বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিল না করলে কোরবানির ঈদের পর সারা দেশে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কর্মচারীরা। এই অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে আজ সোমবার সরকারের দুই উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দেওয়ার আগে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে তারা এই ঘোষণা দেন।
চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে আজ সোমবার স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেন কর্মচারী নেতারা। এ সময় দুই উপদেষ্টা দপ্তরে ছিলেন না।
স্মারকলিপি জমা দেওয়ার আগে কর্মচারীরা সচিবালয়ের বাদামতলায় বিক্ষোভ-সমাবেশ করেন। সেখানে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবীর বলেন, ‘আমরা আনুগত্য, নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী। কিন্তু আজ আমাদের আনুগত্যের বাইরে ঠেলে দেওয়ার যে অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে, আমি এই অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত কর্মচারীরা মাঠে থাকবে জানিয়ে বাদিউল বলেন, ‘সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা, প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সেক্টরের কর্মচারীরা ঈদের পরে কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখেন। উপজেলা, জেলা এবং এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে যেখানে সরকারের কর্মচারীরা কর্মরত আছেন, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন বাস্তবায়ন করবেন ইনশা আল্লাহ।’
কর্মচারীদের উদ্দেশে বাদিউল বলেন, ‘ঈদের পর যদি কঠোর আন্দোলনের ডাক দিই, তাহলে আপনারা সবাই প্রস্তুত থাকবেন তো?’ জবাবে উপস্থিত কর্মচারীরা ‘হ্যাঁ’ বলে চিৎকার করেন।
সরকার কর্মচারীদের মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করাচ্ছে অভিযোগ করে বাদিউল বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় অস্থিরতা বিরাজ করছে। কিন্তু অস্থিরতা প্রশমনের কোনো উদ্যোগ নেই। কর্মচারীদের শান্তি ও শৃঙ্খলাপূর্ণ এবং ভদ্রোচিত আচরণকে আপনারা যদি দুর্বলতা মনে করেন, সেটা আপনাদের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়াবে। দেশ মুসলিমপ্রধান, সামনে কোরবানি ও বাজেট, তাই আমরা কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দিইনি।’
আন্দোলনকারী কর্মচারীরা আগামীকাল মঙ্গলবার অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বরাবর স্মারকলিপি দেবেন। গত রোববার তারা জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে স্মারকলিপি দেন।

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিল না করলে কোরবানির ঈদের পর সারা দেশে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কর্মচারীরা। এই অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে আজ সোমবার সরকারের দুই উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দেওয়ার আগে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে তারা এই ঘোষণা দেন।
চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে আজ সোমবার স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেন কর্মচারী নেতারা। এ সময় দুই উপদেষ্টা দপ্তরে ছিলেন না।
স্মারকলিপি জমা দেওয়ার আগে কর্মচারীরা সচিবালয়ের বাদামতলায় বিক্ষোভ-সমাবেশ করেন। সেখানে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবীর বলেন, ‘আমরা আনুগত্য, নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী। কিন্তু আজ আমাদের আনুগত্যের বাইরে ঠেলে দেওয়ার যে অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে, আমি এই অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত কর্মচারীরা মাঠে থাকবে জানিয়ে বাদিউল বলেন, ‘সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা, প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সেক্টরের কর্মচারীরা ঈদের পরে কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখেন। উপজেলা, জেলা এবং এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে যেখানে সরকারের কর্মচারীরা কর্মরত আছেন, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন বাস্তবায়ন করবেন ইনশা আল্লাহ।’
কর্মচারীদের উদ্দেশে বাদিউল বলেন, ‘ঈদের পর যদি কঠোর আন্দোলনের ডাক দিই, তাহলে আপনারা সবাই প্রস্তুত থাকবেন তো?’ জবাবে উপস্থিত কর্মচারীরা ‘হ্যাঁ’ বলে চিৎকার করেন।
সরকার কর্মচারীদের মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করাচ্ছে অভিযোগ করে বাদিউল বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় অস্থিরতা বিরাজ করছে। কিন্তু অস্থিরতা প্রশমনের কোনো উদ্যোগ নেই। কর্মচারীদের শান্তি ও শৃঙ্খলাপূর্ণ এবং ভদ্রোচিত আচরণকে আপনারা যদি দুর্বলতা মনে করেন, সেটা আপনাদের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়াবে। দেশ মুসলিমপ্রধান, সামনে কোরবানি ও বাজেট, তাই আমরা কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দিইনি।’
আন্দোলনকারী কর্মচারীরা আগামীকাল মঙ্গলবার অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বরাবর স্মারকলিপি দেবেন। গত রোববার তারা জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে স্মারকলিপি দেন।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে