘণ্টা আগে
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, ২০২৫ সালে দেশে ৭ হাজার ৫৮৪টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া একই বছর ১৩২টি নৌ দুর্ঘটনায় ১৪৯ জন নিহত, ১২৩ জন আহত এবং ৩৪ জন নিখোঁজ হয়। রেলপথে ৫১৯টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ৪৭৮ জন এবং আহত হয় ১৫২ জন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বিনিয়োগ না বাড়লে বৈষম্য ও অস্থিরতা বাড়বে। সমাজে যদি ন্যায়সংগত সুযোগ না থাকে, তাহলে একদিকে বৈষম্য তৈরি হয়, অন্যদিকে অস্থিরতা দেখা দেয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যে আন্দোলন হয়, তার পেছনেও এই বাস্তবতা কাজ করেছে। বাজারে চাকরি নেই, সরকারি চাকরিই একমাত্র ভরসা, সেখানেও কোটা-সংকট।
২০ ঘণ্টা আগে