আয়নাল হোসেন, ঢাকা

সরকারের মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা বিভাগের আওতাধীন দপ্তর বা সংস্থাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি জোরদার করা, সুশাসন ও সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের মাধ্যমে রূপকল্প-২০৪১ নির্ধারণ করা হয়। সেটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলা পর্যন্ত সুশাসন নিশ্চিতে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর হয়ে আসছে নিয়মিত। কিন্তু সরকারের এই কর্মকাণ্ড মাঠ প্রশাসনে তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না। অর্থাৎ এমন সরকারি সেবার বিষয়ে জনগণ জানতেই পারছে না। ফলে সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিতের চুক্তি রয়ে যাচ্ছে কাগজে-কলমেই।
দেশে সুশাসন নিশ্চিতের জন্য জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, অভিযোগ ও প্রতিকারের ব্যবস্থা, সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি, তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন ও বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি যথাযথভাবে পালনের জন্য ২০১৪-২০১৫ অর্থবছর থেকে দেশের ৪৮টি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে আসছে। অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে দেশের সব মন্ত্রণালয় আগামী অর্থবছরে কী কী কাজ বাস্তবায়ন করবে, সেটির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তি অনুযায়ী কাজ যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এই চুক্তির কারণে প্রতিটি মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, বিভাগ বা জেলা জবাবদিহির আওতায় থাকছে।
জানা গেছে, সরকারের পাঁচটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হচ্ছে। এসব প্রতিশ্রুতি সার্বিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ৩০ নম্বর রয়েছে। আর ৭০ নম্বর নিজ নিজ মন্ত্রণালয় দিয়ে থাকে। এই চুক্তি অনুযায়ী কোনো মন্ত্রণালয় ভালো কাজ করলে তাদের পুরস্কৃতও করা হচ্ছে। এতে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নম্বর রয়েছে। অসাধারণ ১০০, অতি উত্তম ৯০, উত্তম ৮০, চলতি মান ৭০ ও চলতি মানের নিচে ৬০ নম্বর ধার্য রয়েছে। ফলে মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর বা সংস্থার মধ্যে সেবা ও প্রতিকার দেওয়ার প্রতিযোগিতা কাজ করছে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যদি ১০০টি ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন কিনতে চায়, তবে কিছু বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকতে হবে। দরপত্র আহ্বান, কারা অংশগ্রহণ করেছে, কে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে—এসব তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। মূল্যায়ন কমিটিতে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের স্বাক্ষরযুক্ত প্রতিবেদন থাকতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে সেটির জন্য কোনো নম্বর পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ, প্রতিটি কাজের দালিলিক প্রমাণ থাকতে হবে।
কিন্তু মাঠ পর্যায়ে জনগণের কাজে সরকারের এসব প্রতিশ্রুতির কথা পৌঁছাচ্ছে না। এ কারণে সরকারি বিভিন্ন সেবা ও প্রতিকার নিতে এসে মানুষের হয়রানি কমছে না, দালালের খপ্পরে পড়ে প্রতারণাও থামছে না। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, অভিযোগ ও প্রতিকার, সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি, তথ্য অধিকার ও বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তির বিষয়টি জনগণ সঠিকভাবে জানতে পারছে না। চুক্তি বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের মধ্যে ব্যাপক প্রচারণা ও সম্পাদনে প্রতিযোগিতা থাকলেও বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেটি নেই। কর্মকর্তাদের মধ্যে সময়ে সময়ে সভা-সমাবেশ হলেও তৃণমূলের নাগরিকদের কাছে সরকারের প্রতিশ্রুতির বাণী পৌঁছাচ্ছে না। এতে জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা ও প্রতিকার পেতে কখনো অর্থ, কখনো ক্ষমতার উৎসের সন্ধান করছে।
ঢাকার দোহার উপজেলা প্রশাসনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিগত এক বছরে কেউ তথ্য অধিকার আইনে কোনো তথ্য চাননি। অথচ ২০০৯ সালে আইনটি পাশ হয়। উপজেলা প্রশাসনে এসে মানুষ কী কী সেবা পাবে, সে সংক্রান্ত কোনো প্রচারণাও সেখানে নেই। তবে ভূমি অফিসের সামনে কিছু সেবার বিষয়ে বলা আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও সেবা প্রতিশ্রুতিসংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই। এমনকি সেখানে কোনো অভিযোগও জমা পড়েনি বা কেউ তথ্য অধিকার আইনে তথ্যও চাননি বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন।
সেখানকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, তিনি যোগদানের পর থেকে কেউ তথ্য চেয়ে আবেদনই করেননি। তবে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, অভিযোগ ও প্রতিকার নিয়ে তাদের নিয়মিত সভা হচ্ছে বলে জানান তিনি। অন্যদিকে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন মীর মোবারক হোসাইনের সঙ্গে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি নিয়ে কথা হয়। তিনি জানান, তথ্য অধিকার আইনে কেউ কখনো কোনো তথ্য চাননি। কোনো অভিযোগ নিয়েও কেউ আসছে না। তবে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তির বিষয়ে তাদের সভা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
অথচ বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি এবং সরকারি দপ্তরসমূহের দক্ষতার উন্নয়ন ও কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা। সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করে কাজের মূল্যায়নের মাধ্যমে সরকারি দপ্তরসমূহের ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক উন্নয়ন করাই এর মূল লক্ষ্য। ২০২১-২২ অর্থবছরে বিভিন্ন পর্যায়ে সর্বমোট ৯১ হাজার ৫৯৩টি প্রতিষ্ঠান এপিএ স্বাক্ষর করছে। এর মধ্যে ১ হাজার ২২৮টি প্রতিষ্ঠান এপিএএমএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে এপিএ স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু এ থেকে জনগণকে সুবিধাভোগী করার বিষয়টি অধরাই থেকে যাচ্ছে।
বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন না হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. সামসুল আরেফিন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাঠ প্রশাসনে এপিএ বাস্তবায়নে সময় লাগবে। জনগণকে গিয়ারআপ করতে চেষ্টা চলছে।’ মানুষকে সচেতন করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চান তিনি।

সরকারের মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা বিভাগের আওতাধীন দপ্তর বা সংস্থাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি জোরদার করা, সুশাসন ও সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের মাধ্যমে রূপকল্প-২০৪১ নির্ধারণ করা হয়। সেটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলা পর্যন্ত সুশাসন নিশ্চিতে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর হয়ে আসছে নিয়মিত। কিন্তু সরকারের এই কর্মকাণ্ড মাঠ প্রশাসনে তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না। অর্থাৎ এমন সরকারি সেবার বিষয়ে জনগণ জানতেই পারছে না। ফলে সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিতের চুক্তি রয়ে যাচ্ছে কাগজে-কলমেই।
দেশে সুশাসন নিশ্চিতের জন্য জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, অভিযোগ ও প্রতিকারের ব্যবস্থা, সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি, তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন ও বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি যথাযথভাবে পালনের জন্য ২০১৪-২০১৫ অর্থবছর থেকে দেশের ৪৮টি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে আসছে। অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে দেশের সব মন্ত্রণালয় আগামী অর্থবছরে কী কী কাজ বাস্তবায়ন করবে, সেটির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তি অনুযায়ী কাজ যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এই চুক্তির কারণে প্রতিটি মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, বিভাগ বা জেলা জবাবদিহির আওতায় থাকছে।
জানা গেছে, সরকারের পাঁচটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হচ্ছে। এসব প্রতিশ্রুতি সার্বিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ৩০ নম্বর রয়েছে। আর ৭০ নম্বর নিজ নিজ মন্ত্রণালয় দিয়ে থাকে। এই চুক্তি অনুযায়ী কোনো মন্ত্রণালয় ভালো কাজ করলে তাদের পুরস্কৃতও করা হচ্ছে। এতে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নম্বর রয়েছে। অসাধারণ ১০০, অতি উত্তম ৯০, উত্তম ৮০, চলতি মান ৭০ ও চলতি মানের নিচে ৬০ নম্বর ধার্য রয়েছে। ফলে মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর বা সংস্থার মধ্যে সেবা ও প্রতিকার দেওয়ার প্রতিযোগিতা কাজ করছে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যদি ১০০টি ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন কিনতে চায়, তবে কিছু বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকতে হবে। দরপত্র আহ্বান, কারা অংশগ্রহণ করেছে, কে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে—এসব তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। মূল্যায়ন কমিটিতে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের স্বাক্ষরযুক্ত প্রতিবেদন থাকতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে সেটির জন্য কোনো নম্বর পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ, প্রতিটি কাজের দালিলিক প্রমাণ থাকতে হবে।
