নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘ফ্ল্যামিংগো এন্টারপ্রাইজ’ নামের অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ৬১৫ কোটি টাকা মূল্যের ঋণ বিতরণ করে আত্মসাতের অভিযোগে এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানসহ ৩০ জনের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা আজকের পত্রিকা'কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলায় এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার, ব্যাংকটির বর্তমান চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম স্বপন, ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফিরোজ হোসেন, ফ্ল্যামিংগো এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. মোশারফ হোসেনসহ ব্যাংকটির ২৪ সাবেক বর্তমান কর্মকর্তাসহ ৩০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিকেলে দুদকের ঢাকা জেলার সমন্বিত কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। কমিশনের ব্যাংক শাখার উপপরিচালক মো. আল আমিন বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
সূত্রটি জানায়, অভিযুক্তরা কোনো যাচাই বা সরেজমিন পরিদর্শন না করেই ‘ফ্ল্যামিংগো এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ৬১৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেন। এই ঋণের বিপরীতে কোনো সহায়ক জামানত গ্রহণ করা হয়নি, এমনকি আমদানিকৃত পণ্যের স্টক পরিদর্শন বা প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়নি।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা যায়, ঋণের কোনো কিস্তি পরিশোধ না হওয়া সত্ত্বেও বারবার অর্থ ছাড় দেওয়া হয় এবং সেই অর্থ প্রকৃত ব্যবসায় ব্যবহার না করে পেপার ট্রানজেকশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হিসাবে স্থানান্তর করা হয়, যার বেশিরভাগই মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের মালিকানাধীন নাসা গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পে-অর্ডারের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়েছে।
দুদক সূত্রটি জানায়, এক্সিম ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব অনিয়ম সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও নিজেরা লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ঋণ মঞ্জুরিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে, ব্যাংকের বিনিয়োগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও নীতিমালা নির্দেশিকা এবং শরিয়াহ পরিপালন না করে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নেন।
ফলে সরকারের ৬১৫ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ অর্থের অবৈধতা, উৎস, অবস্থান, মালিকানা গোপন করতে বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং সংঘটিত হয়েছে।
এই ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪২০ / ৪০৯ / ৪৬৭ / ৪৬৮ / ৪৭১ / ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারা, এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারা অনুযায়ী নিয়মিত মামলা রুজুর সুপারিশ করা হয়েছে।
মামলায় নাসা বেসিকস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালিদ ইবনে ইসলাম, মিসেস আনিকা ইসলাম, মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটসের প্রোপ্রাইটর মোজাম্মেল হোসাইন, জান্নাত এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, এমএনসি অ্যাপারেলস লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবুল কালাম ভূঁইয়াকে আসামী করা হয়েছে।
এছাড়া এক্সিম ব্যাংক পিএলসির ম্যানেজার (এসভিপি) মোহাম্মদ আশরাফুল হক, এভিপি ও সেকেন্ড অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক এসপিও ও ইনভেস্টমেন্ট অফিসার মো. হুমায়ুন কাদের হিমু, সাবেক ম্যানেজার মো. মনোয়ার হোসেন, সাবেক এসভিপি মেফতা উদ্দিন খান, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম, এসপিও মোছা. শিরিনা আক্তার, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আরমান হোসেন, সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আনিছুল আলম, এডিশনাল ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (চুক্তিভিত্তিক) মো. ইছরাইল খান ও মো. মঈদুল ইসলাম, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাকসুদা খানম ও মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, সাবেক এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (চুক্তিভিত্তিক) শাহ মো. আব্দুল বারি ও মো. হুমায়ুন কবীর।
অন্যদিকে মামলায় এক্সিম ব্যাংক পিএলসির বর্তমান ও সাবেক ছয় পরিচালককে আসামী করা হয়েছে তারা হলেন–নাসরিন ইসলাম, মো. আবদুল্লাহ, মো. নুরুল আমিন, অঞ্জন কুমার সাহা, মো. নাজমুস ছালেহিন, মিয়া মোহাম্মদ কাওছার আলম।
আরও খবর পড়ুন:

