ঢাকা: প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের জামিনের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে আদালত সম্পূর্ণ স্বাধীন। সরকার এতে কোন হস্তক্ষেপ করেনি বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ রোববার জাতিসংঘ গ্লোবাল রোড সেফটি উইক শীর্ষক এক অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠানে এ ককথা বলেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী।
শেখ হাসিনা সরকার সাংবাদিকবান্ধব সরকার উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দেশের সাংবাদিক ও সংবাদপত্র শিল্পের জন্য সরকার যা করেছে ৭৫ পরবর্তীকালে আর কোন সরকার কার্যত কিছুই করেনি। রোজিনা ইস্যুতে সাংবাদিকদের জন্য যারা মায়াকান্না করছে সেই বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী মামলা করেছিল।
আগামীকাল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন খালি রেখে এবং সমন্বিত ভাড়ায় দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল করবে বলে জানিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, গাড়ি চালু করার আগে অবশ্যই গাড়িকে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। যাত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শতভাগ মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে। যাত্রীসাধারণ ও পরিবহন মালিক শ্রমিকদের সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
সড়কে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, গত দশ বছরে বাংলাদেশে যোগাযোগখাতে যে উন্নয়ন হয়েছে বিগত কোন সময়ে তা হয়নি। পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলের মতো বড় প্রকল্পগুলো চলমান, আশা করা হচ্ছে আগামী বছর এসব প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্লাইওভার নির্মিত হয়েছে, যা এই সরকারের আরও একটি সাফল্য।

উত্তরাঞ্চলের কোটি মানুষের বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। সরকারের তৎপরতার অংশ হিসেবে এ মহাপরিকল্পনার মূল প্রশাসনিক ও কারিগরি দিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মানুষেরই আগ্রহ রয়েছে উল্লেখ করে ত্রিবেদী বলেন, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসলে এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
১৪ মিনিট আগে
মন্ত্রী বলেন, ‘পত্রিকায় যেটা এসেছে যে, সারেন্ডারের পরিবর্তে ফোয়ারা —এগুলো একদমই সঠিক না। আমরা কিন্তু আমাদের মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে এটা নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছি। আপনারা সেই ফেসবুক স্ট্যাটাস অনেকেই নিশ্চয়ই পড়েছেন, না পড়লেও আপনারা পড়বেন, আমাদের বক্তব্য এখানে স্পষ্ট।’
২৫ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন— প্রকল্পের মেয়াদ যৌক্তিক কারণ ছাড়া বাড়ানো যাবে না। যথাযথ কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলে বিলম্বের জন্য দায়ী কর্মকর্তা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
৪ ঘণ্টা আগে