
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে একটি চিহ্নিত মহল গুজব ছড়িয়ে ভয় ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার চেষ্টাকে সহ্য করা হবে না।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট বিষয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় এমনটি জানান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা লক্ষ করছি—একটি চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে গুজব ও অপতথ্য ছড়িয়ে নাগরিকদের মনে সন্দেহ, ভয় ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তাদের উদ্দেশ্য একটাই—নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করা, জনগণের আস্থাকে দুর্বল করা।’
ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি আপনাদের অনুরোধ করছি—সতর্ক থাকুন, দায়িত্বশীল থাকুন। যাচাই না করে কোনো তথ্য শেয়ার করবেন না। গুজবের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো সচেতনতা ও সত্য। নির্বাচন নিয়ে যারা বিগত মাসগুলোতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করেছিল, তারা সম্পূর্ণভাবে ভুল প্রমাণিত হয়েছে। জনগণকে বিভ্রান্ত করতে তারা চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
‘আপনারা সকল প্রকার অপপ্রচার থেকে নিজেদের মুক্ত রাখুন। তথ্য যাচাইয়ের জন্য সরকারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখুন। নির্বাচন বন্ধু হটলাইন—৩৩৩-তে ফোন করে সঠিক খবর জেনে নিন।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন নতুন করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নাকি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে না। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও পরিকল্পিত অপপ্রচার, যার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণে বিঘ্ন সৃষ্টি করা। আপনারা নিশ্চিত থাকুন, নির্বাচনে বিজয়ী জনপ্রতিনিধিদের কাছে দ্রুততম সময়ে ক্ষমতা হস্তান্তর করে অন্তর্বর্তী সরকার তার দায়িত্ব সমাপ্ত করবে।’
নির্বাচনে অংশ নেওয়া বৈধ রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আপনারা দলের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের দ্ব্যর্থহীনভাবে নির্দেশ দিন, যেন কেউ কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কেন্দ্র দখল, ভোটে প্রভাব বিস্তার করা কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত না হয়। কেউ যেন সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোনোভাবে গুজব না ছড়ায়। রাষ্ট্র কোনোভাবেই এ ধরনের আচরণ সহ্য করবে না।’
ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, ‘ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয়, একটি ত্রুটিপূর্ণ, প্রশ্নবিদ্ধ বা সহিংসতাপূর্ণ নির্বাচন শেষ পর্যন্ত কারও জন্যই মঙ্গল বয়ে আনে না, বরং দেশের সর্বনাশ ডেকে আনে। যারা জনগণের মতামত উপেক্ষা করে শক্তি ও অনিয়মের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছে, তারা সবাই শেষ পর্যন্ত জনগণের আদালতে কঠিন জবাবদিহিতার মুখোমুখি হয়েছে।’

এই প্রথম বড় ধরনের রদবদল হতে যাচ্ছে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায়। আজ সন্ধ্যায় এ লক্ষ্যে বঙ্গভবনে চারজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। শপথ নেওয়ার পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষতিকর ও অনুপযুক্ত কনটেন্টের বিস্তারও শিশু-কিশোরদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসব বিষয়ে সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে...
১ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনে আবারও তিন সচিবের দপ্তর পরিবর্তন করা হয়েছে। এর মধ্যে রফিকুল আই মোহাম্মদকে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব করা হয়েছে। এ ছাড়া পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শওকত রশীদ চৌধুরীকে ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) করা হয়েছে। আর ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান এ জে এম সালাহউদ্দিন
২ ঘণ্টা আগে
নতুন চার মন্ত্রীকে শপথ পড়িয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন আবদুল মঈন খান, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সাচিং প্রু ও আন্দালিভ রহমান পার্থ। আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব...
২ ঘণ্টা আগে