‘ফ্ল্যামিংগো এন্টারপ্রাইজ’ নামের অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ৬১৫ কোটি টাকা মূল্যের ঋণ বিতরণ করে আত্মসাতের অভিযোগে এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানসহ ৩০ জনের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা আজকের পত্রিকা'কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলায় এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার, ব্যাংকটির বর্তমান চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম স্বপন, ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফিরোজ হোসেন, ফ্ল্যামিংগো এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. মোশারফ হোসেনসহ ব্যাংকটির ২৪ সাবেক বর্তমান কর্মকর্তাসহ ৩০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিকেলে দুদকের ঢাকা জেলার সমন্বিত কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। কমিশনের ব্যাংক শাখার উপপরিচালক মো. আল আমিন বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
সূত্রটি জানায়, অভিযুক্তরা কোনো যাচাই বা সরেজমিন পরিদর্শন না করেই ‘ফ্ল্যামিংগো এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ৬১৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেন। এই ঋণের বিপরীতে কোনো সহায়ক জামানত গ্রহণ করা হয়নি, এমনকি আমদানিকৃত পণ্যের স্টক পরিদর্শন বা প্রতিবেদনও প্রস্তুত করা হয়নি।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা যায়, ঋণের কোনো কিস্তি পরিশোধ না হওয়া সত্ত্বেও বারবার অর্থ ছাড় দেওয়া হয় এবং সেই অর্থ প্রকৃত ব্যবসায় ব্যবহার না করে পেপার ট্রানজেকশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হিসাবে স্থানান্তর করা হয়, যার বেশিরভাগই মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের মালিকানাধীন নাসা গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পে-অর্ডারের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়েছে।
দুদক সূত্রটি জানায়, এক্সিম ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব অনিয়ম সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও নিজেরা লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ঋণ মঞ্জুরিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে, ব্যাংকের বিনিয়োগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও নীতিমালা নির্দেশিকা এবং শরিয়াহ পরিপালন না করে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নেন।
ফলে সরকারের ৬১৫ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ অর্থের অবৈধতা, উৎস, অবস্থান, মালিকানা গোপন করতে বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং সংঘটিত হয়েছে।
এই ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪২০ / ৪০৯ / ৪৬৭ / ৪৬৮ / ৪৭১ / ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারা, এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারা অনুযায়ী নিয়মিত মামলা রুজুর সুপারিশ করা হয়েছে।
মামলায় নাসা বেসিকস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালিদ ইবনে ইসলাম, মিসেস আনিকা ইসলাম, মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটসের প্রোপ্রাইটর মোজাম্মেল হোসাইন, জান্নাত এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, এমএনসি অ্যাপারেলস লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবুল কালাম ভূঁইয়াকে আসামী করা হয়েছে।
এছাড়া এক্সিম ব্যাংক পিএলসির ম্যানেজার (এসভিপি) মোহাম্মদ আশরাফুল হক, এভিপি ও সেকেন্ড অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক এসপিও ও ইনভেস্টমেন্ট অফিসার মো. হুমায়ুন কাদের হিমু, সাবেক ম্যানেজার মো. মনোয়ার হোসেন, সাবেক এসভিপি মেফতা উদ্দিন খান, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম, এসপিও মোছা. শিরিনা আক্তার, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আরমান হোসেন, সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আনিছুল আলম, এডিশনাল ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (চুক্তিভিত্তিক) মো. ইছরাইল খান ও মো. মঈদুল ইসলাম, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাকসুদা খানম ও মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, সাবেক এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (চুক্তিভিত্তিক) শাহ মো. আব্দুল বারি ও মো. হুমায়ুন কবীর।
অন্যদিকে মামলায় এক্সিম ব্যাংক পিএলসির বর্তমান ও সাবেক ছয় পরিচালককে আসামী করা হয়েছে তারা হলেন–নাসরিন ইসলাম, মো. আবদুল্লাহ, মো. নুরুল আমিন, অঞ্জন কুমার সাহা, মো. নাজমুস ছালেহিন, মিয়া মোহাম্মদ কাওছার আলম।
আরও খবর পড়ুন:

বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে লোক এনে বিএনএম গঠনের চিন্তা করা হয়েছিল।
৬ ঘণ্টা আগে
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সংযোজন প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট। কিন্তু এই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু আগেই এ নিয়ে বিতর্ক উঠে গেছে। দেশের বাইরে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় জোর আপত্তি তুলেছে বিএনপি। একই সঙ্গে ব্যালটে প্রতীকের বিন্যাস নিয়েও বিএনপির আপত্তি আছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
১১ ঘণ্টা আগে