কিন্তু মাঠ পর্যায়ে জনগণের কাজে সরকারের এসব প্রতিশ্রুতির কথা পৌঁছাচ্ছে না। এ কারণে সরকারি বিভিন্ন সেবা ও প্রতিকার নিতে এসে মানুষের হয়রানি কমছে না, দালালের খপ্পরে পড়ে প্রতারণাও থামছে না। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, অভিযোগ ও প্রতিকার, সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি, তথ্য অধিকার ও বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তির বিষয়টি জনগণ সঠিকভাবে জানতে পারছে না। চুক্তি বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের মধ্যে ব্যাপক প্রচারণা ও সম্পাদনে প্রতিযোগিতা থাকলেও বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেটি নেই। কর্মকর্তাদের মধ্যে সময়ে সময়ে সভা-সমাবেশ হলেও তৃণমূলের নাগরিকদের কাছে সরকারের প্রতিশ্রুতির বাণী পৌঁছাচ্ছে না। এতে জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা ও প্রতিকার পেতে কখনো অর্থ, কখনো ক্ষমতার উৎসের সন্ধান করছে।
ঢাকার দোহার উপজেলা প্রশাসনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিগত এক বছরে কেউ তথ্য অধিকার আইনে কোনো তথ্য চাননি। অথচ ২০০৯ সালে আইনটি পাশ হয়। উপজেলা প্রশাসনে এসে মানুষ কী কী সেবা পাবে, সে সংক্রান্ত কোনো প্রচারণাও সেখানে নেই। তবে ভূমি অফিসের সামনে কিছু সেবার বিষয়ে বলা আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও সেবা প্রতিশ্রুতিসংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই। এমনকি সেখানে কোনো অভিযোগও জমা পড়েনি বা কেউ তথ্য অধিকার আইনে তথ্যও চাননি বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন।
সেখানকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, তিনি যোগদানের পর থেকে কেউ তথ্য চেয়ে আবেদনই করেননি। তবে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, অভিযোগ ও প্রতিকার নিয়ে তাদের নিয়মিত সভা হচ্ছে বলে জানান তিনি। অন্যদিকে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন মীর মোবারক হোসাইনের সঙ্গে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি নিয়ে কথা হয়। তিনি জানান, তথ্য অধিকার আইনে কেউ কখনো কোনো তথ্য চাননি। কোনো অভিযোগ নিয়েও কেউ আসছে না। তবে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তির বিষয়ে তাদের সভা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
অথচ বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি এবং সরকারি দপ্তরসমূহের দক্ষতার উন্নয়ন ও কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা। সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করে কাজের মূল্যায়নের মাধ্যমে সরকারি দপ্তরসমূহের ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক উন্নয়ন করাই এর মূল লক্ষ্য। ২০২১-২২ অর্থবছরে বিভিন্ন পর্যায়ে সর্বমোট ৯১ হাজার ৫৯৩টি প্রতিষ্ঠান এপিএ স্বাক্ষর করছে। এর মধ্যে ১ হাজার ২২৮টি প্রতিষ্ঠান এপিএএমএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে এপিএ স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু এ থেকে জনগণকে সুবিধাভোগী করার বিষয়টি অধরাই থেকে যাচ্ছে।
বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন না হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. সামসুল আরেফিন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাঠ প্রশাসনে এপিএ বাস্তবায়নে সময় লাগবে। জনগণকে গিয়ারআপ করতে চেষ্টা চলছে।’ মানুষকে সচেতন করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চান তিনি।

বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে লোক এনে বিএনএম গঠনের চিন্তা করা হয়েছিল।
৫ ঘণ্টা আগে
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সংযোজন প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট। কিন্তু এই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু আগেই এ নিয়ে বিতর্ক উঠে গেছে। দেশের বাইরে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় জোর আপত্তি তুলেছে বিএনপি। একই সঙ্গে ব্যালটে প্রতীকের বিন্যাস নিয়েও বিএনপির আপত্তি আছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
১০ ঘণ্টা আগে