নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আজ ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। সারা পৃথিবীতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে ২০১১ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, বাংলাদেশে গত ১৭ বছরে মোট ৬২৯ জন গুমের শিকার হয়েছেন। একই ধরনের তথ্য দিয়েছে আরেক বেসরকারি সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটিও।
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপক্ষে আজ শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’।
সংগঠনটির সমন্বয়ক আফরোজা ইসলাম আঁখি বলেন, ‘গুম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মায়ের ডাকের সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন পরিবারের এখনো ১৫৩ জনের কোনো খোঁজ জানে না তাঁদের স্বজনেরা।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না এক বিবৃতিতে বলেন, আসক গুমের মতো নিষ্ঠুর ও অমানবিক অভিযোগ উত্থাপনের শুরু থেকেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়মিতভাবে ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব দাবি জানিয়ে আসছিল। আসকের তথ্যমতে, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৩ পর্যন্ত মোট ৬২৯ জন গুমের শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৭৮ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে; অপহরণের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৫৯ জনকে এবং পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে ৭৩ জনকে। বাকিদের এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আসকসহ দেশের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন নাগরিক গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের দাবি গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি গুমের শিকার ব্যক্তিদের সন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। আসক অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের এমন পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। পাশাপাশি, জোরপূর্বক গুম থেকে সব নাগরিকের সুরক্ষা দিতে এবং গুম হওয়া ব্যক্তির সন্ধান, শনাক্ত ও জড়িতদের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে।
বেসরকারি সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সারা পৃথিবীতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে দিবসটি পালিত হয়। ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর গুম হওয়া ব্যক্তিদের জন্য আন্তর্জাতিক সনদ হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়।
২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর গুম হওয়া ব্যক্তিদের জন্য আন্তর্জাতিক সনদ হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রটেকশন অব অল পারসন্স অ্যাগেইনস্ট এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়্যারেন্স’ সম্মেলনে যে আন্তর্জাতিক সনদ কার্যকর হয়, তাতে ৩০ আগস্টকে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস ঘোষণা করা হয়।
২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর ৩০ আগস্ট গুম হওয়া মানুষের স্মরণ, সেই সঙ্গে তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর জন্য দিবসটি পালন করা হচ্ছে বিশ্বব্যাপী।

আজ ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। সারা পৃথিবীতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে ২০১১ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, বাংলাদেশে গত ১৭ বছরে মোট ৬২৯ জন গুমের শিকার হয়েছেন। একই ধরনের তথ্য দিয়েছে আরেক বেসরকারি সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটিও।
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপক্ষে আজ শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’।
সংগঠনটির সমন্বয়ক আফরোজা ইসলাম আঁখি বলেন, ‘গুম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মায়ের ডাকের সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন পরিবারের এখনো ১৫৩ জনের কোনো খোঁজ জানে না তাঁদের স্বজনেরা।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না এক বিবৃতিতে বলেন, আসক গুমের মতো নিষ্ঠুর ও অমানবিক অভিযোগ উত্থাপনের শুরু থেকেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়মিতভাবে ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব দাবি জানিয়ে আসছিল। আসকের তথ্যমতে, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৩ পর্যন্ত মোট ৬২৯ জন গুমের শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৭৮ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে; অপহরণের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৫৯ জনকে এবং পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে ৭৩ জনকে। বাকিদের এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আসকসহ দেশের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন নাগরিক গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের দাবি গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি গুমের শিকার ব্যক্তিদের সন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। আসক অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের এমন পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। পাশাপাশি, জোরপূর্বক গুম থেকে সব নাগরিকের সুরক্ষা দিতে এবং গুম হওয়া ব্যক্তির সন্ধান, শনাক্ত ও জড়িতদের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে।
বেসরকারি সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সারা পৃথিবীতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে দিবসটি পালিত হয়। ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর গুম হওয়া ব্যক্তিদের জন্য আন্তর্জাতিক সনদ হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়।
২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর গুম হওয়া ব্যক্তিদের জন্য আন্তর্জাতিক সনদ হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রটেকশন অব অল পারসন্স অ্যাগেইনস্ট এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়্যারেন্স’ সম্মেলনে যে আন্তর্জাতিক সনদ কার্যকর হয়, তাতে ৩০ আগস্টকে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস ঘোষণা করা হয়।
২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর ৩০ আগস্ট গুম হওয়া মানুষের স্মরণ, সেই সঙ্গে তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর জন্য দিবসটি পালন করা হচ্ছে বিশ্বব্যাপী।

অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ‘নতুন উদ্ভাবন ও দৃষ্টান্ত স্থাপন’ করবে বলে মনে করছে ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ)। সিডিএফের মতে, এ ধরনের ব্যাংক হলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোর ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।
২ ঘণ্টা আগে
খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন জকসুর ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের নবনির্বাচিতরা। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে জিয়া উদ্যানে কবর জিয়ারত করেন তাঁরা।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় নকলের চেষ্টাকালে ডিভাইসসহ এক পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম পরিমল সরকার। আজ দুপুরে গাইবান্ধা শহরের দারুল হুদা আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষা চলাকালে কর্তব্যরত কেন্দ্র পরিদর্শক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সন্দেহ হলে তাঁকে তল্লাশি
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ পীর-আউলিয়ার দেশ, পীর-আউলিয়ার হাত ধরে ইসলাম এসেছে। কেউ কেউ বিভিন্ন অজুহাতে মাজারে আঘাত হানছে, যা মোটেও কাম্য নয়। এসব হামলা নিন্দনীয়।’
৮ ঘণ্টা আগে