১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটার, প্রার্থীসহ সুনির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেস) মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রে নির্দিষ্ট কয়েকজন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক, প্রার্থী ও ভোটাররা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
অনুমোদিত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—
(ক) ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা; (খ) ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ; (গ) ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য; (ঘ) নীতিমালা অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনরত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক এবং (ঙ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট এবং ভোটার।
তবে ভোটের গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে কেউই গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেস) মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।
এ ছাড়া ভোট গ্রহণের কাজে নিয়োজিত সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং অফিসার, পোলিং এজেন্ট এবং ওপরে উল্লিখিত নির্দিষ্ট পুলিশ ও আনসার সদস্য ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্য কোনো সদস্য ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখতে পারবেন না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজধানীতে মোটরসাইকেল মেকানিক মো. নয়ন মিয়া হত্যার আলাদা ঘটনাস্থল দেখিয়ে আদালতে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। একটি মামলা করেছেন তাঁর শ্বশুর, অন্যটি তাঁর বাবা। শ্বশুরের করা মামলায় ঘটনাস্থল অসত্য উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের অধিকাংশ যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২ এপ্রিল সংসদে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশেষ কমিটি। তবে গণভোটের অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়ে গেছে উল্লেখ করে তা বিল আকারে সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে আপত্তি তুলেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।
৩ ঘণ্টা আগে
সরবরাহে ঘাটতি খুব সামান্য। মজুত নিয়েও আপাতত বড় দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। এরপরও সারা দেশের তেলের পাম্পগুলোতে এক মাস ধরে যেন ‘হাহাকার’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল ও বিশ্লেষকেরা বলছেন, মূলত দুর্বল পরিকল্পনা, তথ্যের ঘাটতি, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাপর্যায়ে কিছু মজুতদারিতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কিছুক্ষণ পর ২৫-৩০ জন পুলিশ ওই চায়ের দোকানের সামনে আসে। কিছু পুলিশ সদস্য উচ্চস্বরে বলছিলেন—‘সবাইকে ক্রসফায়ার করে দে’। চায়ের দোকানের শাটার খুলে পুলিশ তাঁদের টেনেহিঁচড়ে বের করে হাতের অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক পেটায়...
৬ ঘণ্টা আগে