নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মানবিক কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত রেখে বাসায় থাকার অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে বিএনপি যদি আবার বাড়াবাড়ি করে তাহলে তাঁকে (খালেদা জিয়া) জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন দলটির সভাপতি।
খালেদা জিয়া অসুস্থ, বয়োবৃদ্ধ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাঁর বোন, ভাই, বোনের জামাই আমার কাছে এসেছে। আবেদন করেছে। আমরা তাঁর সাজা স্থগিত করে বাড়ি থাকার সুযোগটা দিয়েছি। মানবিক কারণেই দিয়েছি। কিন্তু বেশি বাড়াবাড়ি করলে… যদি ওরা বেশি বাড়াবাড়ি করে। বিএনপি যদি বেশি বাড়াবাড়ি করলে আবার জেলে পাঠিয়ে দেব। কোনো চিন্তা করবেন না।’
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সাত বছরের জেলের বিষয়টি উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এই মামলা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের বলে জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান ফখরুদ্দিন আহমেদ ও সেনা প্রধান মঈন ইউ আহমেদ বিএনপির প্রিয় লোক ছিল জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাদের দেওয়া মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হয়েছিল।’
বিএনপি-জোট সরকারের আমলে নির্যাতনের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরাতো এর প্রতিশোধ নিতে যাইনি। আমরা আইনগতভাবে অপরাধীদের বিচার করেছি। আজকে তাদের কী অবস্থা? আজকে দেখি গণতন্ত্র উদ্ধার করতে হবে। যে দলের জন্ম সেনাশাসকের পকেট থেকে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীদের দ্বারা জন্ম, তারা আবার গণতন্ত্র উদ্ধারটা কী করবে? সেটাই আমার প্রশ্ন।’
বিএনপির গণতন্ত্রের কথা শুনে কিছু লোক তাদের সঙ্গে তাল মেলাচ্ছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এদের জ্ঞান-বুদ্ধি কোথায় থাকে? তারা কি বাস্তবটা বুঝতে পারে না? আর নেতৃত্ব কোথায়? বিএনপি লাফালাফি করছে তাদের নেতা কই?’
আরও খবর পড়ুন:

মানবিক কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত রেখে বাসায় থাকার অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে বিএনপি যদি আবার বাড়াবাড়ি করে তাহলে তাঁকে (খালেদা জিয়া) জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন দলটির সভাপতি।
খালেদা জিয়া অসুস্থ, বয়োবৃদ্ধ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাঁর বোন, ভাই, বোনের জামাই আমার কাছে এসেছে। আবেদন করেছে। আমরা তাঁর সাজা স্থগিত করে বাড়ি থাকার সুযোগটা দিয়েছি। মানবিক কারণেই দিয়েছি। কিন্তু বেশি বাড়াবাড়ি করলে… যদি ওরা বেশি বাড়াবাড়ি করে। বিএনপি যদি বেশি বাড়াবাড়ি করলে আবার জেলে পাঠিয়ে দেব। কোনো চিন্তা করবেন না।’
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সাত বছরের জেলের বিষয়টি উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এই মামলা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের বলে জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান ফখরুদ্দিন আহমেদ ও সেনা প্রধান মঈন ইউ আহমেদ বিএনপির প্রিয় লোক ছিল জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাদের দেওয়া মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হয়েছিল।’
বিএনপি-জোট সরকারের আমলে নির্যাতনের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরাতো এর প্রতিশোধ নিতে যাইনি। আমরা আইনগতভাবে অপরাধীদের বিচার করেছি। আজকে তাদের কী অবস্থা? আজকে দেখি গণতন্ত্র উদ্ধার করতে হবে। যে দলের জন্ম সেনাশাসকের পকেট থেকে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীদের দ্বারা জন্ম, তারা আবার গণতন্ত্র উদ্ধারটা কী করবে? সেটাই আমার প্রশ্ন।’
বিএনপির গণতন্ত্রের কথা শুনে কিছু লোক তাদের সঙ্গে তাল মেলাচ্ছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এদের জ্ঞান-বুদ্ধি কোথায় থাকে? তারা কি বাস্তবটা বুঝতে পারে না? আর নেতৃত্ব কোথায়? বিএনপি লাফালাফি করছে তাদের নেতা কই?’
আরও খবর পড়ুন:

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
২ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে