Ajker Patrika

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক

চিনিকলে বায়ো প্রোডাক্ট তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
চিনিকলে বায়ো প্রোডাক্ট তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ
নতুন সংসদ রাষ্ট্রের বৃহত্তর জনগণকে হতাশ করবে না বলেই প্রত্যাশা। ছবি: আজকের পত্রিকা আর্কাইভ

লোকসানকৃত চিনিকলগুলোতে চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি অন্যান্য দ্রব্য দিয়ে বায়ো প্রোডাক্ট তৈরি করে কীভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করা যায়, সে বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। আগামী বৈঠকে এ প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন কোন প্রতিষ্ঠানের কোন পদে কতটি শূন্য পদ রয়েছে এবং কতটি পদের জন্য ইতিমধ্যে কোন কোন প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, তারও প্রতিবেদন আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকের শুরুতে কমিটির প্রথম বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন, প্রকল্পের অগ্রগতি, অর্থ ছাড় ও ব্যয়ের হার এবং বাস্তবায়নে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

বিএসটিআইয়ের বিভিন্ন জেলা পর্যায়ের কার্যালয় সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ, আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোর আধুনিকায়ন এবং শিল্প খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়নসংক্রান্ত প্রকল্পের বাস্তবায়ন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

বিসিআইসির আওতাধীন বিভিন্ন সার কারখানার উৎপাদন, উৎপাদন সক্ষমতা, নতুন প্রকল্প, বন্ধ সার কারখানা পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ, কারখানা পরিচালনায় বিদ্যমান সমস্যা এবং সার উৎপাদনের ব্যয় নিয়েও বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। সার কারখানাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ এবং বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

লোকসানকৃত চিনিকলগুলোতে চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি অন্যান্য দ্রব্য দিয়ে বায়ো প্রোডাক্ট তৈরি করে কীভাবে চিনিকলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা যায়, সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য কমিটি নির্দেশনা প্রদান করে।

বিভিন্ন প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করতে বাস্তবায়নে গতি বৃদ্ধি, অর্থের যথাযথ ব্যবহার এবং বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার সুপারিশ করা হয়।

এ ছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর প্রতিটি কলকারখানার বার্ষিক আয়-ব্যয়, জনবলের শূন্য পদ এবং ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের চলমান উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদন বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

কমিটি শিল্প খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি, সরকারি বিনিয়োগের সর্বোত্তম ব্যবহার, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চলমান প্রকল্পগুলোর কাঙ্ক্ষিত সুফল দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে। পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা এবং অসমাপ্ত কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালামের সভাপতিত্বে বৈঠক আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আব্দুস সালাম আজাদ, কাজী রফিকুল ইসলাম, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, মনজুর এলাহী, মো. এনামুল হক ও মাসুদ সাঈদী।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত